ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হজ ক্যাম্পে ৮ লাখ টাকা মূল্যের সৌদি রিয়াল চুরি, দুইদিনেও ধরা পড়েনি কেউ
তারেক রহমানকে ঘিরে দুর্নীতির আশঙ্কায় আইএমএফ ঋণ বন্ধ: রেজা কিবরিয়া
সালাউদ্দিন আম্মারকে সতর্ক করে যা বললেন ছাত্রদল সভাপতি
শক্তিশালী হলে শিবির সন্ত্রাসের বীজ বপন করে: নাছির
ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে: জামায়াত
এবার এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল
আইনি মারপ্যাঁচে আসন হারাতে পারেন জামায়াত জোটের প্রার্থী
ইসহাক সরকারের এনসিপিতে যোগদান: বিএনপি ও আওয়ামী লীগের জন্য ‘অশনিসংকেত’
- ত্যাগী নেতা ইসহাক সরকারের দলত্যাগ বিএনপির সাংগঠনিক ব্যর্থতার প্রকাশ।
- তারেক রহমানের তৃণমূলের অভিজ্ঞতা না থাকাকে ‘আত্মঘাতী’ বলছেন বিশ্লেষকেরা।
- ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বহীনতা ও পদবঞ্চিতদের ক্ষোভ কাজে লাগাতে পারে
এনসিপি-জামায়াত।
ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ইসহাক সরকারের দলত্যাগ এবং নতুন রাজনৈতিক
প্ল্যাটফর্ম এনসিপিতে (ন্যাশনালিষ্ট কংগ্রেস পার্টি) যোগদান দেশের প্রধান দুই
রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের জন্য এক বড় ‘অশনিসংকেত’ বলে মনে করছেন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন এবং
সাংগঠনিক ব্যর্থতার কারণে সৃষ্ট এই শূন্যতার সুযোগ নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী
ও এনসিপির মতো দলগুলো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে লেখক ও
রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিপন গাজী দেশের সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে এভাবেই নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তাঁর এই বিশ্লেষণ রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইসহাক সরকারের ত্যাগ ও বিএনপির মূল্যায়ন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার দীর্ঘ সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। রিপন গাজীর দেওয়া তথ্যমতে, সদ্য বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইসহাক সরকারের পুরো পরিবার প্রায় ৪৫০টির বেশি মামলার শিকার হয়। এর মধ্যে শুধু ইসহাক সরকারের নামেই মামলা ছিল ১৫৯টি। এত ত্যাগ ও নিপীড়ন সহ্য করার পরও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে। ক্ষোভ ও হতাশা থেকে
সম্প্রতি তিনি এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। রিপন গাজী তাঁর পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘একটি ইসহাক সরকারের মূল্য তারেক রহমান কোনো দিন বুঝবেন না। কারণ, তিনি কোনো দিন ছাত্রদল, যুবদল বা রাজপথের রাজনীতি করেননি। তিনি পারিবারিক সূত্রে দলের কর্ণধার হয়েছেন। একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি যখন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেন, তখন এ ধরনের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আসাই স্বাভাবিক।’ বিশ্লেষকদের মতে, ইসহাক সরকারের মতো ত্যাগী নেতাকে ধরে রাখতে না পারাটা বিএনপির চরম সাংগঠনিক ব্যর্থতা। দলের এমন দোদুল্যমান সময়ে এই ধরনের নেতাদের এনসিপি বা জামায়াত নিজেদের শিবিরে ভেড়াতে সক্ষম হলে তা বিএনপির জন্য ‘বুমেরাং’ হবে। আওয়ামী লীগের জন্যও মহাবিপদ সংকেত বিশ্লেষক রিপন গাজীর মতে, ইসহাক সরকারের এই দলবদল শুধু বিএনপির জন্যই নয়,
বরং অস্তিত্ব সংকটে থাকা আওয়ামী লীগের জন্যও এক বড় অশনিসংকেত। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে আওয়ামী লীগ অনেকটা ‘ছন্নছাড়া ও অভিভাবকহীন’ অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন ইউনিটে নতুন কমিটি গঠনের যে উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানেও বিপত্তির আশঙ্কা রয়েছে। পদবঞ্চিত ত্যাগী নেতাদের মধ্যে যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হবে, তার সুযোগ নিয়ে এনসিপি বা জামায়াত তাদের দলে টানার চেষ্টা চালাবে। রিপন গাজী তাঁর বিশ্লেষণে আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত রাখা এখন দলটির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পারিবারিক সমীকরণে শেখ হাসিনা-পরবর্তী নেতৃত্বে কে আসবেন এবং তৃণমূল তা কীভাবে গ্রহণ করবে, তা নিয়ে চরম ধোঁয়াশা রয়েছে। তৃণমূলে জামায়াত-এনসিপির নীরব কৌশল ৫ আগস্টের পর দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে
জামায়াত ও এনসিপি সুকৌশলে অগ্রসর হচ্ছে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক। তাঁর মতে, পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা যখন হামলা ও মামলার ভয়ে আতঙ্কিত, তখন বিএনপি তাদের ওপর চড়াও হয়েছে। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েছে জামায়াত। রাতের আঁধারে তারা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং হয়রানি না করার আশ্বাস দিয়ে ভোটের রাজনীতির জন্য এক নীরব আস্থার সম্পর্ক তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই পোস্টের উপসংহারে রিপন গাজী সতর্ক করে বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের এই সাংগঠনিক ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে জামায়াত-এনসিপি আরও নেতা-কর্মী ভাগিয়ে নেবে। এটি এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। বৃহৎ দুই রাজনৈতিক দলের জন্যই ইসহাক সরকারদের এই দলবদল এক ‘মহাবিপদ সংকেত’।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিপন গাজী দেশের সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে এভাবেই নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তাঁর এই বিশ্লেষণ রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইসহাক সরকারের ত্যাগ ও বিএনপির মূল্যায়ন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার দীর্ঘ সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। রিপন গাজীর দেওয়া তথ্যমতে, সদ্য বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইসহাক সরকারের পুরো পরিবার প্রায় ৪৫০টির বেশি মামলার শিকার হয়। এর মধ্যে শুধু ইসহাক সরকারের নামেই মামলা ছিল ১৫৯টি। এত ত্যাগ ও নিপীড়ন সহ্য করার পরও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে। ক্ষোভ ও হতাশা থেকে
সম্প্রতি তিনি এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। রিপন গাজী তাঁর পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘একটি ইসহাক সরকারের মূল্য তারেক রহমান কোনো দিন বুঝবেন না। কারণ, তিনি কোনো দিন ছাত্রদল, যুবদল বা রাজপথের রাজনীতি করেননি। তিনি পারিবারিক সূত্রে দলের কর্ণধার হয়েছেন। একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি যখন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেন, তখন এ ধরনের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আসাই স্বাভাবিক।’ বিশ্লেষকদের মতে, ইসহাক সরকারের মতো ত্যাগী নেতাকে ধরে রাখতে না পারাটা বিএনপির চরম সাংগঠনিক ব্যর্থতা। দলের এমন দোদুল্যমান সময়ে এই ধরনের নেতাদের এনসিপি বা জামায়াত নিজেদের শিবিরে ভেড়াতে সক্ষম হলে তা বিএনপির জন্য ‘বুমেরাং’ হবে। আওয়ামী লীগের জন্যও মহাবিপদ সংকেত বিশ্লেষক রিপন গাজীর মতে, ইসহাক সরকারের এই দলবদল শুধু বিএনপির জন্যই নয়,
বরং অস্তিত্ব সংকটে থাকা আওয়ামী লীগের জন্যও এক বড় অশনিসংকেত। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে আওয়ামী লীগ অনেকটা ‘ছন্নছাড়া ও অভিভাবকহীন’ অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন ইউনিটে নতুন কমিটি গঠনের যে উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানেও বিপত্তির আশঙ্কা রয়েছে। পদবঞ্চিত ত্যাগী নেতাদের মধ্যে যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হবে, তার সুযোগ নিয়ে এনসিপি বা জামায়াত তাদের দলে টানার চেষ্টা চালাবে। রিপন গাজী তাঁর বিশ্লেষণে আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত রাখা এখন দলটির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পারিবারিক সমীকরণে শেখ হাসিনা-পরবর্তী নেতৃত্বে কে আসবেন এবং তৃণমূল তা কীভাবে গ্রহণ করবে, তা নিয়ে চরম ধোঁয়াশা রয়েছে। তৃণমূলে জামায়াত-এনসিপির নীরব কৌশল ৫ আগস্টের পর দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে
জামায়াত ও এনসিপি সুকৌশলে অগ্রসর হচ্ছে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক। তাঁর মতে, পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা যখন হামলা ও মামলার ভয়ে আতঙ্কিত, তখন বিএনপি তাদের ওপর চড়াও হয়েছে। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়েছে জামায়াত। রাতের আঁধারে তারা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং হয়রানি না করার আশ্বাস দিয়ে ভোটের রাজনীতির জন্য এক নীরব আস্থার সম্পর্ক তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই পোস্টের উপসংহারে রিপন গাজী সতর্ক করে বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের এই সাংগঠনিক ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে জামায়াত-এনসিপি আরও নেতা-কর্মী ভাগিয়ে নেবে। এটি এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। বৃহৎ দুই রাজনৈতিক দলের জন্যই ইসহাক সরকারদের এই দলবদল এক ‘মহাবিপদ সংকেত’।



