আগুনের খেলা আর ঐতিহ্যের মায়া: হ্যপিং প্রাচীন শহরের এক রঙিন উপাখ্যান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ মার্চ, ২০২৬

আগুনের খেলা আর ঐতিহ্যের মায়া: হ্যপিং প্রাচীন শহরের এক রঙিন উপাখ্যান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ মার্চ, ২০২৬ |
ইতিহাসের ধুলোমাখা পথ আর প্রাচীন ঐতিহ্যের জাদুঘর হলো চীনের ফুচিয়ান প্রদেশের হ্যপিং প্রাচীন শহর। বসন্ত উৎসব বা স্প্রিং ফেস্টিভ্যালের ছুটিতে এই শহরটি যেন এক রূপকথার রাজ্যে পরিণত হয়। শহরের দক্ষিণ তোরণের ওপর থেকে যখন লাল খাম আর সৌভাগ্যের প্রতীক ঝরনার মতো ঝরে পড়ে, তখন শত শত পর্যটকের ভিড় আর উল্লাস জানান দেয়—এখানে আনন্দ কেবল উৎসব নয়, এ এক আশীর্বাদ। দিনের আলোয় এই শহরের পাথুরে অলিগলিতে যখন ড্রাগন নাচ আর ‘ভাগ্যের দেবতা’র শোভাযাত্রা চলে, তখন পর্যটকরা হারিয়ে যান প্রাচীন কোনো যুগে। স্থানীয় অপেরা হাউসে হাসির নাটক কিংবা লোকজ পারফরম্যান্স আধুনিক দর্শকদেরও মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে। তবে হ্যপিংয়ের আসল জাদু শুরু হয় সূর্য ডোবার

পর। ঘুটঘুটে অন্ধকারে যখন আগুনের স্ফুলিঙ্গ নিয়ে শিল্পীরা ‘ফায়ার পট’ নৃত্য শুরু করেন, তখন আগুনের সেই চক্রাকার শিখা রাতের আকাশকে এক অপার্থিব সৌন্দর্যে ভরিয়ে দেয়। আগুনের তীব্রতা আর পারফর্মারদের নিপুণ দক্ষতা দেখে পর্যটকদের করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো চত্বর। হ্যপিংয়ের আকর্ষণ কেবল এই চোখধাঁধানো উৎসবেই সীমাবদ্ধ নয়, এর আনাচে কানাচে লুকিয়ে আছে শত বছরের স্বাদ। প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এক পারিবারিক দোকানে আজও তৈরি হয় ঐতিহ্যবাহী ‘ইউচিয়াং’ তফু। কোনো আধুনিক রাসায়নিক ছাড়াই আট প্রজন্ম ধরে চলে আসা গোপন পদ্ধতিতে তৈরি এই টফু চেখে দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা ভিড় জমান। দোকানের মালিকের কাছে এটি কেবল ব্যবসা নয়, বংশপরম্পরায় টিকে থাকা

এক পরম ঐতিহ্য। হাজারো প্রদীপের আলো আর বনফায়ারের চারধারে পর্যটকদের স্বতঃস্ফূর্ত নাচ হ্যপিংকে এক ‘জীবন্ত প্রাচীন শহর’ হিসেবে ফুটিয়ে তোলে। এখানে একদিকে যেমন ইতিহাসের গভীরতা আছে, অন্যদিকে আছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উষ্ণতা। প্রবীণরা যেখানে ঐতিহ্যের ছোঁয়া খুঁজে পান, তরুণরা সেখানে খুঁজে পান রোমাঞ্চ আর নতুনত্বের স্বাদ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে ৪০তম ফোবানার ২য টাউন হল সভা অনুষ্ঠিত গুলি করে, কুপিয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই: জামায়াত এমপির ভাগ্নে সাব্বির কারাগারে ২০২৪-এ পূর্ব নির্ধারিত হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন আয়োজনে সদিচ্ছার অভাবেই হাজারো শিশুমৃত্যু! পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায় জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিদ্যুতের সাশ্রয়ী স্ল্যাব থাকছে না, কিনতে হবে উচ্চমূল্যে ইউরোপের বাজারে চাহিদা কমছে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের, গার্মেন্টস খাতে বড় ধাক্কা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটঃ আসন্ন বাজেটে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অগ্রিম আয়করের প্রস্তাব মন্ট্রিয়লে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত, গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের অংশগ্রহণ আত্মঘাতী গোলে রোনালদোর শিরোপার অপেক্ষা বাড়ল ‘গোলামী’ চুক্তি আর গোলামের চুক্তি নাগরিকত্ব-পাসপোর্ট আর নিরাপত্তার আশায় ১৬ মাসে দেশে ঢুকেছে আরও দেড় লাখ রোহিঙ্গা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের গভীর শোক প্রকাশ গাঁজা সেবন না করলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হওয়া যায় না: রাশেদ খাঁন আগামী বছর এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় জানালো মন্ত্রণালয় কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করলো সরকার রণক্ষেত্র সুনামগঞ্জ, নিহত বিএনপি কর্মী–আহত ৪০ নির্বাচনের পর বিধানসভাতেও থালাপতি ম্যাজিক, বিরোধী শিবিরে ভাঙন ইরানে ৯ বার ভূমিকম্প! নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে ‘গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২