ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিরতিতে আনচেলত্তির যে বার্তাতে বদলে যায় ব্রাজিল, জানালেন ক্যাসেমিরো
মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ
মার্তিনেল্লির গোলে রোমাঞ্চকর জয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
পাঁচ কারণে জাপানকে হারানো কঠিন হবে ব্রাজিলের জন্য
টেকনিক নয়, টাইব্রেকারের ‘লটারি’ জিততে একটি দর্শনে বিশ্বাসী আনচেলত্তি
নেইমারকে নিয়ে রোনালদো— ‘যারা তাকে বিশ্বাস করেনি, তাদের মুখ বন্ধ করার সুযোগ এটা’
জাপান ম্যাচে ব্রাজিলিয়ানদের ‘মন বসছে না অফিসের টেবিলে’
একটি ছাড়া সবই ১৪০ কিমি গতির বল করেছেন নাহিদ রানা
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে ৩২ রানে ৫ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে ছয় উইকেটের বড় জয়ে নেতৃত্ব দেন পেসার নাহিদ রানা। আরেকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে, পুরো স্পেলে তিনি ধারাবাহিকভাবে ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করেন। শুধুমাত্র একবার নিক কেলিকে দেওয়া একটি ধীরগতির ডেলিভারি ছিল ১১২ কিমি প্রতি ঘণ্টা।
বাংলাদেশের আবহাওয়া বর্তমানে তীব্র গরম হলেও গতির ঝড় অব্যাহত রাখেন নাহিদ। ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় নিজের গতির রহস্য জানিয়েছেন নাহিদ; সেটি হচ্ছে উন্নত ফিটনেস।
ম্যাচ শেষে নাহিদ বলেন, ‘প্রথমেই আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে ফিট রেখেছেন। ফিটনেস নিয়ে আমি অনুশীলনের বাইরে ও অনুশীলনের সময় কাজ করি। ট্রেইনারদের সঙ্গে আলোচনা করি কীভাবে আরও
উন্নতি করা যায়, যেন ম্যাচে বল করতে গিয়ে ক্লান্ত না হই। অফ টাইমে জিম, দৌড় ও নিজেকে ঠিক রাখার চেষ্টা করি।’ দলের জন্য অবদান রাখাকেই নিজের মূল লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় চেষ্টা করি এমনভাবে পারফর্ম করতে যাতে দলের উপকার হয়। একটি স্পেল বা একটি ওভার; যেকোনো কিছুই ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারে। উইকেটের চেয়ে দলের জয়ে অবদান রাখতে পারাটাই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ নিজের উন্নত ইয়র্কার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রানা বলেন, ‘সময় সঙ্গে সঙ্গে আমি স্কিল উন্নত করার চেষ্টা করছি। কোচদের সঙ্গে কাজ করছি এবং অনুশীলনে ইয়র্কার নিখুঁতভাবে করতে পারলে ম্যাচেও প্রয়োগ করি।’ ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে চলমান আলোচনা
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইনজুরি আগে থেকে জানিয়ে আসে না। তবে বিসিবির ফিজিও ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট টিম আমাদের ম্যাচ সংখ্যা ও ফিটনেস নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে।’
উন্নতি করা যায়, যেন ম্যাচে বল করতে গিয়ে ক্লান্ত না হই। অফ টাইমে জিম, দৌড় ও নিজেকে ঠিক রাখার চেষ্টা করি।’ দলের জন্য অবদান রাখাকেই নিজের মূল লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় চেষ্টা করি এমনভাবে পারফর্ম করতে যাতে দলের উপকার হয়। একটি স্পেল বা একটি ওভার; যেকোনো কিছুই ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারে। উইকেটের চেয়ে দলের জয়ে অবদান রাখতে পারাটাই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ নিজের উন্নত ইয়র্কার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রানা বলেন, ‘সময় সঙ্গে সঙ্গে আমি স্কিল উন্নত করার চেষ্টা করছি। কোচদের সঙ্গে কাজ করছি এবং অনুশীলনে ইয়র্কার নিখুঁতভাবে করতে পারলে ম্যাচেও প্রয়োগ করি।’ ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে চলমান আলোচনা
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইনজুরি আগে থেকে জানিয়ে আসে না। তবে বিসিবির ফিজিও ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট টিম আমাদের ম্যাচ সংখ্যা ও ফিটনেস নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে।’



