কারাগারে থাকলেও ভাতিজির বিয়ে যেন আটকে না থাকে: আইনজীবীকে ইনু – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

কারাগারে থাকলেও ভাতিজির বিয়ে যেন আটকে না থাকে: আইনজীবীকে ইনু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ |
আদালতে এসে সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু আইনজীবীকে বলেন, তিনি কারাগারে থাকলেও তার ভাতিজির বিয়ে যেন আটকে না থাকে। সোমবার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গুলিতে আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী হত্যায় মিরপুর মডেল থানার মামলায় হাসানুল হক ইনু ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে ফের ৩ দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত। এদিন সকাল ১০টার দিকে ঢাকার মহানগর হাকিম জিএম ফারহান ইশতিয়াকের আদালতে তুলা হয় ক্ষমতাশালী এই দুই শরিক দলের নেতাদের। কাঠগড়ায় আসার পরই ইনু আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। তখন আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিমকে ইনু বলেন, ‘আমি কারাগারে আছি। আমার ভাতিজির বিয়ে যেন আটকে না থাকে। আগামীকাল বিয়ের অনুষ্ঠান

হওয়ার কথা। তাদেরকে বলে দিও, আমি কারাগারে থাকলেও বিয়ের অনুষ্ঠান যেন করে ফেলে। শুভ কাজে দেরি করার দরকার নেই।’ এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইনু ও মেননের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এরপর শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে সরকারি কৌসুলি (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, সরকারি কৌসুলি (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ছাত্র আন্দোলনে গণভবনে একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধসহ গুলি করার নির্দেশ প্রদান করা হয়। সেখানে তারা ছিলেন এবং সম্মতি দেন তাদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাহলে আরও তথ্য বের হবে। তার আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ইনু ছয় বার এমপি ছিলেন। উনি বয়স্ক লোক, উনার চিকিৎসা করা প্রয়োজন। উনি ৫০টির

বেশি মামলার আসামি। জাসদ থেকে দলীয় সিদ্ধান্ত হয় গভমেন্টে যে ৩০ শতাংশ বা ৫৬ শতাংশ কোটা আছে সেটা যৌক্তিক নয়। তাকে একমাত্র রাজনৈতিক কারণে আটক করা হয়েছে। উনি একজন ক্যারিশমাটিক লোক। দশজন ফুটবলারের মধ্যে একজন। পাকিস্তান আমলে দুই নম্বর গোল রক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর উত্তরে পিপি ফারুকী বলেন, ২০ হাজারের মতো লোক বিভিন্নভাবে গুলি করে হত্যা ও আহত করা হয়েছে। লাখ লাখ মিথ্যা মামলা মানুষকে দেয়া হয়েছে। তিনটা নির্বাচন প্রহসন করে করেছে। ডামি নির্বাচন করেছে। তারা মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণ করে একটি পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের পাপের স্টেশন হিসেবে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছে। বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে হাসিনাকে প্রতিদিন খুশি করে রাখা, তোষামোদ

করেছে। আপনারা দেখেছেন আজকে জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনের সময় ছাত্রদের উপরে কিভাবে গুলি করে হাজার হাজার মানুষকে পঙ্গু করা হয়েছে। গুলি করে যখন শিশু বাচ্চাদের পাখির মতো গুলি করে মারা হয়। একটা ভ্যান গাড়িতে বাচ্চাদের লাশ স্তূপ করে পেট্রোল লাগিয়া আগুন লাগিয়ে দেয়। একজন পুলিশ কর্মকর্তা তার বাচ্চাকে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে খুঁজে পায়না। এভাবে বাংলাদেশকে একটা লাশের শহর বা দেশ বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। তখন শেখ হাসিনাকে এমন হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে অভয় দেয়া হয়। এরা দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নেমেছে। জনগণের কাছে এদের আর খাওয়ানো যাবে না। এদের চরিত্র ও মনোভাব সবাই বুঝে গেছে। একইদিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে যায়, বাংলাদেশের চিফ

জাস্টিস পালিয়ে যায়, বায়তুল মোকাররমের ইমাম পালিয়ে যায়, এখন ঢাকা বারের পিপিও পালিয়ে যায়, ৩০০ এমপি পালিয়ে যায়। এমন বাংলাদেশ তারা তৈরি করেছিল। স্বৈরাচার এরশাদ তো পালিয়ে যায় নাই কিন্তু এরা দেশ থেকে পালিয়ে চলে গেছে। এদের বিচার এদেশের মাটিতে হবে এরা এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত। পরে আদালত ৩ দিন রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ইউটিউবে আসছে দৃষ্টিনন্দন ফিচার মেসিকে নিয়েই কেপ ভার্দের বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪২৪ ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়াল ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকায় ‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য শেখ হাসিনা সরকারের স্থাপিত ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় প্রথম বছরেই মুনাফা ২৩৩ কোটি টাকা সরকারের দাবি ‘ছাড় দেওয়া হয়েছে’, কিন্তু বাজারে কমেনি নিত্যপণ্যের দাম: ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষের প্রাণ লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে শেষ হলো রপ্তানির বছর রোনালদো ও রামোসের গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল “জুলাই আন্দোলন পরিকল্পিত ডিজাইন ছিল, যেখানে স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে”— বিএনপির সাংসদ নিলোফার চৌধুরী মনি “প্রতিটি ফোঁটা রক্তের হিসেব নিতে হবে, সেইভাবে প্রস্তুত হও”— নিপীড়িত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা গ্যাসের অভাবে বন্ধ ৫৫০ কারখানা, ঝুলে আছে নতুন ১৮০০ আবেদন রাঙামাটিতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গণ অধিকার পরিষদের জেলা সহসভাপতি গ্রেপ্তার মাদক সিন্ডিকেটের হোতাকে ছাড়াতে থানায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা জাবিতে গোপনে ছাত্রীদের ছবি তুলতে গিয়ে ধৃত যুবদল নেতা মুচলেকায় মুক্ত, গাড়ি থেকে উদ্ধার মাদক গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল: ২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ঝুঁকিতে আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে: কিছু জরুরি তথ্য ‘দেশে এখন পক্ষ দুটি- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অথবা বিপক্ষে’, অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান মিথিলা ফারজানার ‘মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, গাজীপুরে শেখ হাসিনার আইন চলবে’