ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
একাত্তরের রণাঙ্গনে মুজিব বাহিনী: বিকৃত ইতিহাসের বিপরীতে দালিলিক সত্য
শেখ হাসিনার অবিস্মরণীয় অবদান, পরমাণু যুগে বাংলাদেশ: মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী ৫০১ প্রকৌশলীর অভিনন্দন
‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’
‘৫০০ টাকা আয় করে ১২০০ টাকা খরচে বিচার চাইতে হয়’
উদ্ধার হওয়া সেই লাশ বৃষ্টির, লিমনের লাশ দেশে আসবে ৪ মে
আমি একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা: সংসদে জামায়াত নেতা তাহের
জুলাই স্তম্ভ ময়লার ভাগাড়ে পরিণত, ক্ষোভ জানালেন ফারুকী
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের “কালো আইন” এর প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
আমিই_আওয়ামীলীগ হ্যাশট্যাগ সাড়ে ৬ কোটিবার ব্যবহৃত
জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সকল রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার “কালো আইন” এর তীব্র প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া ‘#আমিই_আওয়ামীলীগ’ ক্যাম্পেইন ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এই হ্যাশট্যাগটি সাড়ে ৬ কোটিরও বেশিবার ব্যবহৃত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংসদে কণ্ঠভোটে বিল পাসের পরপরই আওয়ামী লীগের সমর্থক ও সাধারণ নেতা-কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় (বিশেষ করে ফেসবুক, এক্স ও ইনস্টাগ্রামে) এই ক্যাম্পেইন শুরু করেন। অনেকে নিজেদের পরিচয় দিয়ে লিখেছেন— “দল নিষিদ্ধ হতে পারে, কিন্তু মানুষের মন থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা যাবে না। আমিই আওয়ামী লীগ।” এই ক্যাম্পেইন দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ এতে অংশ নেন।
প্রতিবাদের ধরন
সমর্থকরা
বিভিন্ন ধরনের পোস্ট, ভিডিও, ছবি ও স্ট্যাটাসের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। কেউ কেউ লিখছেন, “আমি একজন নগণ্য কর্মী, কিন্তু #আমিই_আওয়ামীলীগ”। অনেকে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানসহ পুরনো ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন। এই প্রচারণা শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধকরণের পর দলটির যেকোনো প্রকাশনা, অনলাইন প্রচারণা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই আইনকে অনেকে “কালো আইন” হিসেবে অভিহিত করে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন সমর্থকরা। তারা বলছেন, রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা গেলেও আদর্শ ও জনসমর্থনকে নিষিদ্ধ করা যায় না। বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া অন্যদিকে, জুলাই অভ্যুত্থানের সমর্থক ও বর্তমান সরকারপন্থী অনেকে এই ক্যাম্পেইনকে “নিষিদ্ধ দলের অবৈধ
প্রচারণা” বলে সমালোচনা করছেন। তারা বলছেন, আইন অনুসারে এ ধরনের কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল পরিসরে এই হ্যাশট্যাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, হ্যাশট্যাগটির ব্যবহারের সংখ্যা সাড়ে ৬ কোটি ছাড়িয়ে গেছে, যা বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এটি আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের একটি ডিজিটাল প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, নিষিদ্ধকরণের পরও আওয়ামী লীগের আদর্শগত অস্তিত্ব এখনো শক্তিশালী রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
বিভিন্ন ধরনের পোস্ট, ভিডিও, ছবি ও স্ট্যাটাসের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। কেউ কেউ লিখছেন, “আমি একজন নগণ্য কর্মী, কিন্তু #আমিই_আওয়ামীলীগ”। অনেকে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানসহ পুরনো ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন। এই প্রচারণা শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধকরণের পর দলটির যেকোনো প্রকাশনা, অনলাইন প্রচারণা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই আইনকে অনেকে “কালো আইন” হিসেবে অভিহিত করে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন সমর্থকরা। তারা বলছেন, রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা গেলেও আদর্শ ও জনসমর্থনকে নিষিদ্ধ করা যায় না। বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া অন্যদিকে, জুলাই অভ্যুত্থানের সমর্থক ও বর্তমান সরকারপন্থী অনেকে এই ক্যাম্পেইনকে “নিষিদ্ধ দলের অবৈধ
প্রচারণা” বলে সমালোচনা করছেন। তারা বলছেন, আইন অনুসারে এ ধরনের কার্যক্রম শাস্তিযোগ্য। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল পরিসরে এই হ্যাশট্যাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, হ্যাশট্যাগটির ব্যবহারের সংখ্যা সাড়ে ৬ কোটি ছাড়িয়ে গেছে, যা বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এটি আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের একটি ডিজিটাল প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, নিষিদ্ধকরণের পরও আওয়ামী লীগের আদর্শগত অস্তিত্ব এখনো শক্তিশালী রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।



