ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪২৪
গভীর রাতে নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় আটক যুবদল সভাপতিকে উত্তম-মধ্যম, দল থেকেও বহিষ্কার
দরিদ্র ছাত্রের বরাদ্দ সাইকেল নাতনিকে, ধরা পড়ে ফেরত জামায়াত নেতার: ছাগল-ফুটবল-সেলাই মেশিনও লোপাট
হাজারীবাগে বাথরুমের সিলিংয়ে থানা লুটের শটগান: ভাড়াটিয়াদের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ
চট্টগ্রামে প্রকাশ্য দিবালোকে পিঠে গুলি করে যুবককে হত্যা, ধোঁয়াশায় পুলিশ
১ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় পটিয়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
রণক্ষেত্র সাতকানিয়া: সশস্ত্র জামায়াত-শিবির কর্মীদের গুলিতে রক্তাক্ত আওয়ামী লীগ কর্মী, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ
চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ভবন ঘেরাও জনতার
চট্টগ্রামে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার আবু জাফর রোডের ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামে একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় জনতা ভবনটি ঘেরাও করে রেখেছে।
অভিযুক্ত মনিরকে আটক করে পুলিশ থানায় নিতে গেলে জনতা আসামিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। শত শত এলাকাবাসী পুলিশকে ঘেরাও করে রাখেন। মনির স্থানীয় ডেকোরেশনের কর্মী বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে- এমন তথ্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ জমায়েত হন। পরে অভিযুক্তকে ভবন থেকে বের করে আনার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যদের
পিছু হটে অবস্থান নিতে হয়। এ সময় জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার পর থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হতে থাকেন। ভবনের সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম জানান, পুলিশ আসামি নিয়ে গেলে টাকা খেয়ে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারা মামলা হালকা করে দেয়। পুলিশ ও প্রশাসন উচিত
বিচার করে না। তাই আমরা চাই আমরা নিজেরাই বিচার করি। বাকলিয়া থানার ওসি মো. সোলাইমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।
পিছু হটে অবস্থান নিতে হয়। এ সময় জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার পর থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হতে থাকেন। ভবনের সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম জানান, পুলিশ আসামি নিয়ে গেলে টাকা খেয়ে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারা মামলা হালকা করে দেয়। পুলিশ ও প্রশাসন উচিত
বিচার করে না। তাই আমরা চাই আমরা নিজেরাই বিচার করি। বাকলিয়া থানার ওসি মো. সোলাইমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।



