ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভবন ঘেরাও জনতার
চট্টগ্রামে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার আবু জাফর রোডের ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামে একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় জনতা ভবনটি ঘেরাও করে রেখেছে।
অভিযুক্ত মনিরকে আটক করে পুলিশ থানায় নিতে গেলে জনতা আসামিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। শত শত এলাকাবাসী পুলিশকে ঘেরাও করে রাখেন। মনির স্থানীয় ডেকোরেশনের কর্মী বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে- এমন তথ্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ জমায়েত হন। পরে অভিযুক্তকে ভবন থেকে বের করে আনার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যদের
পিছু হটে অবস্থান নিতে হয়। এ সময় জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার পর থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হতে থাকেন। ভবনের সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম জানান, পুলিশ আসামি নিয়ে গেলে টাকা খেয়ে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারা মামলা হালকা করে দেয়। পুলিশ ও প্রশাসন উচিত
বিচার করে না। তাই আমরা চাই আমরা নিজেরাই বিচার করি। বাকলিয়া থানার ওসি মো. সোলাইমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।
পিছু হটে অবস্থান নিতে হয়। এ সময় জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার পর থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হতে থাকেন। ভবনের সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম জানান, পুলিশ আসামি নিয়ে গেলে টাকা খেয়ে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারা মামলা হালকা করে দেয়। পুলিশ ও প্রশাসন উচিত
বিচার করে না। তাই আমরা চাই আমরা নিজেরাই বিচার করি। বাকলিয়া থানার ওসি মো. সোলাইমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।



