ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর বেড়ে ১২৩.৫৫ টাকাঃ দুই সপ্তাহে বেড়েছে ৭০ পয়সা, আমদানি ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কা
স্বর্ণবাজারে ১৩ বছরের সবচেয়ে বড় ধস!
জুলাইয়ে অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানির দাম
বুধবার বন্ধ থাকবে ব্যাংক
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন
ব্যাংক নোট কেন বাতিল করা হয়?
সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
বৈশাখের আগে ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া, বাজারে সংকট
পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা ও মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুরের পাইকারি মৎস্য বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশ সীমিত থাকলেও বড় ইলিশ প্রায় দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ৯০০ থেকে ১১০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশের দাম ৮০ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকা, ৪০০ থেকে ৬০০ গ্রামের ইলিশ ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা এবং ছোট জাটকা বিক্রি হচ্ছে ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা মণ দরে।
পাইকারি বাজারের এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। শহরের নিউ মার্কেটসহ
জেলার বিভিন্ন বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ, যা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। মৎস্য আড়ত মালিকরা জানান, তেল সংকটের কারণে জেলেরা পর্যাপ্ত মাছ ধরতে পারছেন না। এর সঙ্গে ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা এবং বৈশাখকে ঘিরে বাড়তি চাহিদা- সব মিলিয়ে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কমে গেছে। মহিপুরের ভাই ভাই আড়তের বিক্রেতা মো. শাহআলম হাওলাদার বলেন, সাগরে তেমন ইলিশ মিলছে না। তেলের সংকটে অনেক জেলে সাগরে যেতে পারছেন না। তার ওপর সামনে নিষেধাজ্ঞা- সব মিলিয়ে আমরা চাপে আছি। ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতা আ. রহিম বলেন, ইলিশের দাম দেখে অবাক হয়ে গেছি। মনে হচ্ছে স্বর্ণের চেয়েও বেশি দাম। কম দামে
চাইলে বিক্রেতারা বলছেন, ওই দামে ইলিশের আঁশও পাওয়া যাবে না। মহিপুর মৎস্য আড়ত সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফজলু গাজী বলেন, চাহিদার তুলনায় সাগরে ইলিশ কম ধরা পড়ছে। তেলের সংকটও আছে। বৈশাখের চাহিদা থাকলেও বাজারে সরবরাহ কম, তাই দাম বেশি। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতি বছরই ইলিশের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু বর্তমানে সাগরে মাছ কম ধরা পড়া এবং জ্বালানি সংকটের কারণে সরবরাহ স্বাভাবিক নেই। এ কারণেই দাম বেড়েছে।
জেলার বিভিন্ন বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ, যা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। মৎস্য আড়ত মালিকরা জানান, তেল সংকটের কারণে জেলেরা পর্যাপ্ত মাছ ধরতে পারছেন না। এর সঙ্গে ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ৫৮ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা এবং বৈশাখকে ঘিরে বাড়তি চাহিদা- সব মিলিয়ে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কমে গেছে। মহিপুরের ভাই ভাই আড়তের বিক্রেতা মো. শাহআলম হাওলাদার বলেন, সাগরে তেমন ইলিশ মিলছে না। তেলের সংকটে অনেক জেলে সাগরে যেতে পারছেন না। তার ওপর সামনে নিষেধাজ্ঞা- সব মিলিয়ে আমরা চাপে আছি। ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতা আ. রহিম বলেন, ইলিশের দাম দেখে অবাক হয়ে গেছি। মনে হচ্ছে স্বর্ণের চেয়েও বেশি দাম। কম দামে
চাইলে বিক্রেতারা বলছেন, ওই দামে ইলিশের আঁশও পাওয়া যাবে না। মহিপুর মৎস্য আড়ত সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফজলু গাজী বলেন, চাহিদার তুলনায় সাগরে ইলিশ কম ধরা পড়ছে। তেলের সংকটও আছে। বৈশাখের চাহিদা থাকলেও বাজারে সরবরাহ কম, তাই দাম বেশি। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতি বছরই ইলিশের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু বর্তমানে সাগরে মাছ কম ধরা পড়া এবং জ্বালানি সংকটের কারণে সরবরাহ স্বাভাবিক নেই। এ কারণেই দাম বেড়েছে।



