ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আজ চাঁদে অভিযানে যাচ্ছেন ৪ নভোচারী
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বুধবার চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন চার নভোচারী। ১৯৭২ সালের পর এটিই হবে মানুষের প্রথম চন্দ্রযাত্রা।
এই অভিযানকে নতুন যুগে মহাকাশ অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের পথচলার বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাসার এই মিশনের নাম ‘আর্টেমিস-২’। নানা বাধা ও বিলম্ব পেরিয়ে অবশেষে ফ্লোরিডা থেকে আজ ১ এপ্রিল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ২২২৪টা) উৎক্ষেপণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। খবর এএফপি।
এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন তিন মার্কিন নভোচারী। তারা হলেন—রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কচ। তাদের সঙ্গে রয়েছেন কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।
প্রায় ১০ দিনের এই যাত্রায় তারা চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে আসবেন। তবে অবতরণ করবেন
না। ১৯৬৮ সালের অ্যাপোলো-৮ মিশনের মতোই হবে এই ভ্রমণ। এই অভিযানে একাধিক ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথমবারের মতো কোনো কৃষ্ণাঙ্গ, কোনো নারী ও কোনো অ-মার্কিন নাগরিক চন্দ্র মিশনে অংশ নিচ্ছেন। এটি নাসার নতুন চন্দ্র রকেট ‘এসএলএস’-এর প্রথম মানববাহী উড্ডয়নও। বিশাল আকৃতির কমলা-সাদা এই রকেট ভবিষ্যতে বারবার চাঁদে ফেরার সুযোগ তৈরি করবে। লক্ষ্য, সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে তোলা এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে আরও এগিয়ে নেওয়া। নভোচারী ক্রিস্টিনা কচ বলেন, ‘চাঁদ আমাদের সৌরজগতের গঠনের এক জীবন্ত সাক্ষ্য।’ তিনি বলেন, এটি মঙ্গল অভিযানের পথে একটি ধাপ। সেখানে অতীত জীবনের প্রমাণ পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। প্রস্তুত সবাই মূলত ফেব্রুয়ারিতেই উৎক্ষেপণের কথা ছিল। কিন্তু একের পর এক
সমস্যায় বিলম্ব হয়। এমনকি বিশ্লেষণ ও মেরামতের জন্য রকেটটি হ্যাঙ্গারে ফিরিয়ে নিতে হয়েছিল। সম্প্রতি নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় বলেন, ‘যান প্রস্তুত, সিস্টেম প্রস্তুত। ক্রুরাও প্রস্তুত।’ মঙ্গলবার পর্যন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, প্রকৌশল কার্যক্রম ও চূড়ান্ত প্রস্তুতি নির্বিঘ্নে এগোচ্ছে। আবহাওয়াও অনুকূলে রয়েছে। তবে আজকের উৎক্ষেপণ বাতিল বা বিলম্ব হলে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কয়েকটি সুযোগ রয়েছে। যদিও সপ্তাহের শেষের দিকে আবহাওয়া কিছুটা প্রতিকূল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
না। ১৯৬৮ সালের অ্যাপোলো-৮ মিশনের মতোই হবে এই ভ্রমণ। এই অভিযানে একাধিক ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথমবারের মতো কোনো কৃষ্ণাঙ্গ, কোনো নারী ও কোনো অ-মার্কিন নাগরিক চন্দ্র মিশনে অংশ নিচ্ছেন। এটি নাসার নতুন চন্দ্র রকেট ‘এসএলএস’-এর প্রথম মানববাহী উড্ডয়নও। বিশাল আকৃতির কমলা-সাদা এই রকেট ভবিষ্যতে বারবার চাঁদে ফেরার সুযোগ তৈরি করবে। লক্ষ্য, সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে তোলা এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে আরও এগিয়ে নেওয়া। নভোচারী ক্রিস্টিনা কচ বলেন, ‘চাঁদ আমাদের সৌরজগতের গঠনের এক জীবন্ত সাক্ষ্য।’ তিনি বলেন, এটি মঙ্গল অভিযানের পথে একটি ধাপ। সেখানে অতীত জীবনের প্রমাণ পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। প্রস্তুত সবাই মূলত ফেব্রুয়ারিতেই উৎক্ষেপণের কথা ছিল। কিন্তু একের পর এক
সমস্যায় বিলম্ব হয়। এমনকি বিশ্লেষণ ও মেরামতের জন্য রকেটটি হ্যাঙ্গারে ফিরিয়ে নিতে হয়েছিল। সম্প্রতি নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় বলেন, ‘যান প্রস্তুত, সিস্টেম প্রস্তুত। ক্রুরাও প্রস্তুত।’ মঙ্গলবার পর্যন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, প্রকৌশল কার্যক্রম ও চূড়ান্ত প্রস্তুতি নির্বিঘ্নে এগোচ্ছে। আবহাওয়াও অনুকূলে রয়েছে। তবে আজকের উৎক্ষেপণ বাতিল বা বিলম্ব হলে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কয়েকটি সুযোগ রয়েছে। যদিও সপ্তাহের শেষের দিকে আবহাওয়া কিছুটা প্রতিকূল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



