ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অভিষেকের ৩৫ বলের সেঞ্চুরি, পাওয়ারপ্লেতে ভারতের বিশ্বরেকর্ড
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় লঙ্কানদের রেকর্ড জয়
শান্তিতে ফুটবল ম্যাচ দেখতে স্ত্রীকে চেয়ারে বেঁধে বেসমেন্টে ফেলে রাখলেন স্বামী
অস্ট্রেলিয়াকে বড় লজ্জা উপহার দিল দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্রুকের বিশ্বরেকর্ড বৃথা, রেকর্ডবুক তছনছ করে ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলঙ্কা
বিজেপির জোটে যোগ দিতেই ইউসুফ পাঠানকে জমি উপহার
তিনশ বলে ১৬০, টাইগাররা কি পারবে ৪১ রানে জিততে
আফগানদের কাছে সিরিজ হারলেন শান্ত-মিরাজরা
১২ বলে লাগত মাত্র ৫ রান। শরিফুল ইসলামকে লম্বা এক ছক্কা হাঁকিয়ে ১১ বল রেখেই জয় নিশ্চিত করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ম্যাচের মাঝে কিছুক্ষণের জন্য পেন্ডুলামের মতো দুলতেছিল ম্যাচ। কিন্তু শেষ দিকে এসে সমীকরণ সহজ করে নেয় আফগানিস্তান। ফিফটি পেরিয়ে একপাশ আগলে রাখেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। অন্যপাশে তাকে সঙ্গ দেন মোহাম্মদ নবি। এতে সিরিজ জয় নিশ্চিতে আর কোনো বাধায় পড়তে হয়নি আফগানদের। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজরা। বাংলাদেশকে হারিয়ে এ নিয়ে টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখল তারা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বাংলাদেশের দেওয়া ২৪৫ রানের চ্যালেঞ্জ ৫
উইকেট বাকি রেখেই পেরিয়ে গেছে আফগানরা। একাই ১০১ রান করেন কিপার ব্যাটার গুরবাজ। সিরিজ নির্ধারণীর দিনে ম্যাচসেরা হন ৭০ রানে অপরাজিত আজমতউল্লাহ। লক্ষ্যটা খুব বড় না হলেও ছিল চ্যালেঞ্জিং। তবে দ্বিতীয় ম্যাচের ভুলগুলোই যেন শুধরে এসেছিলেন আফগানরা। উদ্বোধনী জুটিতে তারা পায় ৪১ রানের দারুণ পুঁজি। দলীয় রান ১০০ ছোয়ার আগেই আরও দুই ব্যাটার হারালেও একপাশ ঠিকই আগলে ছিলেন গুরবাজ। একের পর এক বাউন্ডারিতে রানের চাকা এগিয়ে নিয়ে যান ডানহাতি এই ব্যাটার। পাঁচে নেমে তাকে সঙ্গ দেন আজমতউল্লাহ। দুজনের ১০০ রানের জুটিতে ম্যাচ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে নেয় আফগানরা। গুরবাজ সেঞ্চুরি করে থামলেও বিধ্বংসী ছিলেন আজমতউল্লাহ। ৭৭ বলে ৭০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ম্যাচ বের
করে আনেন তিনি।
উইকেট বাকি রেখেই পেরিয়ে গেছে আফগানরা। একাই ১০১ রান করেন কিপার ব্যাটার গুরবাজ। সিরিজ নির্ধারণীর দিনে ম্যাচসেরা হন ৭০ রানে অপরাজিত আজমতউল্লাহ। লক্ষ্যটা খুব বড় না হলেও ছিল চ্যালেঞ্জিং। তবে দ্বিতীয় ম্যাচের ভুলগুলোই যেন শুধরে এসেছিলেন আফগানরা। উদ্বোধনী জুটিতে তারা পায় ৪১ রানের দারুণ পুঁজি। দলীয় রান ১০০ ছোয়ার আগেই আরও দুই ব্যাটার হারালেও একপাশ ঠিকই আগলে ছিলেন গুরবাজ। একের পর এক বাউন্ডারিতে রানের চাকা এগিয়ে নিয়ে যান ডানহাতি এই ব্যাটার। পাঁচে নেমে তাকে সঙ্গ দেন আজমতউল্লাহ। দুজনের ১০০ রানের জুটিতে ম্যাচ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে নেয় আফগানরা। গুরবাজ সেঞ্চুরি করে থামলেও বিধ্বংসী ছিলেন আজমতউল্লাহ। ৭৭ বলে ৭০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ম্যাচ বের
করে আনেন তিনি।






