ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এবার দুইটি কার্গো জাহাজ জব্দ করল ইরান
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়নি: বাঘেই
৩৬ বছর আগে প্রতিবেশীকে পুড়িয়া হত্যা: মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি বাতিলে ইইউকে আহ্বান ৩ দেশের
আরব আমিরাতের সঙ্গে মুদ্রা বিনিময়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়াতে চান না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধের চাপ, পোপের সঙ্গে বিরোধ—ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করল আদালত, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন
পূর্ব এশিয়ার দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে। শুক্রবার দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। খবর রয়টার্স
ইউনের অপসারণের ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, ৬০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান বিচারপতি মুন হিউং-বে জানান, প্রেসিডেন্ট ইউন সোক ইয়ল সংবিধানে নির্ধারিত ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন করে দায়িত্বের বরখেলাপ করেছেন। তাঁর এই পদক্ষেপ ছিল গণতন্ত্রের ওপর গুরুতর আঘাত।
তিনি বলেন, (ইউন) জনগণের প্রতি ভয়াবহ বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। সামরিক আইন ঘোষণা করে ইউন সমাজ, অর্থনীতি এবং পররাষ্ট্রনীতিসহ সব ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিলেন।
এই রায়ের পক্ষে আটজন বিচারপতির সবাই
একমত ছিলেন বলেও জানান মুন হিউং-বে। প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের অপসারণ দাবিতে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে উপস্থিত হাজারো মানুষ আদালতের রায় ঘোষণার পর আনন্দে উল্লাসে ফেটে পড়েন। তারা স্লোগান দিতে থাকেন, আমরা জিতেছি! এই রায় দেশটির কয়েক মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার ইতি টেনে দিয়েছে। এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এই সংকটের সূচনা হয়েছিল গত ৩ ডিসেম্বর ইউন সুক ইওলের সামরিক আইন ঘোষণার মধ্য দিয়ে। তবে সামরিক আইন জারির ছয় ঘণ্টার মধ্যেই সংসদ সদস্যরা
নিরাপত্তা বাহিনীর বাধা উপেক্ষা করে পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন এবং প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন। যার পরই ইউন আইনটি প্রত্যাহার করেন। তিনি পরে বলেন, তার কখনই জরুরি সামরিক শাসন পুরোপুরি জারি করার ইচ্ছা ছিল না এবং বিষয়টির প্রভাবকে হালকাভাবে দেখিয়ে দাবি করেন এতে কেউ আহত হননি। এরপর টানা কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে প্রতিবাদ চলতে থাকে। যদিও ইউনের সামরিক আইন ঘোষণায় যে রাজনৈতিক সংকটের সূচনা হয়েছিল, আদালতের রায় তা প্রশমিত করতে পারবে কিনা—তা এখনও পরিষ্কার নয়।
একমত ছিলেন বলেও জানান মুন হিউং-বে। প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের অপসারণ দাবিতে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে উপস্থিত হাজারো মানুষ আদালতের রায় ঘোষণার পর আনন্দে উল্লাসে ফেটে পড়েন। তারা স্লোগান দিতে থাকেন, আমরা জিতেছি! এই রায় দেশটির কয়েক মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার ইতি টেনে দিয়েছে। এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এই সংকটের সূচনা হয়েছিল গত ৩ ডিসেম্বর ইউন সুক ইওলের সামরিক আইন ঘোষণার মধ্য দিয়ে। তবে সামরিক আইন জারির ছয় ঘণ্টার মধ্যেই সংসদ সদস্যরা
নিরাপত্তা বাহিনীর বাধা উপেক্ষা করে পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন এবং প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন। যার পরই ইউন আইনটি প্রত্যাহার করেন। তিনি পরে বলেন, তার কখনই জরুরি সামরিক শাসন পুরোপুরি জারি করার ইচ্ছা ছিল না এবং বিষয়টির প্রভাবকে হালকাভাবে দেখিয়ে দাবি করেন এতে কেউ আহত হননি। এরপর টানা কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে প্রতিবাদ চলতে থাকে। যদিও ইউনের সামরিক আইন ঘোষণায় যে রাজনৈতিক সংকটের সূচনা হয়েছিল, আদালতের রায় তা প্রশমিত করতে পারবে কিনা—তা এখনও পরিষ্কার নয়।



