ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৬

ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৬ |
দেশের অর্থনৈতিক সংকট ক্রমশ দৃশ্যমান হচ্ছে। ইউনূস সরকারের দেড় বছরের বৈরী বিনিয়োগের পরিবেশ, ভ্রান্ত নীতি ও কৌশল দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করেছে। বিএনপি সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ এই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। দাম বাড়লেও তেল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশজুড়ে তেলের জন্য হাহাকার। জ্বালানি তেলের জন্য পেট্রোলপাম্পে মানুষের লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। বোরো মৌসুমে ডিজেল নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ব্যাহত হচ্ছে শিল্প কারখানায় উৎপাদন। শুধু জ্বালানি তেল নয়, গ্যাসের সংকটও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কলকারখানার উৎপাদন। গত দেড়

বছরে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ চালিয়েছে ঋণ করে। বেসরকারি খাতের বিরুদ্ধে তাণ্ডব চালিয়ে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল ইউনূস সরকার। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় দেশে সরকারের নেওয়া ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় ১৯ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকায়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অনেকেই প্রত্যাশা করেছিলেন যে এ সরকার ব্যয় সংকোচনের পাশাপাশি ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করা হয়েছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। এতে সরকারের মোট

ঋণের স্থিতি ২২ লাখ ৫০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ঋণ নিয়ে ঘি খেয়েছে ইউনূস সরকার। সরকারসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ২০২৪ সালের আগস্টের গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা থেকে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে। সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বাজেট সহায়তা হিসেবে এ অর্থ পেয়েছে বাংলাদেশ। ঋণের টাকায় ড. ইউনূস বিশাল বহর নিয়ে প্রতি মাসে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ করেন। এ ঋণের টাকায় সরকারের পরিচালন ব্যয় মেটানো হয়। এ সময় হাজার হাজার কলকারখানা মব সন্ত্রাসের শিকার হয়। অগ্নিসংযোগ ও হামলার কারণে বন্ধ হয়ে যায় অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান। বহু কারখানা মব আতঙ্কে বন্ধ হয়ে

যায়। হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে। অন্তর্বর্তী সরকার বেসরকারি খাত উন্নয়নে ১ টাকাও খরচ করেনি। উপরন্তু বিদেশি ঋণের শর্ত পূরণ করতে ব্যাংক সুদের হার বাড়িয়ে দেয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর। যাওয়ার আগে ইউনূস সরকার অর্থনীতির আরেকটি বড় সর্বনাশ করে যান। বাস্তবতা বিবেচনা না করেই সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করেন। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের এখতিয়ারবহির্ভূত কাজ। তা ছাড়া এই পে-স্কেল ঘোষণার আগে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। নতুন নির্বাচিত সরকারকে ইচ্ছাকৃতভাবে চাপে ফেলার জন্যই এরকম একটি অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে অনেকেই মনে করেন। প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল (নবম পে-স্কেল) বাস্তবায়নে প্রতি বছর সরকারের অতিরিক্ত

প্রায় ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। একদিকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অন্যদিকে ইউনূস সরকারের বিশাল ঋণের বোঝা এবং ভুল অর্থনৈতিক কৌশল মোকাবিলায় বিএনপি সরকার এখন রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন। অর্থমন্ত্রী ঋণ পেতে ওয়াশিংটনে ছুটে গেছেন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বা আইএমএফ বাংলাদেশের জন্য যে ঋণ অনুমোদন করেছিল তার পরবর্তী কিস্তি পাওয়া নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যদিও, সরকার বলছে- কিছু মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনা চলছে। তবে অর্থনীতিবিদদের কেউ

কেউ মনে করছেন, মূলত কম রাজস্ব আদায় ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণেই আইএমএফ-এর ঋণ নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। যার দায় অন্তর্বর্তী সরকারের। সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী জুনের মধ্যে আইএমএফ-এর কাছ থেকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার কথা ছিল। এ আইএমএফ-এর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আইএমএফ-এর সঙ্গে চলতি সপ্তাহে বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু ঋণের অর্থছাড় নিয়ে যে সংকট ছিল তা এখনো কাটেনি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সরকারপ্রধান সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সরকার সবক্ষেত্রে ব্যয় সাশ্রয় নীতি গ্রহণ করেছে। অফিস সময় সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। এমনকি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের খেলা দিনে আয়োজন করা হয়েছে। সবধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ

করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে সাধারণ মানুষও কৃচ্ছ্রতার পথে হাঁটছেন। সব জায়গায় এখন সংযম এবং মিতব্যয়ীতার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গোটা দেশ কৃচ্ছ্রতার পথে হাঁটলেও এদেশের সরকারি চাকুরেরা যেন সবকিছুর ঊর্ধ্বে। আমলাতন্ত্র যেন ভিনগ্রহের বাসিন্দা। মানুষের দুর্দশা, দুঃখ কষ্ট বেদনা যেন তাদের স্পর্শ করে না। দেশের পরিস্থিতি যাই হোক তারা যেন ঝাঁকের কৈ। আওয়ামী লীগ আমলে প্রচণ্ড মুজিব ভক্ত আমলা ৫ আগস্টের পর মুহূর্তেই হয়ে গেলেন আওয়ামীবিরোধী। ইউনূস ভক্ত আমলা বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই হয়ে গেলেন শহীদ জিয়ার সৈনিক। রাজনীতিবিদরা জেলে যান নিপীড়নের শিকার হন। ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের দোসর ট?্যাগ লাগিয়ে হয়রানি করা হয়। কিন্তু হাতেগোনা গুটিকয়েক আমলা ছাড়া সবাই গিরগিটির মতো রং পাল্টে ফেলে নিমিষেই। সরকার যখন তীব্র অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় মিতব্যয়ীতার নীতি গ্রহণ করেছে, তখন আমলারা তাদের নতুন পে-স্কেল কীভাবে কার্যকর করা যায় তার উপায় খুঁজতে ব্যস্ত। আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে নতুন সরকার প্রথম বাজেট ঘোষণা করবে। দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের জন্য একসঙ্গে এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা কঠিন। কিন্তু সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই অর্থ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। তারা নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে দাবি জানান। আগামী ১১ জুন বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বিশাল জাতীয় বাজেট। বিএনপি সরকারের আমলের প্রথম এ বাজেটের আকার হতে যাচ্ছে প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকা। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ বাজেটকে ঘিরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যেমন রয়েছে আকাশচুম্বী প্রত্যাশা, তেমনি বিরাজ করছে চরম উৎকণ্ঠা। বিশেষ করে নবম জাতীয় বেতন স্কেল এই বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হবে কি না, তা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসায় তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তারা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চেয়ে নিজেদের বেতন বাড়ানোর ব্যাপারে বেশি মনোযোগী। দেশে কৃচ্ছ্র্রতা চললেও আমলাদের জন্য মনে হয় তা প্রযোজ্য নয়। থেমে নেই তাদের বিদেশ যাত্রা। আমাদের সরকারি কর্মচারীরা বিদেশ যেতে খুবই পছন্দ করেন। এই সংকটের সময়েও সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নতুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের লিফটের গুণগতমান দেখতে গ্রিসে যাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. জয়নাল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালটিতে চলমান ১ হাজার কোটি টাকার ‘অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২’ এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ এই বিদেশ সফরের কদিন আগেই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং যুদ্ধের ফলে উদ্ভূত বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সরকারি ব্যয়ে বড় ধরনের কাটছাঁট করে সরকার। এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরনের বিদেশ ভ্রমণ এবং গাড়ি ও কম্পিউটার কেনাসহ ১১ বিষয়ে অর্থ খরচে সংযত থাকতে বলা হয়। তাঁদের কিছু খরচ পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। আর কিছু খরচ করতে হবে অনুমোদন সাপেক্ষে। কিন্তু কে শোনে কার কথা? আমাদের সরকারি কর্মকর্তারা অদ্ভূত সব কারণে বিদেশে যান। আওয়ামী লীগের শাসনামলে বোয়িংয়ের একটি বিমান ডেলিভারি নিতে বাংলাদেশের ৪৫ জনের প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান। গণমাধ্যমে এমন খবর বের হওয়ার পর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে বেশ হাস্যরস সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু তাতে কি সরকারি কর্মকর্তারা এসব সমালোচনার থোড়াই কেয়ার করেন। একটি ক্যামেরা কিনতে তিনজনের বিদেশ যাওয়া, নলকূপ খনন শিখতে একাধিক কর্মকর্তার বিদেশে সফরের মতো হাস?্যকর অজুহাতে বিদেশ সফর করেছেন সরকারি কর্মকর্তারা। এখন কি এসব বন্ধ হবে? সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ পরিচালন খরচ আগের বছরের চেয়ে বেড়েছে। অন্যদিকে উন্নয়ন প্রকল্পে খরচ কমেছে। তাই সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের পিছনে রাষ্ট্রের ব্যয় কমাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। এ অবস্থায় আমলারা কি দেশের কথা ভাববেন। তারা তো এদেশের সন্তান। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তারা কী বলবেন, এখন নয়, অর্থনৈতিক সংকট কাটলেই নতুন পে-স্কেল নিয়ে ভাবা যাবে। তারা কি অকারণে নানা অজুহাতে সরকারি অর্থ অপচয় করে বিদেশ ভ্রমণ অব্যাহত রাখবেন? অন্যদিকে, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া বিএনপি সরকার কি পারবে আমলা তোষণের দুষ্টচক্র ভাঙতে? আমলা নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে বিএনপি কি পারবে ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়া বন্ধ করতে?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
একই পরিবারের ৭ সদস্যের বিরুদ্ধে সিআইডির মানিলন্ডারিং মামলা মোদির উদ্বোধনের আগেই আগুনে পুড়ল ভারতের তেল শোধনাগার ‘সুরভি স্কুলে’ মার্কিন বিশেষ দূত, শিশু কল্যাণে সহযোগিতার আশ্বাস ‘অর্থকষ্টে’ সরকার! নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে? কোরআন আত্ম-পরিচয়ের আয়না বিশ্ববাজারে কমে গেল স্বর্ণের দাম একটি ছাড়া সবই ১৪০ কিমি গতির বল করেছেন নাহিদ রানা সকাল ৮টার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে এসএসসি পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থী কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধি দল যাবে না ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন, শান্তি চুক্তি ‘হবে’ : ট্রাম্প দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি