ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ফসলহানির শঙ্কা
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর
বিমানবন্দরের রানওয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে
যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
একুশে ফেব্রুয়ারি-সরস্বতী পূজার ছুটি বাতিল, সরকারের সিদ্ধান্তে তীব্র বিতর্ক
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহিদ দিবস একুশে ফেব্রুয়ারির রাষ্ট্রীয় ছুটি বাতিল করে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। একই সঙ্গে মে দিবস ও সরস্বতী পূজার ছুটিও বাদ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে নেক্কারজনক নজির স্থাপন করেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে রাষ্ট্রীয় ছুটি বাতিলকে তারা জাতীয় চেতনার অবমাননা হিসেবে দেখছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত তালিকায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট ছুটি থাকবে ৬৪ দিন। যা ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের তুলনায়
১২ দিন কম। জাতীয় দিবস ও ধর্মীয় উৎসবের একাধিক ছুটি তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শনের জন্য বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না। সংবর্ধনা বা পরিদর্শনের নামে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রাখা যাবে না। সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ছুটির তালিকা অনুযায়ী, একুশে ফেব্রুয়ারি, মে দিবস, শবে মিরাজ, সরস্বতী পূজা, বুদ্ধ পূর্ণিমা, আশুরা, জন্মাষ্টমী, মধু পূর্ণিমা ও মহালয়ার দিনেও বিদ্যালয় খোলা থাকবে। এতে জাতীয় চেতনা ও ধর্মীয় আবেগে আঘাত এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী এ সিদ্ধান্তকে ‘তুঘলকি কাণ্ড’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন,
অন্তর্বর্তী সরকারের জনগণের ম্যান্ডেট নেই। তাদের কাজ কেবল একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা। ইতিহাস ও ঐতিহ্য ওলট-পালট করার অধিকার তাদের নেই। রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটিও কমানো হয়েছে নতুন তালিকায়। ২০২৬ সালে রমজানের ছুটি শুরু হবে ৮ মার্চ থেকে। সম্ভাব্য রোজা শুরুর আগের সময়েও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে হবে। ফলে রমজান মাসের বেশির ভাগ সময় স্কুল খোলা থাকবে। ২০২৫ সালে যেখানে রমজান, স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ মিলিয়ে ২৮ দিন ছুটি ছিল, সেখানে ২০২৬ সালে তা কমিয়ে ১৯ দিন করা হয়েছে। ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিও কমানো হয়েছে তিন দিন। শীতকালীন ছুটি থেকেও এক দিন বাদ দেওয়া হয়েছে।
১২ দিন কম। জাতীয় দিবস ও ধর্মীয় উৎসবের একাধিক ছুটি তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শনের জন্য বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না। সংবর্ধনা বা পরিদর্শনের নামে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রাখা যাবে না। সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ছুটির তালিকা অনুযায়ী, একুশে ফেব্রুয়ারি, মে দিবস, শবে মিরাজ, সরস্বতী পূজা, বুদ্ধ পূর্ণিমা, আশুরা, জন্মাষ্টমী, মধু পূর্ণিমা ও মহালয়ার দিনেও বিদ্যালয় খোলা থাকবে। এতে জাতীয় চেতনা ও ধর্মীয় আবেগে আঘাত এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী এ সিদ্ধান্তকে ‘তুঘলকি কাণ্ড’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন,
অন্তর্বর্তী সরকারের জনগণের ম্যান্ডেট নেই। তাদের কাজ কেবল একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা। ইতিহাস ও ঐতিহ্য ওলট-পালট করার অধিকার তাদের নেই। রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটিও কমানো হয়েছে নতুন তালিকায়। ২০২৬ সালে রমজানের ছুটি শুরু হবে ৮ মার্চ থেকে। সম্ভাব্য রোজা শুরুর আগের সময়েও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে হবে। ফলে রমজান মাসের বেশির ভাগ সময় স্কুল খোলা থাকবে। ২০২৫ সালে যেখানে রমজান, স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ মিলিয়ে ২৮ দিন ছুটি ছিল, সেখানে ২০২৬ সালে তা কমিয়ে ১৯ দিন করা হয়েছে। ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিও কমানো হয়েছে তিন দিন। শীতকালীন ছুটি থেকেও এক দিন বাদ দেওয়া হয়েছে।



