ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
তীব্র জ্বালানি সংকটে কিউবায় রুশ তেলবাহী ট্যাংকারের আগমন
দীর্ঘ তিন মাস পর অবশেষে একটি রাশিয়ার পতাকাবাহী তেলবাহী ট্যাংকার কিউবায় পৌঁছেছে, যা দেশটির চলমান তীব্র জ্বালানি সংকট কিছুটা লাঘব করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রায় ৭ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে আসা জাহাজটি মাতানসাস উপসাগরে নোঙর করেছে, যা কিউবার বৃহত্তম জ্বালানি সংরক্ষণ ও সুপারট্যাংকার বন্দর হিসেবে পরিচিত।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধ চলমান থাকলেও মানবিক কারণে এই ট্যাংকারটিকে কিউবায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। জাহাজটি রবিবার কিউবার জলসীমায় প্রবেশ করে এবং মঙ্গলবার ভোরে বন্দরে পৌঁছায়।
ট্যাংকারটি পৌঁছানোর সময় কিউবার বেশিরভাগ অঞ্চল বিদ্যুৎবিহীন ছিল, যা দেশটির গভীর জ্বালানি সংকটের চিত্র তুলে ধরে। প্রায় এক কোটি জনসংখ্যার এই দেশে গত তিন মাস
ধরে কোনো তেলবাহী জাহাজ না আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর ফলে হাসপাতাল, গণপরিবহন এবং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল আগেই সতর্ক করেছিলেন যে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রুশ ট্যাংকারটির আগমনকে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির জ্বালানি ও খনি মন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও লেভি রাশিয়া সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, জটিল জ্বালানি পরিস্থিতির মধ্যে এই সহায়তা অত্যন্ত মূল্যবান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তেল থেকে প্রায় এক লাখ আশি হাজার ব্যারেল ডিজেল উৎপাদন করা সম্ভব, যা কিউবার প্রায় নয় থেকে দশ দিনের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।
তবে ট্যাংকারে আনা অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। কিউবা তার মোট জ্বালানির চাহিদার মাত্র প্রায় চল্লিশ শতাংশ নিজে উৎপাদন করতে পারে এবং বাকি অংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। আগে ভেনেজুয়েলা থেকে অধিকাংশ তেল সরবরাহ পেলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সেই সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে সংকট আরও তীব্র হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চালান সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে কিউবার জ্বালানি সংকট কাটাতে আরও স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।
ধরে কোনো তেলবাহী জাহাজ না আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর ফলে হাসপাতাল, গণপরিবহন এবং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল আগেই সতর্ক করেছিলেন যে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রুশ ট্যাংকারটির আগমনকে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির জ্বালানি ও খনি মন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও লেভি রাশিয়া সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, জটিল জ্বালানি পরিস্থিতির মধ্যে এই সহায়তা অত্যন্ত মূল্যবান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তেল থেকে প্রায় এক লাখ আশি হাজার ব্যারেল ডিজেল উৎপাদন করা সম্ভব, যা কিউবার প্রায় নয় থেকে দশ দিনের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।
তবে ট্যাংকারে আনা অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। কিউবা তার মোট জ্বালানির চাহিদার মাত্র প্রায় চল্লিশ শতাংশ নিজে উৎপাদন করতে পারে এবং বাকি অংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। আগে ভেনেজুয়েলা থেকে অধিকাংশ তেল সরবরাহ পেলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সেই সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে সংকট আরও তীব্র হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চালান সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে কিউবার জ্বালানি সংকট কাটাতে আরও স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।



