ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
মধ্যরাতে পরকীয়ার সময় বিএনপি নেতা হাতেনাতে ধরা, অতঃপর…
চট্টগ্রামে হামের ‘মহামারি’: চট্টগ্রামে হামের তাণ্ডবে ১৩ মৃত্যু, ল্যাব থাকলেও পরীক্ষা ঢাকায়
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু সেনা বাহিনীর
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
অন্ধকারে ডুবছে পর্যটন নগরী: লাগাতার লোডশেডিংয়ে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকেরা, হোটেল ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত
নোয়াখালীতে ‘জয় বাংলা’ মিছিল: শিশু আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ৭ম-১০ম শ্রেণীর কোমলমতি শিশুদের গণগ্রেপ্তার
নোয়াখালী সদরের একটি ইউনিয়নে স্বতঃস্ফূর্ত ‘জয় বাংলা’ মিছিলের পর স্থানীয় প্রশাসনের এক হিতাহিতজ্ঞানশূন্য ও বিতর্কিত অভিযানের খবর পাওয়া গেছে। মিছিলের জের ধরে মূল রাজনৈতিক কর্মী বা প্রাপ্তবয়স্কদের পরিবর্তে টার্গেট করা হয়েছে সপ্তম থেকে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ১০-১২ বছর বয়সী কোমলমতি স্কুলশিক্ষার্থীদের। প্রশাসনের এমন গণগ্রেপ্তার অভিযানে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সাধারণ মানুষ, অভিভাবক এবং মানবাধিকার কর্মীরা।
বুড়ো আঙুল দেখানো হলো ‘শিশু আইন ২০১৩’ কে
দেশের প্রচলিত ‘ can-not-be-ignored’ বা স্পষ্ট ‘শিশু আইন ২০১৩’ অনুযায়ী, কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক বা শিশুকে গ্রেপ্তার করা হলে তাদের কোনোভাবেই প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের সাথে রাখা যাবে না। তাদের মনস্তাত্ত্বিক সুরক্ষার জন্য ‘সেফ হোম’ বা কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখার স্পষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা
রয়েছে। কিন্তু নোয়াখালীর এই ঘটনায় আইনকে সম্পূর্ণ তোয়াক্কা না করার অভিযোগ উঠেছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, গ্রেপ্তারকৃত এই ১০-১২ বছরের শিশুদের সেফ হোমে রাখার পরিবর্তে প্রাপ্তবয়স্ক দাগী আসামিদের কয়েদখানায় ও সাধারণ থানার গারদে বন্দি করে রাখা হয়েছে, যা দেশের প্রচলিত আইন ও আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদের চরম লঙ্ঘন। মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয় ও স্থানীয়দের ক্ষোভ হঠাৎ করে স্কুলপড়ুয়া এই শিশুদের এভাবে লক-আপে পুরে দেওয়ায় পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ”যারা এখনো ভালো-মন্দ বা রাজনীতির মারপ্যাঁচ বোঝার বয়স পার করেনি, তাদের এভাবে দাগী অপরাধীদের সাথে আটকে রাখা এক ধরনের ভয়াবহ মানসিক নির্যাতন। প্রশাসনের এই অদূরদর্শী কর্মকাণ্ড
শিশুদের ভবিষ্যৎ ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত তৈরি করবে।” তীব্র নিন্দা ও নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান সচেতন নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে প্রশাসনের এই হঠকারী ও অমানবিক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সাথে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার খড়্গ থেকে এই অবুঝ শিশুদের আড়াল করে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের উপর থেকে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
রয়েছে। কিন্তু নোয়াখালীর এই ঘটনায় আইনকে সম্পূর্ণ তোয়াক্কা না করার অভিযোগ উঠেছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, গ্রেপ্তারকৃত এই ১০-১২ বছরের শিশুদের সেফ হোমে রাখার পরিবর্তে প্রাপ্তবয়স্ক দাগী আসামিদের কয়েদখানায় ও সাধারণ থানার গারদে বন্দি করে রাখা হয়েছে, যা দেশের প্রচলিত আইন ও আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদের চরম লঙ্ঘন। মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয় ও স্থানীয়দের ক্ষোভ হঠাৎ করে স্কুলপড়ুয়া এই শিশুদের এভাবে লক-আপে পুরে দেওয়ায় পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ”যারা এখনো ভালো-মন্দ বা রাজনীতির মারপ্যাঁচ বোঝার বয়স পার করেনি, তাদের এভাবে দাগী অপরাধীদের সাথে আটকে রাখা এক ধরনের ভয়াবহ মানসিক নির্যাতন। প্রশাসনের এই অদূরদর্শী কর্মকাণ্ড
শিশুদের ভবিষ্যৎ ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত তৈরি করবে।” তীব্র নিন্দা ও নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান সচেতন নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে প্রশাসনের এই হঠকারী ও অমানবিক সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সাথে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার খড়্গ থেকে এই অবুঝ শিশুদের আড়াল করে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের উপর থেকে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানানো হচ্ছে।



