ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চুক্তির চেয়েও ৫০% বেশি দামে কেনা হচ্ছে ২০ হাজার কোটি টাকার এলএনজি
ঢাকায় তিন মার্কিন এপিডেমিওলজিস্টের নীরব সফর: যার একজন ইউএস আর্মির সদস্য, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন
৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাঙার ধারাবাহিকতা: এবার ভাঙল বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্য, জানে না প্রশাসন
পৌরসভার ২ কোটি টাকা মূল্যের ৫টি গাড়ি উধাও
তিন সংসদ সদস্যসহ মঞ্চ ভেঙে নিচে পড়লেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
শাহজালাল (রহ.) মাজার ঘিরে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য, দানবাক্স খুলতেই বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
আমলাদের চাপে পিছু হটল সরকার, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা মিলবে ৫০ হাজার
ছাত্রলীগে গুপ্তবেশে ছিলেন ছাত্রদলের দুই নেতা, ‘কৌশল’ বলে স্বীকার করলেন
গুপ্ত সংগঠন শিবিরের কর্মীদের সম্পর্কে জানা যায় বিভিন্ন দলে তারা অন্তর্ঘাতমূলক মিশন পরিচালনার উদ্দেশ্যে দলীয় নির্দেশনা মোতাবেক ‘গুপ্ত’ হিসেবে অনুপ্রবেশ করেন। ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের আন্দোলন এবং ৫ই আগস্টের পর এমন অসংখ্য গুপ্ত শিবির কর্মী প্রকাশ্যে জানান দিয়ে বাহবা নিয়েছেন, তারা কীভাবে ছাত্রলীগকে পর্যুদস্ত করেছেন, ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন অপকর্ম করেছেন, ফিরিস্তিও দিয়েছেন অনেকেই।
তবে এবার খোঁজ মিলল দুই ছাত্রদল নেতারা, যারা গোপনে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করেছেন, গুপ্ত শিবিরের কায়দায় ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন; আবার ‘কৌশলের কারণে ছিলাম’ বলেও জানান দিলেন।
দীর্ঘ ৫ বছর পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৬৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৭ই জুলাই
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এ কমিটির অনুমোদন দেয়। তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই দুই যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ ও এ. এস. এম. সানোয়ার রাব্বী প্রমিসের ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। জানা যায়, তোফায়েল আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইন অনুষদ কমিটির সহ-সভাপতি এবং সানোয়ার রাব্বী প্রমিস একই কমিটির উপ-ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর ওই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ দাবি করেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগ ছিল। ক্যাম্পাস এবং হলের পরিস্থিতির কারণে কৌশলে বা পারিপার্শ্বিক কারণে তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু কর্মসূচিতে উপস্থিতি বা সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তিনি বলেন, আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, ছাত্রত্ব
চলে গেলে আমাদের জীবন অন্ধকার হয়ে যেতো। তার দাবি, জোর করে মাঝে মাঝে ছাত্রলীগ তাদেরকে প্রোগ্রামে নিয়ে যেত। তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, আমি যে ২০২২, ২০২৪ সাল বা এর আগেও ওপেন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এবং ভিডিও বার্তা দিয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি, তার সমস্ত ডকুমেন্ট আমার কাছে আছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে সানোয়ার রাব্বী দাবি করেন, ২০২২ সালের ছাত্রলীগের সেই কমিটিতে আইন অনুষদ থেকে অনেকের নাম না জানিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি বলেন, আমি কখনোই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। এমনকি আমার কোন ছবিও কেউ দেখাতে পারবে না। না জানিয়ে নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে বিভাগে বিষয়টি জানিয়েছেন বলে রাব্বী দাবি
করলেও ক্যাম্পাসের অনেক শিক্ষার্থী জানান, রাব্বী ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে অনেক সুবিধা নিয়েছে। এখন অস্বীকার করলে তো হবে না। জুলাইয়ে নিজের অবস্থান সম্পর্কে রাব্বী বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেই। জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারণেই ছাত্রদলে যোগ দিয়েছি এবং কাজ করে যাবো। এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, তারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলো। অতীতে ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের দেখা গেছে। তিনি দাবি করেন, বাধ্যতামূলক ছাত্রলীগ করতে হতো বলে অনেকের নাম না জানিয়ে কমিটিতে রাখা হয়। এসব বিষয় সংশ্লিষ্টরা যাচাই করেই তাকে দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তবে পরবর্তীতে যদি তাদের ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনো
সম্পৃক্ততার তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসব নিয়ে ক্ষোভ জানান। বাংলা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা জানতাম ছাত্রলীগের ভেতরে গুপ্ত শিবির আছে, এখন দেখছি গুপ্ত ছাত্রদলও ছিলো। তারা আদৌ ছাত্রদলের কিনা, সন্দেহ আছে। তদন্ত করলে যদি উঠে আসে, তারা আসলে শিবিরই, শিবিরের পারপাস সার্ভ করতেই ছাত্রদল সেজেছে, তারপর আবার ছাত্রলীগও- তবে অবাক হবো না। এরা মূলত ডাবল এজেন্ট।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এ কমিটির অনুমোদন দেয়। তবে কমিটি ঘোষণার পর থেকেই দুই যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ ও এ. এস. এম. সানোয়ার রাব্বী প্রমিসের ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। জানা যায়, তোফায়েল আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইন অনুষদ কমিটির সহ-সভাপতি এবং সানোয়ার রাব্বী প্রমিস একই কমিটির উপ-ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর ওই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ দাবি করেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগ ছিল। ক্যাম্পাস এবং হলের পরিস্থিতির কারণে কৌশলে বা পারিপার্শ্বিক কারণে তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু কর্মসূচিতে উপস্থিতি বা সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তিনি বলেন, আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, ছাত্রত্ব
চলে গেলে আমাদের জীবন অন্ধকার হয়ে যেতো। তার দাবি, জোর করে মাঝে মাঝে ছাত্রলীগ তাদেরকে প্রোগ্রামে নিয়ে যেত। তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, আমি যে ২০২২, ২০২৪ সাল বা এর আগেও ওপেন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এবং ভিডিও বার্তা দিয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছি, তার সমস্ত ডকুমেন্ট আমার কাছে আছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে সানোয়ার রাব্বী দাবি করেন, ২০২২ সালের ছাত্রলীগের সেই কমিটিতে আইন অনুষদ থেকে অনেকের নাম না জানিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি বলেন, আমি কখনোই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না। এমনকি আমার কোন ছবিও কেউ দেখাতে পারবে না। না জানিয়ে নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে বিভাগে বিষয়টি জানিয়েছেন বলে রাব্বী দাবি
করলেও ক্যাম্পাসের অনেক শিক্ষার্থী জানান, রাব্বী ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে অনেক সুবিধা নিয়েছে। এখন অস্বীকার করলে তো হবে না। জুলাইয়ে নিজের অবস্থান সম্পর্কে রাব্বী বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেই। জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারণেই ছাত্রদলে যোগ দিয়েছি এবং কাজ করে যাবো। এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, তারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলো। অতীতে ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও তাদের দেখা গেছে। তিনি দাবি করেন, বাধ্যতামূলক ছাত্রলীগ করতে হতো বলে অনেকের নাম না জানিয়ে কমিটিতে রাখা হয়। এসব বিষয় সংশ্লিষ্টরা যাচাই করেই তাকে দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তবে পরবর্তীতে যদি তাদের ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনো
সম্পৃক্ততার তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসব নিয়ে ক্ষোভ জানান। বাংলা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা জানতাম ছাত্রলীগের ভেতরে গুপ্ত শিবির আছে, এখন দেখছি গুপ্ত ছাত্রদলও ছিলো। তারা আদৌ ছাত্রদলের কিনা, সন্দেহ আছে। তদন্ত করলে যদি উঠে আসে, তারা আসলে শিবিরই, শিবিরের পারপাস সার্ভ করতেই ছাত্রদল সেজেছে, তারপর আবার ছাত্রলীগও- তবে অবাক হবো না। এরা মূলত ডাবল এজেন্ট।



