ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা
ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়
বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী
বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স-২০২৬ কি আদৌ মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদ মাধ্যমের পক্ষে?
‘সক্ষমতা বাড়াতে’ দরপত্র ছাড়াই র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন
গণভোট ও সংবিধান সংশোধনের নামে আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে ২৩০০ কোটি টাকা লুটপাট ও অর্থপাচারের অভিযোগ
গণভোট ও সংবিধান সংশোধনের নামে মোট ২,৩০০ কোটি টাকা লুটপাটের গুরুতর অভিযোগ।
গণভোট আয়োজনের নামে রাষ্ট্রের ৩০০ কোটি টাকা লোকসান করেছেন আলী রীয়াজ।
সংবিধান সংশোধনের নামে আরেক আমেরিকান নাগরিক মনির হায়দারকে নিয়ে সরকারের আরও ২,০০০ কোটি টাকা অপচয়।
আলী রীয়াজ ও তার সহযোগী মনির হায়দারের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং বা অর্থপাচারের অভিযোগ।
সংবাদ প্রতিবেদন:
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়কার নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে সম্প্রতি গুরুতর সব অভিযোগ সামনে এসেছে। এর মধ্যে অন্যতম সমালোচিত ব্যক্তি হিসেবে নাম উঠে এসেছে আমেরিকান নাগরিক আলী রীয়াজের। তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার এবং রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় ও লুটপাটের অভিযোগ তোলা হয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগ অনুসারে, আলী রীয়াজ গণভোট আয়োজনের নামে রাষ্ট্রের ৩০০ (তিনশত)
কোটি টাকা লোকসান করেছেন। এছাড়া সংবিধান সংশোধনের নামে তিনি আরেক আমেরিকান নাগরিক মনির হায়দারকে নিয়ে সরকারের আরও ২,০০০ (দুই হাজার) কোটি টাকা নষ্ট করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গণভোট ও সংবিধান সংশোধনের নামে রাষ্ট্রের মোট ২,৩০০ (দুই হাজার তিনশত) কোটি টাকা লুটপাট করেছেন আলী রীয়াজ। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের এই বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয়কারী আলী রীয়াজ এবং তার সহযোগী মনির হায়দার—এই দুজনের বিরুদ্ধেই মানি লন্ডারিং বা অর্থপাচারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কীভাবে এবং কোথায় পাচার হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
কোটি টাকা লোকসান করেছেন। এছাড়া সংবিধান সংশোধনের নামে তিনি আরেক আমেরিকান নাগরিক মনির হায়দারকে নিয়ে সরকারের আরও ২,০০০ (দুই হাজার) কোটি টাকা নষ্ট করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গণভোট ও সংবিধান সংশোধনের নামে রাষ্ট্রের মোট ২,৩০০ (দুই হাজার তিনশত) কোটি টাকা লুটপাট করেছেন আলী রীয়াজ। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের এই বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয়কারী আলী রীয়াজ এবং তার সহযোগী মনির হায়দার—এই দুজনের বিরুদ্ধেই মানি লন্ডারিং বা অর্থপাচারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কীভাবে এবং কোথায় পাচার হয়েছে, তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।



