ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্প-এরদোগান ফোনালাপ, কথা হলো যেসব বিষয়ে
ইউরেনিয়াম বিদেশে যাবে না, মোজতবা খামেনির নির্দেশ
ধারণার চেয়েও দ্রুত সামরিক সক্ষমতা ও ড্রোন উৎপাদন বাড়াচ্ছে ইরান
নানা কৌশলেও হরমুজ সচল করতে পারেনি আমেরিকা, দাবি ইরানের
হরমুজে জাহাজ চলাচলে নতুন শর্ত আরোপ করল ইরান
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে টিটিপি-আইএসআইএস-কে’র গোপন নেটওয়ার্ক! পেশোয়ার থেকে সতর্কতা!
ভদকা, বুলেট ট্রেন ও রান্না: যেভাবে গড়ে ওঠে শি-পুতিনের বন্ধুত্ব
তেহরানে তেল ডিপোতে ইসরায়েলি হামলা, পাল্টা হামলার হুমকি ইরানের
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সতর্ক করে বলেছেন, ‘অ্যামেরিকা ও ইসরায়েলের চাপের কাছে ইরান কখনো মাথা নত করবে না এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অ্যামেরিকার স্বার্থের ওপর আরও হামলা চালানো হতে পারে।’
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েলের নতুন বিমান হামলায় ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি তেল সংরক্ষণাগার ও জ্বালানি স্থাপনায় আগুন লাগে। হামলার পর আকাশে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সতর্ক করে বলেছেন, ‘অ্যামেরিকা ও ইসরায়েলের চাপের কাছে ইরান কখনো মাথা নত করবে না এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অ্যামেরিকার স্বার্থের ওপর আরও হামলা চালানো হতে পারে।’
বেসামরিক অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্য
যুদ্ধের নবম দিনে সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। উপসাগরীয়
দেশ বাহরাইন অভিযোগ করেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ডেসালিনেশন (সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধ করার) প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ধরনের স্থাপনা উপসাগরীয় অঞ্চলে লাখো মানুষের পানির প্রধান উৎস। এদিকে ইসরায়েলের হামলায় তেহরানের তেল ডিপো ও জ্বালানি অবকাঠামোতে আগুন লাগে। এটি চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো বড় শিল্প স্থাপনায় সরাসরি হামলার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অঞ্চলজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ছে সংঘাত এখন শুধু ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। • লেবাননে ইরানসমর্থিত হিজবুল্লাহ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। • উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। • বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং বেসামরিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত
ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, লেবাননে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং ইসরায়েলেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। অ্যামেরিকার অবস্থান অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যুদ্ধ কতদিন চলবে তা স্পষ্ট নয়, তবে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বিশ্বজুড়ে এই সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইউরোপের কয়েকটি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কাও প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান–ইসরায়েল সংঘাত দ্রুত পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক রুট ঝুঁকির মুখে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতিতেও
বড় প্রভাব পড়তে পারে।
দেশ বাহরাইন অভিযোগ করেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ডেসালিনেশন (সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধ করার) প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ধরনের স্থাপনা উপসাগরীয় অঞ্চলে লাখো মানুষের পানির প্রধান উৎস। এদিকে ইসরায়েলের হামলায় তেহরানের তেল ডিপো ও জ্বালানি অবকাঠামোতে আগুন লাগে। এটি চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো বড় শিল্প স্থাপনায় সরাসরি হামলার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অঞ্চলজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ছে সংঘাত এখন শুধু ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। • লেবাননে ইরানসমর্থিত হিজবুল্লাহ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। • উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। • বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং বেসামরিক স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত
ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, লেবাননে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং ইসরায়েলেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। অ্যামেরিকার অবস্থান অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যুদ্ধ কতদিন চলবে তা স্পষ্ট নয়, তবে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বিশ্বজুড়ে এই সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইউরোপের কয়েকটি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কাও প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান–ইসরায়েল সংঘাত দ্রুত পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক রুট ঝুঁকির মুখে পড়লে বিশ্ব অর্থনীতিতেও
বড় প্রভাব পড়তে পারে।



