ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর
বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!
আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!
স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
‘প্রোটোকল দিয়ে আমাকে বনবাসে দিয়ে গেল’: শেখ হাসিনা
দেশ ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল না, এমনকি বিষয়টি তিনি জানতেনও না—সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় এমন দাবি করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, তিনি টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সীমান্তে পৌঁছানোর পর জানতে পারেন, তাকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ভিডিওতে শেখ হাসিনা ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ, দেশত্যাগ এবং পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তাকে একপ্রকার ‘বনবাসে’ পাঠানো হয়েছে।
ভিডিওর শুরুতে দেশত্যাগের প্রেক্ষাপট নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি যে আমাকে দেশ ছেড়ে আসতে হবে। আমি জানতামও না।’ তিনি উল্লেখ করেন, গণভবন যখন ঘেরাও করা হয়, তখন প্রাণহানি এড়াতে তিনি নিরাপত্তারক্ষীদের গুলি
না চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার সিকিউরিটি যারা ছিল, তারা আমাকে ওখান থেকে সরিয়ে নিয়ে এল। আমি বললাম, আমি টুঙ্গিপাড়া চলে যাব, আমি থাকবই না। এত কথা শুনে আমাকে কেন চালাতে হবে? থাকতে হবে?’ বাংলাদেশের উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার যেটা লক্ষ্য, বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করে দিয়েছি, যথেষ্ট।’ দেশ ছাড়ার বিষয়টি তিনি শেষ মুহূর্তে জানতে পারেন বলে দাবি করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি আমি টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছি। আমি অনেক পরে জানতে পারলাম, যখন আমি বর্ডার (সীমান্ত) ক্রস করছি, তখন বলছে আমরা অমুক জায়গায় যাচ্ছি। তো এটার আয়োজনটা বা কীভাবে হলো, সেটাও আমি জানি না। মানে
ওরা একেবারে প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই সব প্রোটোকল দিয়েই আমাকে বনবাসে দিয়ে গেল।’ ভিডিও বার্তায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরসহ পৈতৃক বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আক্ষেপ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সবই আমি হারিয়েছি। বাবা, মা, ভাই সব হারিয়েছি। এমনকি ঘরবাড়ি যা কিছু ছিল স্মৃতিচিহ্ন, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি জাদুঘর থেকে শুরু করে সবই লুটপাট, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিয়েছে।’ তবে নিজের ক্ষতির চেয়ে দলীয় নেতা-কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর হওয়া হামলায় বেশি ব্যথিত বলে জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি বলেন, ‘হারাবার কিছু নেই। এই জন্য ভয়ও নেই, কোনো দুঃখও নেই। কারণ আমার আওয়ামী লীগের অগণিত নেতা-কর্মী বা যারা একটু আওয়ামী লীগ
করেছে বা যাদের পরিবার আওয়ামী লীগ বা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, তাদের তো জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব শেষ করে দিয়েছে। যখন তাদের কথা চিন্তা করি, নিজেরা কী হারালাম, সেটা নিয়ে আমি চিন্তা করি না।’ উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি কবে বা কোথায় ধারণ করা, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
না চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার সিকিউরিটি যারা ছিল, তারা আমাকে ওখান থেকে সরিয়ে নিয়ে এল। আমি বললাম, আমি টুঙ্গিপাড়া চলে যাব, আমি থাকবই না। এত কথা শুনে আমাকে কেন চালাতে হবে? থাকতে হবে?’ বাংলাদেশের উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার যেটা লক্ষ্য, বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করে দিয়েছি, যথেষ্ট।’ দেশ ছাড়ার বিষয়টি তিনি শেষ মুহূর্তে জানতে পারেন বলে দাবি করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি আমি টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছি। আমি অনেক পরে জানতে পারলাম, যখন আমি বর্ডার (সীমান্ত) ক্রস করছি, তখন বলছে আমরা অমুক জায়গায় যাচ্ছি। তো এটার আয়োজনটা বা কীভাবে হলো, সেটাও আমি জানি না। মানে
ওরা একেবারে প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই সব প্রোটোকল দিয়েই আমাকে বনবাসে দিয়ে গেল।’ ভিডিও বার্তায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরসহ পৈতৃক বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আক্ষেপ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সবই আমি হারিয়েছি। বাবা, মা, ভাই সব হারিয়েছি। এমনকি ঘরবাড়ি যা কিছু ছিল স্মৃতিচিহ্ন, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি জাদুঘর থেকে শুরু করে সবই লুটপাট, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শেষ করে দিয়েছে।’ তবে নিজের ক্ষতির চেয়ে দলীয় নেতা-কর্মী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর হওয়া হামলায় বেশি ব্যথিত বলে জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি বলেন, ‘হারাবার কিছু নেই। এই জন্য ভয়ও নেই, কোনো দুঃখও নেই। কারণ আমার আওয়ামী লীগের অগণিত নেতা-কর্মী বা যারা একটু আওয়ামী লীগ
করেছে বা যাদের পরিবার আওয়ামী লীগ বা মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, তাদের তো জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে সব শেষ করে দিয়েছে। যখন তাদের কথা চিন্তা করি, নিজেরা কী হারালাম, সেটা নিয়ে আমি চিন্তা করি না।’ উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি কবে বা কোথায় ধারণ করা, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।



