ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তুরাগ হত্যাকাণ্ড: বিবিসি বাংলার অনুসন্ধানে উঠে এলো লীগ কর্মীদের নির্মমভাবে হত্যার আরও বিশদ তথ্য
জুনে সারাদেশে ৩৩৩ নারী-কন্যাশিশু নির্যাতিত: শীর্ষে ধর্ষণ ও ধর্ষণ-সংশ্লিষ্ট সহিংসতা
ভারতীয় পেঁয়াজের সাথে প্রতিযোগিতায় ন্যায্যমূল্য না পেয়ে দিশেহারা কৃষক, ক্ষোভে পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন রাস্তায়-ডোবায়
দেশটা দিনে অচল থাকে, রাইতে হারিকেন: স্মরণকালের সর্বোচ্চ লোডশেডিং দেখল বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার নিজস্ব অর্থায়নের সিদ্ধান্ত: সংশয়ের পদ্মা সেতুতে চার বছরে আয় ৩৩৯২ কোটি টাকা
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিলে অংশ নেয়ায় ছাত্রলীগ কর্মী মাহাবুব ঢ়াড়ী-কে পিটিয়ে হত্যা
‘মাজারবিদ্বেষীদের’ সঙ্গে নিয়ে শেষ দিনে ‘মাজারে ডিসিগিরি’ করে গেলেন সারওয়ার আলম
পে স্কেলের অনুপাত দাবি নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন ঘোষণা
সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করে ন্যায্য ও মানবিক পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি উঠেছে। এ দাবি নিয়ে আগামী শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করতে যাচ্ছে ‘১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরাম’। ইতোমধ্যে সংগঠনটি প্রেস ক্লাবের হলরুম বুক করেছে।
সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, তাদের প্রধান দাবি—বেতন বৈষম্য দূর করে নতুন পে স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৪ অথবা ১:৬ নির্ধারণ করা। পাশাপাশি বর্তমান বাজারমূল্য বিবেচনায় সব ধরনের ভাতা পুনর্নির্ধারণ, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল এবং এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মলনে আহ্বান জানানো হবে।
এসব দাবি মানার জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বর সময় বেঁধে দেবেন তারা।
১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরামের
সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ন্যায্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যমুক্ত পে স্কেল ঘোষণা করার দাবি থাকবে আমাদের। এ ছাড়া সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন ১:৪ অনুপাত করার দাবি থাকবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৮ হাজার এবং সর্বনিম্ন বেতন ৩২ হাজার করার প্রস্তাবনা থাকবে। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান গ্রেড ভেঙে ১২-১৫টি করার দাবি জানাবে সংগঠনটি। তাদের অভিযোগ, বেতন বৈষম্যের কারণেই তাদের পে স্কেল পেতে এত দীর্ঘ সময় লেগেছে। তারা মনে করেন, যদি বৈষম্য না থাকত, তবে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আগেই বেতন বৃদ্ধির দাবি জানাতেন এবং এর ফলে সাধারণ কর্মচারীরা আরও অন্তত দুটি পে স্কেল পেয়ে যেতেন। বর্তমান কাঠামোয় কর্মকর্তাদের জীবনযাত্রায় কোনো অসুবিধা না হওয়ায়,
তারা বেতন স্কেল নিয়ে ভাবেন না। কিন্তু ছোট কর্মচারীদের সংসার চালানো এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ।
সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ন্যায্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যমুক্ত পে স্কেল ঘোষণা করার দাবি থাকবে আমাদের। এ ছাড়া সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন ১:৪ অনুপাত করার দাবি থাকবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৮ হাজার এবং সর্বনিম্ন বেতন ৩২ হাজার করার প্রস্তাবনা থাকবে। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান গ্রেড ভেঙে ১২-১৫টি করার দাবি জানাবে সংগঠনটি। তাদের অভিযোগ, বেতন বৈষম্যের কারণেই তাদের পে স্কেল পেতে এত দীর্ঘ সময় লেগেছে। তারা মনে করেন, যদি বৈষম্য না থাকত, তবে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আগেই বেতন বৃদ্ধির দাবি জানাতেন এবং এর ফলে সাধারণ কর্মচারীরা আরও অন্তত দুটি পে স্কেল পেয়ে যেতেন। বর্তমান কাঠামোয় কর্মকর্তাদের জীবনযাত্রায় কোনো অসুবিধা না হওয়ায়,
তারা বেতন স্কেল নিয়ে ভাবেন না। কিন্তু ছোট কর্মচারীদের সংসার চালানো এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ।



