ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আর পুরোপুরি গোপনীয় থাকছে না এআই-আড্ডা
১৬ বছরের আগে ফেসবুক-টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা বদলাতে গাড়িতে এআই
রেকর্ড দামে বিক্রি হলো মুঘলদের ‘সুপার কম্পিউটার’, যেসব কাজে ব্যবহার হতো এটি
বিদেশি ভাষা বলতে পারবেন সহজেই, গুগল ট্রান্সলেটে যুক্ত হলো নতুন ফিচার
যে কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় ফেসবুক থেকে কমে যাবে
এআই’র প্রসারে সংকুচিত হচ্ছে মৌলিক চিন্তার পরিসর
১০০০ ফলোয়ার থাকলেই ইনস্টাগ্রাম থেকে আসবে আয়, জানুন উপায়
বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, অনেকের জন্য এটি আয়ের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামের রিলস ফিচার নতুন প্রজন্মের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। সৃজনশীল ভিডিও তৈরি করে সহজেই ফলোয়ার বাড়ানো যায়, আর সেই ফলোয়ারই পরে আয় করার পথ খুলে দেয়। অনেকেই মনে করেন বড় ফলোয়ার না হলে আয় সম্ভব নয়, কিন্তু বাস্তবে মাত্র এক হাজার ফলোয়ার থাকলেও বিভিন্ন উপায়ে আয় শুরু করা যায়।
শুরুতেই দর্শকের মনোযোগ কাড়তে হবে
রিলস তৈরি করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভিডিওর প্রথম কয়েক সেকেন্ড। শুরুটা যদি আকর্ষণীয় হয়, তাহলে দর্শক ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখার সম্ভাবনা বাড়ে। একটি প্রশ্ন, চমকপ্রদ তথ্য
বা মজার দৃশ্য দিয়ে শুরু করলে দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়। সাধারণত ছোট এবং গতিময় ভিডিও বেশি জনপ্রিয় হয়। তাই ভিডিওকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাণবন্ত রাখার চেষ্টা করা ভালো। নিয়মিত পোস্ট ও নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন সফল হতে হলে ধারাবাহিকতা খুবই জরুরি। নিয়মিত রিল পোস্ট করলে অ্যালগরিদম সেই কনটেন্ট বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট বিষয় বেছে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-রান্না, ফিটনেস, ভ্রমণ, বিউটি টিপস, শিক্ষা বা মোটিভেশনাল কনটেন্ট। নির্দিষ্ট বিষয় ধরে কাজ করলে দ্রুত একটি নির্দিষ্ট দর্শকগোষ্ঠী তৈরি হয়। এনগেজমেন্ট বাড়ানোই ভাইরাল হওয়ার চাবিকাঠি রিলসের সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করে দর্শকের প্রতিক্রিয়ার ওপর। ভিডিওতে দর্শকদের মন্তব্য করতে, শেয়ার করতে বা সেভ করতে উৎসাহিত করা যেতে
পারে। কারণ এই ধরনের প্রতিক্রিয়া অ্যালগরিদমকে বোঝায় যে কনটেন্টটি মানুষ পছন্দ করছে। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় হ্যাশট্যাগ ব্যবহার না করে প্রাসঙ্গিক কয়েকটি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করাই ভালো। ফলোয়ার বাড়লেই আয়ের সুযোগ যখন আপনার ফলোয়ার সংখ্যা এক হাজার থেকে পাঁচ হাজারের মধ্যে পৌঁছায়, তখন বিভিন্ন উপায়ে আয় করা সম্ভব হয়। অনেক ক্রিয়েটর এই পর্যায়েই ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। ব্র্যান্ড প্রচারের জন্য রিল তৈরি করা, বিভিন্ন পণ্যের প্রচারের মাধ্যমে কমিশন পাওয়া কিংবা নিজের তৈরি ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করা এসবই হতে পারে আয়ের পথ। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেমন অ্যামাজন বা দারাজের পণ্য প্রচার করে কমিশন আয় করা যায়। এছাড়া অনেক ব্র্যান্ড
ক্রিয়েটরদের দিয়ে তাদের পণ্যের জন্য ভিডিও বানায়। এ ধরনের ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট তৈরি করেও ভালো পারিশ্রমিক পাওয়া সম্ভব। অ্যানালিটিক্স দেখে কনটেন্ট উন্নত করুন কোন ভিডিও বেশি মানুষ দেখছে বা শেয়ার করছে, তা বিশ্লেষণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইনস্টাগ্রামের ইনসাইটস ব্যবহার করে সহজেই বোঝা যায় কোন ধরনের কনটেন্ট দর্শকের কাছে বেশি জনপ্রিয়। সেই তথ্য অনুযায়ী নতুন কনটেন্ট তৈরি করলে দ্রুত উন্নতি করা যায়।
বা মজার দৃশ্য দিয়ে শুরু করলে দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়। সাধারণত ছোট এবং গতিময় ভিডিও বেশি জনপ্রিয় হয়। তাই ভিডিওকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাণবন্ত রাখার চেষ্টা করা ভালো। নিয়মিত পোস্ট ও নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন সফল হতে হলে ধারাবাহিকতা খুবই জরুরি। নিয়মিত রিল পোস্ট করলে অ্যালগরিদম সেই কনটেন্ট বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট বিষয় বেছে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-রান্না, ফিটনেস, ভ্রমণ, বিউটি টিপস, শিক্ষা বা মোটিভেশনাল কনটেন্ট। নির্দিষ্ট বিষয় ধরে কাজ করলে দ্রুত একটি নির্দিষ্ট দর্শকগোষ্ঠী তৈরি হয়। এনগেজমেন্ট বাড়ানোই ভাইরাল হওয়ার চাবিকাঠি রিলসের সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করে দর্শকের প্রতিক্রিয়ার ওপর। ভিডিওতে দর্শকদের মন্তব্য করতে, শেয়ার করতে বা সেভ করতে উৎসাহিত করা যেতে
পারে। কারণ এই ধরনের প্রতিক্রিয়া অ্যালগরিদমকে বোঝায় যে কনটেন্টটি মানুষ পছন্দ করছে। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় হ্যাশট্যাগ ব্যবহার না করে প্রাসঙ্গিক কয়েকটি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করাই ভালো। ফলোয়ার বাড়লেই আয়ের সুযোগ যখন আপনার ফলোয়ার সংখ্যা এক হাজার থেকে পাঁচ হাজারের মধ্যে পৌঁছায়, তখন বিভিন্ন উপায়ে আয় করা সম্ভব হয়। অনেক ক্রিয়েটর এই পর্যায়েই ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। ব্র্যান্ড প্রচারের জন্য রিল তৈরি করা, বিভিন্ন পণ্যের প্রচারের মাধ্যমে কমিশন পাওয়া কিংবা নিজের তৈরি ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করা এসবই হতে পারে আয়ের পথ। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেমন অ্যামাজন বা দারাজের পণ্য প্রচার করে কমিশন আয় করা যায়। এছাড়া অনেক ব্র্যান্ড
ক্রিয়েটরদের দিয়ে তাদের পণ্যের জন্য ভিডিও বানায়। এ ধরনের ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট তৈরি করেও ভালো পারিশ্রমিক পাওয়া সম্ভব। অ্যানালিটিক্স দেখে কনটেন্ট উন্নত করুন কোন ভিডিও বেশি মানুষ দেখছে বা শেয়ার করছে, তা বিশ্লেষণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইনস্টাগ্রামের ইনসাইটস ব্যবহার করে সহজেই বোঝা যায় কোন ধরনের কনটেন্ট দর্শকের কাছে বেশি জনপ্রিয়। সেই তথ্য অনুযায়ী নতুন কনটেন্ট তৈরি করলে দ্রুত উন্নতি করা যায়।



