ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ফসলহানির শঙ্কা
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর
বিমানবন্দরের রানওয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে
যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
ক্ষমতার দাবার চালে অসুস্থ খালেদা জিয়া: মানবিকতার চেয়ে যখন রাজনৈতিক স্বার্থই মুখ্য!
ষ্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা:
চিকিৎসকদের কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং জীবনশঙ্কার তোয়াক্কা না করে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে বেগম খালেদা জিয়াকে উপস্থিত করানোর বিষয়টি নিয়ে জনমনে এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসকরা স্পষ্টভাবেই জানিয়েছিলেন, এই মুহূর্তে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা জনসমাগমে যাওয়ার অনুকূলে নয়। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ও সেনাবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে একপ্রকার জোরপূর্বকই তাকে সেই অনুষ্ঠানে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকদের আপত্তি সত্ত্বেও সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয় যে, এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার ভাষণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন। মূলত এই আবেগকে পুঁজি করেই বিএনপি চেয়ারপারসনকে
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করা হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিজেদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং বিএনপি তাদের পাশে আছে—এমন একটি কৃত্রিম বার্তা দেশবাসীকে দিতেই সরকার এই ‘নির্মম নাটক’ সাজিয়েছে। অনুষ্ঠানের দৃশ্যপট ছিল আরও বেদনাদায়ক। একদিকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, আর অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে শোভা পাচ্ছে ড. ইউনূসের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি এবং তাকে ঘিরে সৃষ্ট শঙ্কার মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার এমন প্রাণোচ্ছল ছবি প্রকাশকে ‘চরম অমানবিক’ ও ‘কুরুচিপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা সংকটে ভুগছে। তাই সেনাবাহিনীর সাথে
সুসম্পর্ক এবং বিএনপির সমর্থন—উভয়টি নিশ্চিত করতে তারা বেগম জিয়ার অসুস্থতাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। বিশেষ করে, ড. ইউনূসের হাস্যোজ্জ্বল ছবি প্রকাশকে অনেকে তার ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপতি হওয়ার সুপ্ত বাসনারই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ক্ষমতার এই সমীকরণে একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন এখন সব মহলে। মানবিকতার মুখোশ পরে অন্তর্বর্তী সরকার যে নিষ্ঠুর রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতে চাইছে, সেনাকুঞ্জের এই ঘটনা তারই এক জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে রইল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করা হয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিজেদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং বিএনপি তাদের পাশে আছে—এমন একটি কৃত্রিম বার্তা দেশবাসীকে দিতেই সরকার এই ‘নির্মম নাটক’ সাজিয়েছে। অনুষ্ঠানের দৃশ্যপট ছিল আরও বেদনাদায়ক। একদিকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, আর অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে শোভা পাচ্ছে ড. ইউনূসের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি এবং তাকে ঘিরে সৃষ্ট শঙ্কার মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার এমন প্রাণোচ্ছল ছবি প্রকাশকে ‘চরম অমানবিক’ ও ‘কুরুচিপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা সংকটে ভুগছে। তাই সেনাবাহিনীর সাথে
সুসম্পর্ক এবং বিএনপির সমর্থন—উভয়টি নিশ্চিত করতে তারা বেগম জিয়ার অসুস্থতাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। বিশেষ করে, ড. ইউনূসের হাস্যোজ্জ্বল ছবি প্রকাশকে অনেকে তার ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপতি হওয়ার সুপ্ত বাসনারই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ক্ষমতার এই সমীকরণে একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন এখন সব মহলে। মানবিকতার মুখোশ পরে অন্তর্বর্তী সরকার যে নিষ্ঠুর রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতে চাইছে, সেনাকুঞ্জের এই ঘটনা তারই এক জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে রইল।



