ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হামে প্রাণ গেল আরও ৬ জনের, মৃত্যু ছাড়াল ৮০০
আরও ৪ শিশুর প্রাণ গেল, হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৮০০ ছুঁই ছুঁই
২৪ ঘণ্টায় হামে প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর, ৮ শত ছুঁইছুঁই
হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
বন্ধ হয়নি হামে শিশু মৃত্যু, সংখ্যা ছাড়াল ৭৫০
ক্যান্সার চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ কী?
বাংলাদেশে ক্যান্সার চিকিৎসার কথা উঠলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে অত্যাধুনিক রেডিওথেরাপি মেশিন, পিইটি-সিটি, এমআরআই, রোবোটিক সার্জারি কিংবা নতুন নতুন ক্যান্সারের ওষুধ। আমরা ধরে নিই, যত বেশি আধুনিক যন্ত্র হবে, ক্যান্সার চিকিৎসা তত উন্নত হবে। কথাটি আংশিক সত্য। কিন্তু পুরো সত্য নয়।
একটি প্রশ্ন আমরা খুব কমই করি। এই যন্ত্রগুলো পরিচালনা করবেন কারা?
একটি লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর কোটি কোটি টাকা দিয়ে কেনা যায়। কিন্তু একজন দক্ষ রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট, মেডিকেল ফিজিসিস্ট, রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট কিংবা অনকোলজি নার্স তৈরি করতে বছরের পর বছর প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা এবং ধারাবাহিক শিক্ষা প্রয়োজন। অর্থাৎ যন্ত্র কেনা তুলনামূলকভাবে সহজ, কিন্তু দক্ষ মানুষ তৈরি করা অনেক কঠিন।
এ কারণেই আজ বিশ্বজুড়ে ক্যান্সার চিকিৎসার সবচেয়ে
বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ‘অনকোলজি ওয়ার্কফোর্স’, অর্থাৎ ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল। ক্যান্সার চিকিৎসা কখনো একজন মানুষের কাজ নয়। অনেকেই মনে করেন, একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞই সব চিকিৎসা করেন। বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার সঙ্গে জড়িয়ে থাকেন সার্জন, মেডিকেল অনকোলজিস্ট, রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট, প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট, মেডিকেল ফিজিসিস্ট, অনকোলজি নার্স, রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট, পুষ্টিবিদ, মনোবিজ্ঞানী, প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞসহ আরও অনেক পেশাজীবী। এই দলটির একটি সদস্যও অনুপস্থিত থাকলে পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর তার প্রভাব পড়ে। তাই ক্যান্সার চিকিৎসা আসলে একজন চিকিৎসকের নয়, একটি সমন্বিত দলের কাজ। বাংলাদেশের বাস্তবতা কী? গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ক্যান্সার চিকিৎসার অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই আধুনিক ক্যান্সার
সেন্টার গড়ে উঠেছে। উন্নত রেডিওথেরাপি প্রযুক্তি, আধুনিক কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং ইমিউনোথেরাপির সুযোগও বেড়েছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। এই উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কি দক্ষ জনবলও বেড়েছে? বাস্তবতা হলো, দেশের অনেক হাসপাতালে একজন অনকোলজিস্টকে প্রতিদিন অস্বাভাবিক সংখ্যক রোগী দেখতে হয়। কোথাও প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল ফিজিসিস্ট নেই, কোথাও প্রশিক্ষিত অনকোলজি নার্সের অভাব, কোথাও আবার রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্টের সংকট। ফলে যন্ত্র থাকলেও তার পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করা যায় না। এর ক্ষতি কার? সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হন রোগী। দক্ষ জনবল কম থাকলে রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়, চিকিৎসা শুরু করতে সময় লাগে, অপেক্ষার তালিকা দীর্ঘ হয় এবং চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সময়ই
সবচেয়ে বড় বিষয়। কয়েক সপ্তাহের বিলম্বও অনেক সময় রোগের চিকিৎসার সুযোগকে সীমিত করে দিতে পারে। অর্থাৎ জনবল সংকট শুধু প্রশাসনিক সমস্যা নয়, এটি রোগীর জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বাস্তবতা। বিশ্ব কী করছে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনকোলজি সংগঠন এখন ক্যান্সার মোকাবিলায় জনবল উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলো নিয়মিতভাবে হিসাব করে আগামী ১০ থেকে ২০ বছরে কতজন অনকোলজিস্ট, নার্স, মেডিকেল ফিজিসিস্ট বা টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন হবে। সেই অনুযায়ী প্রশিক্ষণ, নিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়। অর্থাৎ তারা শুধু হাসপাতাল নির্মাণ করে না; হাসপাতাল চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় মানুষও তৈরি করে। বাংলাদেশের কী করা
উচিত? বাংলাদেশেরও এখন একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় অনকোলজি জনবল পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমাদের জানতে হবে, আগামী ২০ বছরে কতজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, কতজন অনকোলজি নার্স, কতজন মেডিকেল ফিজিসিস্ট, কতজন রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন হবে। এরপর সেই লক্ষ্য অনুযায়ী প্রশিক্ষণের আসন বাড়াতে হবে, বিভাগীয় শহরে ক্যান্সার সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে এবং গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে দক্ষ জনবল ধরে রাখার জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি। প্রযুক্তি কি সমাধান? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ইতোমধ্যে ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। রোগ নির্ণয়, রেডিওথেরাপি পরিকল্পনা, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী ব্যবস্থাপনায় এআই চিকিৎসকদের সহায়তা করতে পারে। কিন্তু এআই কখনো চিকিৎসকের বিকল্প নয়। বরং এআই-এর
সর্বোচ্চ সুবিধা তখনই পাওয়া যাবে, যখন সেটি পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল থাকবে। বিনিয়োগ, না ব্যয়? স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগকে আমরা অনেক সময় ব্যয় হিসেবে দেখি। কিন্তু ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে দক্ষ জনবলে বিনিয়োগ আসলে দেশের অর্থনীতির জন্যও লাভজনক। দক্ষ জনবল মানে দ্রুত রোগ নির্ণয়, সময়মতো চিকিৎসা, কম জটিলতা, কম চিকিৎসা ব্যয়, কর্মক্ষম মানুষের উৎপাদনশীলতা বজায় থাকা এবং বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার প্রবণতা কমে যাওয়া। অর্থাৎ এটি শুধু স্বাস্থ্য খাতের নয়, জাতীয় উন্নয়নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। এখনই সময় বাংলাদেশ ক্যান্সার চিকিৎসায় অনেক দূর এগিয়েছে। কিন্তু সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। রোগীর সংখ্যা বাড়বে, চিকিৎসার জটিলতা বাড়বে, নতুন প্রযুক্তি আসবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ জনবল তৈরি
না করতে পারলে শুধু আধুনিক যন্ত্র দিয়ে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। আজ আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একটি বাস্তবসম্মত জাতীয় পরিকল্পনা, যেখানে অবকাঠামো ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সমান গুরুত্ব পাবে দেশের জনবল। কারণ একটি আধুনিক হাসপাতাল ভবন দিয়ে তৈরি হয়, কিন্তু একটি আধুনিক ক্যান্সারসেবা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে দক্ষ জনবল দিয়ে। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ তাই শুধু যন্ত্রে নয়, মানুষে। ডা. আরমান রেজা চৌধুরী ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা।
বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ‘অনকোলজি ওয়ার্কফোর্স’, অর্থাৎ ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল। ক্যান্সার চিকিৎসা কখনো একজন মানুষের কাজ নয়। অনেকেই মনে করেন, একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞই সব চিকিৎসা করেন। বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার সঙ্গে জড়িয়ে থাকেন সার্জন, মেডিকেল অনকোলজিস্ট, রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট, প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজিস্ট, মেডিকেল ফিজিসিস্ট, অনকোলজি নার্স, রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট, পুষ্টিবিদ, মনোবিজ্ঞানী, প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিশেষজ্ঞসহ আরও অনেক পেশাজীবী। এই দলটির একটি সদস্যও অনুপস্থিত থাকলে পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর তার প্রভাব পড়ে। তাই ক্যান্সার চিকিৎসা আসলে একজন চিকিৎসকের নয়, একটি সমন্বিত দলের কাজ। বাংলাদেশের বাস্তবতা কী? গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ক্যান্সার চিকিৎসার অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই আধুনিক ক্যান্সার
সেন্টার গড়ে উঠেছে। উন্নত রেডিওথেরাপি প্রযুক্তি, আধুনিক কেমোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং ইমিউনোথেরাপির সুযোগও বেড়েছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। এই উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কি দক্ষ জনবলও বেড়েছে? বাস্তবতা হলো, দেশের অনেক হাসপাতালে একজন অনকোলজিস্টকে প্রতিদিন অস্বাভাবিক সংখ্যক রোগী দেখতে হয়। কোথাও প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল ফিজিসিস্ট নেই, কোথাও প্রশিক্ষিত অনকোলজি নার্সের অভাব, কোথাও আবার রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্টের সংকট। ফলে যন্ত্র থাকলেও তার পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করা যায় না। এর ক্ষতি কার? সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হন রোগী। দক্ষ জনবল কম থাকলে রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়, চিকিৎসা শুরু করতে সময় লাগে, অপেক্ষার তালিকা দীর্ঘ হয় এবং চিকিৎসকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সময়ই
সবচেয়ে বড় বিষয়। কয়েক সপ্তাহের বিলম্বও অনেক সময় রোগের চিকিৎসার সুযোগকে সীমিত করে দিতে পারে। অর্থাৎ জনবল সংকট শুধু প্রশাসনিক সমস্যা নয়, এটি রোগীর জীবন ও মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বাস্তবতা। বিশ্ব কী করছে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনকোলজি সংগঠন এখন ক্যান্সার মোকাবিলায় জনবল উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলো নিয়মিতভাবে হিসাব করে আগামী ১০ থেকে ২০ বছরে কতজন অনকোলজিস্ট, নার্স, মেডিকেল ফিজিসিস্ট বা টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন হবে। সেই অনুযায়ী প্রশিক্ষণ, নিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়। অর্থাৎ তারা শুধু হাসপাতাল নির্মাণ করে না; হাসপাতাল চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় মানুষও তৈরি করে। বাংলাদেশের কী করা
উচিত? বাংলাদেশেরও এখন একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় অনকোলজি জনবল পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমাদের জানতে হবে, আগামী ২০ বছরে কতজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, কতজন অনকোলজি নার্স, কতজন মেডিকেল ফিজিসিস্ট, কতজন রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন হবে। এরপর সেই লক্ষ্য অনুযায়ী প্রশিক্ষণের আসন বাড়াতে হবে, বিভাগীয় শহরে ক্যান্সার সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে এবং গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে দক্ষ জনবল ধরে রাখার জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি। প্রযুক্তি কি সমাধান? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ইতোমধ্যে ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। রোগ নির্ণয়, রেডিওথেরাপি পরিকল্পনা, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী ব্যবস্থাপনায় এআই চিকিৎসকদের সহায়তা করতে পারে। কিন্তু এআই কখনো চিকিৎসকের বিকল্প নয়। বরং এআই-এর
সর্বোচ্চ সুবিধা তখনই পাওয়া যাবে, যখন সেটি পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল থাকবে। বিনিয়োগ, না ব্যয়? স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগকে আমরা অনেক সময় ব্যয় হিসেবে দেখি। কিন্তু ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে দক্ষ জনবলে বিনিয়োগ আসলে দেশের অর্থনীতির জন্যও লাভজনক। দক্ষ জনবল মানে দ্রুত রোগ নির্ণয়, সময়মতো চিকিৎসা, কম জটিলতা, কম চিকিৎসা ব্যয়, কর্মক্ষম মানুষের উৎপাদনশীলতা বজায় থাকা এবং বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার প্রবণতা কমে যাওয়া। অর্থাৎ এটি শুধু স্বাস্থ্য খাতের নয়, জাতীয় উন্নয়নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। এখনই সময় বাংলাদেশ ক্যান্সার চিকিৎসায় অনেক দূর এগিয়েছে। কিন্তু সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। রোগীর সংখ্যা বাড়বে, চিকিৎসার জটিলতা বাড়বে, নতুন প্রযুক্তি আসবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ জনবল তৈরি
না করতে পারলে শুধু আধুনিক যন্ত্র দিয়ে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। আজ আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একটি বাস্তবসম্মত জাতীয় পরিকল্পনা, যেখানে অবকাঠামো ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সমান গুরুত্ব পাবে দেশের জনবল। কারণ একটি আধুনিক হাসপাতাল ভবন দিয়ে তৈরি হয়, কিন্তু একটি আধুনিক ক্যান্সারসেবা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে দক্ষ জনবল দিয়ে। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ তাই শুধু যন্ত্রে নয়, মানুষে। ডা. আরমান রেজা চৌধুরী ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা।



