ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩
হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর…
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩
মুন্সীগঞ্জে ৫ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ১ জন গ্রেপ্তার।
কুষ্টিয়ায় ফাঁকা স্কুলঘরে নিয়ে শিশু ধর্ষণ, যুবককে গণপিটুনি দিয়ে হাসপাতালে
কালিয়াকৈরে শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দিতে সালিশ, মায়ের মামলা
তাহিরপুর দুই কিশোরের গণধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু
আনোয়ারার এতিম শিশু ধর্ষকদের হুমকি, পরিবারের আকুতি “ভিক্ষা চাচ্ছি না, বিচার চাই”
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় নয় বছর বয়সী একটি শিশুকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনের কেউই এক মাস পরেও গ্রেপ্তার হননি। এই নিষ্ক্রিয়তায় ভুক্তভোগীর পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
গত ২৭ এপ্রিল রাত প্রায় দশটার দিকে রায়পুর ইউনিয়নের পূর্ব গহিরা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী শিশুটি খালার বাড়ি থেকে খালাতো বোনের বাসায় যাওয়ার পথে স্থানীয় দোকানি আবু তাহের (৪২) তাকে জোরপূর্বক দোকানে নিয়ে যান এবং প্রথম দফায় নির্যাতন চালান। এরপর তাকে পার্শ্ববর্তী একটি নির্জন বিলে নিয়ে রবিউল হোসেন (২৪), মো. ফারুক (২৩) ও আনোয়ার হোসেন (২২) দ্বিতীয় দফায় দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন বলে তদন্তে
উঠে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০১৬ সাল থেকেই আবু তাহেরের দোকানে একটি গোপন কক্ষ ছিল, যেখানে নিয়মিত অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো — তবে কখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরিবারের ওপর চাপ ধর্ষন ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগীর মা চারজনকে আসামি করে আনোয়ারা থানায় মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলার পর থেকেই পরিবারটি ক্রমাগত হুমকি ও চাপের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। শিশুটির মা বলেন, “আসামিপক্ষের লোকজন বাড়িতে এসে হুমকি দিচ্ছে। বলছে সামাজিকভাবে আপস করে টাকা নিয়ে মুখ বন্ধ করতে। আমি ভিক্ষা চাচ্ছি না — আমি আমার মেয়ের জীবন ধ্বংসকারীদের বিচার চাই।” এতিম শিশুটির পরিবারের পেছনে কোনো প্রভাবশালী মহলের সমর্থন না থাকায় তারা বিশেষভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে বলে স্থানীয়
মানবাধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পুলিশের বক্তব্য ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। মোবাইল ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি বলেন, “অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।” তবে চার সপ্তাহেরও বেশি সময়ে একজনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের আশ্বাস নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে। সামাজিক প্রতিক্রিয়া শিশুটির মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সোলেমান আলকাদেরী বলেন, “একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন এভাবে বিষিয়ে দেওয়া হলো, অথচ এক মাসেও অপরাধীরা আইনের আওতায় এলো না — এটি বিচারব্যবস্থার জন্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক।” স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজকর্মীরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে
দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে এলাকায় বড় ধরনের গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে পারে। বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণের মামলায় দীর্ঘসূত্রিতা এবং অপরাধীদের ধরতে ব্যর্থতা একটি পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার উল্লেখ করেছে যে সমাজে ক্ষমতাহীন পরিবারের শিশুরা এই ধরনের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়। আনোয়ারার এই মামলায় ভুক্তভোগী পরিবার, স্থানীয় সমাজ এবং মানবাধিকারকর্মীরা — সবার দৃষ্টি এখন কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
উঠে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০১৬ সাল থেকেই আবু তাহেরের দোকানে একটি গোপন কক্ষ ছিল, যেখানে নিয়মিত অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো — তবে কখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরিবারের ওপর চাপ ধর্ষন ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগীর মা চারজনকে আসামি করে আনোয়ারা থানায় মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলার পর থেকেই পরিবারটি ক্রমাগত হুমকি ও চাপের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। শিশুটির মা বলেন, “আসামিপক্ষের লোকজন বাড়িতে এসে হুমকি দিচ্ছে। বলছে সামাজিকভাবে আপস করে টাকা নিয়ে মুখ বন্ধ করতে। আমি ভিক্ষা চাচ্ছি না — আমি আমার মেয়ের জীবন ধ্বংসকারীদের বিচার চাই।” এতিম শিশুটির পরিবারের পেছনে কোনো প্রভাবশালী মহলের সমর্থন না থাকায় তারা বিশেষভাবে ঝুঁকিতে রয়েছে বলে স্থানীয়
মানবাধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পুলিশের বক্তব্য ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। মোবাইল ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তিনি বলেন, “অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।” তবে চার সপ্তাহেরও বেশি সময়ে একজনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের আশ্বাস নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে। সামাজিক প্রতিক্রিয়া শিশুটির মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সোলেমান আলকাদেরী বলেন, “একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন এভাবে বিষিয়ে দেওয়া হলো, অথচ এক মাসেও অপরাধীরা আইনের আওতায় এলো না — এটি বিচারব্যবস্থার জন্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক।” স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজকর্মীরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে
দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে এলাকায় বড় ধরনের গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে পারে। বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণের মামলায় দীর্ঘসূত্রিতা এবং অপরাধীদের ধরতে ব্যর্থতা একটি পুনরাবৃত্তিমূলক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার উল্লেখ করেছে যে সমাজে ক্ষমতাহীন পরিবারের শিশুরা এই ধরনের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়। আনোয়ারার এই মামলায় ভুক্তভোগী পরিবার, স্থানীয় সমাজ এবং মানবাধিকারকর্মীরা — সবার দৃষ্টি এখন কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।



