ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খোদ চাঁদপুরেই মধ্যবিত্তের নাগালের অনেক বাইরে সাধের ইলিশ, ডিমের কেজিও ৬ হাজার
এনসিটিবিতে দুর্নীতির পাহাড়: এক বছরে ২৭১১ কোটি টাকার মহালুটপাট
ছাত্রলীগ-কে মবযোগ্য/হত্যাযোগ্য করে তোলা জুলাইয়ের ‘কালচারাল বয়ান’ এবং অতঃপর……
তিনগুণ মূল্যে গ্যাস বিক্রির প্রস্তাব পেট্রোনাসের
২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি সংক্রমণ বেড়েছে ৫০০ শতাংশ, ২০২৪ সালেই মৃত্যু ১৪ হাজার
মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনার এক বছর: চোখের জলে সেই ভয়াল দুপুরের স্মৃতিচারণ শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের
ঈদে চাই নতুন টাকা: আগ্রহ নেই ‘ছাপড়ি’ নোটে, সবাই খুঁজছেন পুরনো নকশার ‘বঙ্গবন্ধু’ নোট
টেবিলের ওপর স্তুপ করে রাখা নতুন টাকার বান্ডিল। ঈদ এলেই নতুন নোটের চাহিদা বেড়ে যায়। তবে এবার প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রেতা নেই। মাঝে মধ্যে দুই-একজন ক্রেতা এলেও নতুন নোটের বান্ডিলে আগ্রহী নন অনেকেই। অধিকাংশ ক্রেতাই পুরনো ডিজাইনের বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট খুঁজছেন বলে জানান বিক্রেতারা।
আজ ২৫শে মে, সোমবার রাজধানীর গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের সামনে দোকান মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, মার্কেটের সামনে সারি সারি বসেছে নতুন টাকা বিক্রির দোকান। একজন ক্রেতা গেলেই হাঁকডাক করছেন সব বিক্রেতা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত দাম চাচ্ছেন দোকানিরা। বিক্রেতাদের জবাব, তারা অধিক দামে কিনে এনেছেন ব্যাংক থেকে।
ক্রেতারা জানালেন, ২০২৪-এর রাজনৈতিক
পট পরিবর্তনের পর নতুন যেসব নোট ছাপা হয়েছে, এসব নোটের মান খুবই খারাপ। লোকজন এগুলোকে ‘ছাপড়ি’ নোট বলে। দোকানে চালানো যায় না, বড় নোট হলে দোকানি সন্দেহ করেন জাল নোট বলে। কাগজ পাতলা, ছাপার মান খারাপ। বৃষ্টিতে ভিজলে রঙ উঠে যাওয়ারও অভিযোগ আছে। এসব কারণে এই নোটগুলোর প্রতি আগ্রহ কম। তবে কয়েকজন বিক্রেতার কাছে মিলল বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট। যা বিক্রি হচ্ছে, এসব বান্ডিলই। দেখা গেছে, নতুন ডিজাইনের নোটের বান্ডিলের দাম বেশি। দেখা গেছে, প্রতিটি পাঁচ টাকার বান্ডিলে রয়েছে পাঁচশত টাকা। এর প্রতিটি বান্ডিল নিতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা অবধি। দশ টাকার প্রতিটি বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে।
২০ টাকার বান্ডিলে ২ হাজার টাকা থাকলেও অতিরিক্ত ৪০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। ৫০ টাকার বান্ডিলে ৫ হাজার টাকা থাকলেও ৫ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০০ টাকার নোটের বান্ডিল নিতেও দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। নতুন নোট বিক্রেতা মো. মোসাদ্দেক বলেন, অন্য সময় ভালো বিক্রি হতো কিন্তু এবার ঈদে ক্রেতাই নেই। কেউ এলেও দাম শুনে চলে যাচ্ছে। বেচা-বিক্রি নেই একদম। সামনে বিক্রি হওয়ার খুব একটা সম্ভাবনাও নেই। ফরিদ মিয়া নামের একজন বিক্রেতা জানান, সবাই বঙ্গবন্ধুর নোট চায়। নতুন ছাপা নোটগুলার বেচাবিক্রি তেমন নাই। লোকে এগুলা কিনতে চায় না, অনেকে উল্টে-পাল্টে দেখে জিজ্ঞেস করে ‘ডুপ্লিকেট’ কিনা। এই নোটগুলা নিয়ে এক ঝামেলা।
কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নোট তো ব্যাংক দেয় না। রমজান মোল্লা নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, সবাই আসে আর চলে যায়। বিক্রি নাই। আমরা তো কিনে আনি। বেশি দামে কিনতে হয় আমাদের। তাই বেচাও লাগে বেশি দামে। কিছুই করার নেই। এই করেই তো আমাদের সংসার চালাতে হয়। বউ-বাচ্চার মুখে খাবার যায়। নতুন নোট কিনতে আসা শাহরিয়ার কামাল বলেন, বাচ্চাদের ঈদ সালামির জন্য নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম, কিন্তু দাম অনেক। ১ হাজার টাকার জন্য অতিরিক্ত ৪-৫শ টাকা দিতে হবে, এটা অন্যায্য। বিল্লাল হোসেন নামে আরেক ক্রেতা বলেন, চকচকে নোট কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু দেখি আগের নোটগুলো নাই, সবই ‘ছাপড়ি’ নোট। তাও আবার যে দাম- তাতে কেনা সম্ভব না।
পট পরিবর্তনের পর নতুন যেসব নোট ছাপা হয়েছে, এসব নোটের মান খুবই খারাপ। লোকজন এগুলোকে ‘ছাপড়ি’ নোট বলে। দোকানে চালানো যায় না, বড় নোট হলে দোকানি সন্দেহ করেন জাল নোট বলে। কাগজ পাতলা, ছাপার মান খারাপ। বৃষ্টিতে ভিজলে রঙ উঠে যাওয়ারও অভিযোগ আছে। এসব কারণে এই নোটগুলোর প্রতি আগ্রহ কম। তবে কয়েকজন বিক্রেতার কাছে মিলল বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট। যা বিক্রি হচ্ছে, এসব বান্ডিলই। দেখা গেছে, নতুন ডিজাইনের নোটের বান্ডিলের দাম বেশি। দেখা গেছে, প্রতিটি পাঁচ টাকার বান্ডিলে রয়েছে পাঁচশত টাকা। এর প্রতিটি বান্ডিল নিতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা অবধি। দশ টাকার প্রতিটি বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে।
২০ টাকার বান্ডিলে ২ হাজার টাকা থাকলেও অতিরিক্ত ৪০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। ৫০ টাকার বান্ডিলে ৫ হাজার টাকা থাকলেও ৫ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০০ টাকার নোটের বান্ডিল নিতেও দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। নতুন নোট বিক্রেতা মো. মোসাদ্দেক বলেন, অন্য সময় ভালো বিক্রি হতো কিন্তু এবার ঈদে ক্রেতাই নেই। কেউ এলেও দাম শুনে চলে যাচ্ছে। বেচা-বিক্রি নেই একদম। সামনে বিক্রি হওয়ার খুব একটা সম্ভাবনাও নেই। ফরিদ মিয়া নামের একজন বিক্রেতা জানান, সবাই বঙ্গবন্ধুর নোট চায়। নতুন ছাপা নোটগুলার বেচাবিক্রি তেমন নাই। লোকে এগুলা কিনতে চায় না, অনেকে উল্টে-পাল্টে দেখে জিজ্ঞেস করে ‘ডুপ্লিকেট’ কিনা। এই নোটগুলা নিয়ে এক ঝামেলা।
কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নোট তো ব্যাংক দেয় না। রমজান মোল্লা নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, সবাই আসে আর চলে যায়। বিক্রি নাই। আমরা তো কিনে আনি। বেশি দামে কিনতে হয় আমাদের। তাই বেচাও লাগে বেশি দামে। কিছুই করার নেই। এই করেই তো আমাদের সংসার চালাতে হয়। বউ-বাচ্চার মুখে খাবার যায়। নতুন নোট কিনতে আসা শাহরিয়ার কামাল বলেন, বাচ্চাদের ঈদ সালামির জন্য নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম, কিন্তু দাম অনেক। ১ হাজার টাকার জন্য অতিরিক্ত ৪-৫শ টাকা দিতে হবে, এটা অন্যায্য। বিল্লাল হোসেন নামে আরেক ক্রেতা বলেন, চকচকে নোট কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু দেখি আগের নোটগুলো নাই, সবই ‘ছাপড়ি’ নোট। তাও আবার যে দাম- তাতে কেনা সম্ভব না।



