ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
থানায় ঢুকে ৯ পুলিশ সদস্যকে প্রহার, প্রধান আসামিসহ জামায়াতের আরও দুই নেতা গ্রেপ্তার
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ওসিসহ ৯ পুলিশ সদস্যদকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামিসহ আরও দুই জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আজ ৫ই এপ্রিল, রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবির ওসি নজরুল ইসলাম।
তিনি জানান, শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের দীঘলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক ও মামলার প্রধান আসামি পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং উপজেলা জামায়াতের রোকন গোলজার রহমান (৩৪)।
এর আগে একই মামলায় পৌর জামায়াতের ২ নম্বর ওয়ার্ড সেক্রেটারি তৌহিদুল ইসলাম কানন এবং সাবেক পৌর আমির ও উপজেলা পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারি
ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫শে মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি দোকানসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে অভিযোগপত্র দিতে যুব জামায়াতের নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশসহ কয়েকজন থানায় যান। এ সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে পলাশ থানার ওসিকে শহরের কালিবাড়ী বাজারের একটি বিরোধপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাপ দেন। ওসি বিষয়টি ইউএনও ও এসিল্যান্ডের এখতিয়ারভুক্ত বলে জানালে তিনি ও তার সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং ওসির ওপর হামলা চালান। এ সময় বাধা দিতে গেলে অন্যান্য পুলিশ সদস্যদেরও মারধর করা হয়। এতে ওসি ও এক নারী কনস্টেবলসহ মোট ৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনার পরদিন পলাশকে প্রধান
আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। ডিবির ওসি নজরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে। পাশাপাশি বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫শে মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি দোকানসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে অভিযোগপত্র দিতে যুব জামায়াতের নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশসহ কয়েকজন থানায় যান। এ সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে পলাশ থানার ওসিকে শহরের কালিবাড়ী বাজারের একটি বিরোধপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাপ দেন। ওসি বিষয়টি ইউএনও ও এসিল্যান্ডের এখতিয়ারভুক্ত বলে জানালে তিনি ও তার সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং ওসির ওপর হামলা চালান। এ সময় বাধা দিতে গেলে অন্যান্য পুলিশ সদস্যদেরও মারধর করা হয়। এতে ওসি ও এক নারী কনস্টেবলসহ মোট ৯ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনার পরদিন পলাশকে প্রধান
আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। ডিবির ওসি নজরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে। পাশাপাশি বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



