ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
‘গরমে চলতি পারছি নে, তাও কষ্ট কইরে বের হইচি’
কয়েকদিন ধরেই চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে ভ্যাপসা গরমে দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। টানা দুই দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এ জেলায়।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো জামিনুর রহমান বলেন, শনিবার বিকেল ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ২৬ শতাংশ। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে সকাল থেকে চোখ রাঙ্গাতে শুরু করে সূর্য। তীব্র তাপ আর ভ্যাপসা গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে। তীব্র গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না
স্বস্তি। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। ব্যাটারিচালিত পাখি ভ্যানচালক আবুল হোসেন বলেন, ‘গরমে চলতি পারছি নে, তাও কষ্ট কইরে বের হইচি। ভারাভুতো নেই, চলবো কি করে এই রোদ-গরমে। বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেশি। খাবো কি? যা ইনকাম হচ্ছে তা দিয়ে চাল-ডাল কেনা যাচ্ছে না।’ সিএনজিচালক কেরামত আলী বলেন, ‘গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হলে মনে হচ্ছে কড়ার ওপর বসে আছি। বাসস্ট্যান্ডে এসে বরফ, তালের রস, তরমুজ, খেয়ে ঠাণ্ডা হয়ে বসে আছি। এই প্রখর রোদে রাস্তায় লোকজন নেই, তাই ভাড়া মারতি পারছি নে।’ কৃষক আতিয়ার রহমান বলেন, ‘ভোরবেলা থেকে ভুট্টার জমিতে কাজ করছিলাম। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য চোখ রাঙিয়ে
উঠছে। গরমে হাঁপিয়ে উঠেছি। তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।’ শরবত বিক্রেতা নওশাদ আলী বলেন, ‘গরমে বিক্রি বেড়েছে। শরীর ঠাণ্ডা করতে লেবু শরবত খেয়ে তৃষ্ণা মিটাচ্ছেন পথচারী ও যানবাহন চালকেরা।
স্বস্তি। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ। ব্যাটারিচালিত পাখি ভ্যানচালক আবুল হোসেন বলেন, ‘গরমে চলতি পারছি নে, তাও কষ্ট কইরে বের হইচি। ভারাভুতো নেই, চলবো কি করে এই রোদ-গরমে। বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেশি। খাবো কি? যা ইনকাম হচ্ছে তা দিয়ে চাল-ডাল কেনা যাচ্ছে না।’ সিএনজিচালক কেরামত আলী বলেন, ‘গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হলে মনে হচ্ছে কড়ার ওপর বসে আছি। বাসস্ট্যান্ডে এসে বরফ, তালের রস, তরমুজ, খেয়ে ঠাণ্ডা হয়ে বসে আছি। এই প্রখর রোদে রাস্তায় লোকজন নেই, তাই ভাড়া মারতি পারছি নে।’ কৃষক আতিয়ার রহমান বলেন, ‘ভোরবেলা থেকে ভুট্টার জমিতে কাজ করছিলাম। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য চোখ রাঙিয়ে
উঠছে। গরমে হাঁপিয়ে উঠেছি। তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।’ শরবত বিক্রেতা নওশাদ আলী বলেন, ‘গরমে বিক্রি বেড়েছে। শরীর ঠাণ্ডা করতে লেবু শরবত খেয়ে তৃষ্ণা মিটাচ্ছেন পথচারী ও যানবাহন চালকেরা।



