ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পুলিশে ডিআইজি-এসপি পদে বড় রদবদল
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম
‘সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কোনো বিচারিক ক্ষমতা নেই’
ঈদ সামনে রেখে শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি
‘গুম’ থাকা আয়েশা ৭ বছর পর ফিরলেন জীবিত!
নীরবতাও অপরাধ: ইউনূসের অরাজকতা আর দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রে নীরব থাকা আনু মুহাম্মদ গংও অপরাধী
১৯৬৫-র যুদ্ধ থেকে তারেক রহমানের বর্তমান নীতি: জিয়া-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ব্যবচ্ছেদ
ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নেওয়া পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির দাবি, পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো প্রকার আলোচনা বা যথাযথ পেশাদার মূল্যায়ন ছাড়াই এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ‘জোর করে’ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা ও বাতিলের আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ সদস্যদের মতামত, দেশের আবহাওয়া এবং সদস্যদের শারীরিক গঠনের বিষয়টি বিবেচনা না করেই নতুন ইউনিফর্ম চূড়ান্ত করা হয়েছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরীর মেয়াদে নেওয়া এই পরিবর্তনের নকশা অন্য একটি বাহিনীর ইউনিফর্মের সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর ফলে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের আলাদা করে চিনতে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, বর্তমানে পরিহিত পোশাকটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। বিবৃতিতে উদ্বেগ জানিয়ে বলা হয়: “বাহিনীর বেশিরভাগ সদস্যই তড়িঘড়ি করে নেওয়া এই পরিবর্তনের পক্ষে নন। নতুন ইউনিফর্ম তৈরিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করার চেয়ে বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং থানা পর্যায়ে যানবাহন ও লজিস্টিক সাপোর্ট বৃদ্ধি করাই বেশি যুক্তিযুক্ত।” বিবৃতিতে এই পরিবর্তনকে একটি ‘ব্যয়বহুল বিলাসিতা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি দেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। পোশাকের রঙ বা নকশা
বদলানোর চেয়ে পুলিশ সদস্যদের মন-মানসিকতা ও পেশাদারিত্বের উন্নয়ন করাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে সংগঠনটি মনে করে। বর্তমান প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, ড. ইউনূস ও জাহাঙ্গীরের মেয়াদে নেওয়া এই পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি যেন দ্রুত পুনর্বিবেচনা করা হয়। তারা মনে করেন, মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আবেগ ও বাস্তবসম্মত দিকগুলো বিবেচনা করে আরও গবেষণার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
আলম চৌধুরীর মেয়াদে নেওয়া এই পরিবর্তনের নকশা অন্য একটি বাহিনীর ইউনিফর্মের সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর ফলে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের আলাদা করে চিনতে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, বর্তমানে পরিহিত পোশাকটি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। বিবৃতিতে উদ্বেগ জানিয়ে বলা হয়: “বাহিনীর বেশিরভাগ সদস্যই তড়িঘড়ি করে নেওয়া এই পরিবর্তনের পক্ষে নন। নতুন ইউনিফর্ম তৈরিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করার চেয়ে বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং থানা পর্যায়ে যানবাহন ও লজিস্টিক সাপোর্ট বৃদ্ধি করাই বেশি যুক্তিযুক্ত।” বিবৃতিতে এই পরিবর্তনকে একটি ‘ব্যয়বহুল বিলাসিতা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি দেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। পোশাকের রঙ বা নকশা
বদলানোর চেয়ে পুলিশ সদস্যদের মন-মানসিকতা ও পেশাদারিত্বের উন্নয়ন করাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে সংগঠনটি মনে করে। বর্তমান প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, ড. ইউনূস ও জাহাঙ্গীরের মেয়াদে নেওয়া এই পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্তটি যেন দ্রুত পুনর্বিবেচনা করা হয়। তারা মনে করেন, মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আবেগ ও বাস্তবসম্মত দিকগুলো বিবেচনা করে আরও গবেষণার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।



