ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ক্রুড অয়েলের সংকটে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ঘাটতি তীব্র হওয়ায় দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমান মজুদ দিয়ে আর মাত্র এক সপ্তাহের মতো পরিশোধন কার্যক্রম চালানো সম্ভব বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১শে মার্চ) সকাল পর্যন্ত ইআরএলে অপরিশোধিত তেলের মজুদ ছিল প্রায় ২৩ হাজার টন। প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ৭০০ টন তেল পরিশোধন করা হচ্ছে।
সে হিসাবে, আগামী ৬ই এপ্রিল পর্যন্ত কার্যক্রম চালানো গেলেও ৭ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ইআরএলে মোট আটটি সংরক্ষণ ট্যাংকের মধ্যে দুটি বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণে রয়েছে। বাকি ছয়টি ট্যাংকেই সীমিত পরিমাণ তেল মজুদ আছে।
মজুদ কমে যাওয়ায় স্বাভাবিক উৎপাদনও কমিয়ে আনা হয়েছে। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নতুন করে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ একটি জাহাজে করে দেশে ক্রুড অয়েল আসে। এরপর থেকে আর কোনো জাহাজ পৌঁছাতে পারেনি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, তিনটি জাহাজ এখনো পথে বা লোডিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে একটি সুপার ট্যাংকার সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে প্রায় এক লাখ টন তেল নিয়ে অপেক্ষায় আছে মার্চের শুরু থেকে। আরেকটি জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে তেল বোঝাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকেও একটি জাহাজ ছাড়ার কথা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তা স্থগিত
রয়েছে। সাধারণ সময়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছাতে ১২ থেকে ১৫ দিন সময় লাগে। তবে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা জানান, প্রণালিটি বন্ধ থাকায় জ্বালানিবাহী কোনো জাহাজই দেশে ঢুকতে পারছে না। ফলে শুধু বাংলাদেশ নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে, যার ৯২ শতাংশই আমদানি নির্ভর। ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উৎপাদন করে থাকে। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতের রিফাইনারিগুলো সরাসরি ক্রুড অয়েল আমদানি করে
না। তারা মূলত ন্যাফথা ও কনডেনসেট আমদানি করে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে জ্বালানি উৎপাদন করে থাকে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মজুদ কমে যাওয়ায় স্বাভাবিক উৎপাদনও কমিয়ে আনা হয়েছে। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নতুন করে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ একটি জাহাজে করে দেশে ক্রুড অয়েল আসে। এরপর থেকে আর কোনো জাহাজ পৌঁছাতে পারেনি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, তিনটি জাহাজ এখনো পথে বা লোডিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে একটি সুপার ট্যাংকার সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে প্রায় এক লাখ টন তেল নিয়ে অপেক্ষায় আছে মার্চের শুরু থেকে। আরেকটি জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে তেল বোঝাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকেও একটি জাহাজ ছাড়ার কথা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তা স্থগিত
রয়েছে। সাধারণ সময়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছাতে ১২ থেকে ১৫ দিন সময় লাগে। তবে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা জানান, প্রণালিটি বন্ধ থাকায় জ্বালানিবাহী কোনো জাহাজই দেশে ঢুকতে পারছে না। ফলে শুধু বাংলাদেশ নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে, যার ৯২ শতাংশই আমদানি নির্ভর। ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উৎপাদন করে থাকে। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতের রিফাইনারিগুলো সরাসরি ক্রুড অয়েল আমদানি করে
না। তারা মূলত ন্যাফথা ও কনডেনসেট আমদানি করে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে জ্বালানি উৎপাদন করে থাকে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।



