ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে
ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের
পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’
প্রেমের ফাঁদে ফেলে পর্নোগ্রাফি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল: চট্টগ্রামে শিবির নেতা গ্রেপ্তার
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
‘আওয়ামী লীগ হারিয়ে যাওয়ার নয়, ৫০ গুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরবে’: ড. কার্জন
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার আইনি পদক্ষেপকে ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যায়িত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি হারিয়ে যাওয়ার নয়, তারা আরও দশ থেকে পঞ্চাশ গুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবে।
‘মানচিত্র’ নামের একটি টেলিভিশন টকশোতে সমসাময়িক রাজনীতি ও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না।
টকশোতে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও দল নিষিদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ড. কার্জন। তিনি বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশেই নির্বাহী আদেশে কিংবা আইন করে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার এমন নজির নেই। যে
দলটি অন্তত ৪০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, তাদের এভাবে নিষিদ্ধ করা যায় না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়; এর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক শেকড় রয়েছে। চাইলেই একে সহজে উপড়ে ফেলা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের এই প্রবণতা দেশের ভবিষ্যতের জন্য গভীর সংকট ডেকে আনবে বলে মনে করেন আইন বিভাগের এই অধ্যাপক। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যে মানদণ্ডের ভিত্তিতে আজ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ভবিষ্যতে সরকার পতনের পর সেই একই আইনের ভিত্তিতে অন্য সরকারি দলগুলোকেও নিষিদ্ধ করার ন্যায্যতা তৈরি হবে। ফলে দেশ ‘নিষিদ্ধ আর প্রতিহিংসার চক্রেই’ ঘুরপাক খেতে থাকবে। আদালতে দল নিষিদ্ধের এই আইন টিকবে কি না—সঞ্চালকের এমন
প্রশ্নের জবাবে ড. কার্জন বলেন, সংবিধান হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। এই সর্বোচ্চ আইনে যে মৌলিক অধিকার বা মানবাধিকারের কথা বলা হয়েছে, সেটার সঙ্গে অন্য কোনো আইন সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল হয়ে যায়। এই আইনটি যদি কেউ উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করেন, তবে তা টিকবে না বলেই তিনি মনে করেন। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে অধ্যাপক কার্জন বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর অতীত সরকারগুলোর মতো উদ্ধত ও আবেগতাড়িত সিদ্ধান্ত নিলে তা শেষ পর্যন্ত নিজেদের জন্যই আত্মঘাতী হয়। বর্তমান সরকারের কাছে এমন অবিমৃষ্যকারী সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিত ছিল না। দেশের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে ড. কার্জন বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে গভীর বিপদের মধ্যে আছে। কার্যত এটি
একটি উপনিবেশ বা ‘কলোনি’ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। জিওপলিটিকসের নিয়ন্ত্রকেরা সব সময় এমন একটা সরকারই চাইবে, যারা তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করবে।’ দেশের এই নাজুক পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা যে দেশপ্রেম নিয়ে সরকার পরিচালনা করেছিলেন, সেটি মূল্যায়ন করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলটি অন্তত ৪০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, তাদের এভাবে নিষিদ্ধ করা যায় না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়; এর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক শেকড় রয়েছে। চাইলেই একে সহজে উপড়ে ফেলা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের এই প্রবণতা দেশের ভবিষ্যতের জন্য গভীর সংকট ডেকে আনবে বলে মনে করেন আইন বিভাগের এই অধ্যাপক। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যে মানদণ্ডের ভিত্তিতে আজ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ভবিষ্যতে সরকার পতনের পর সেই একই আইনের ভিত্তিতে অন্য সরকারি দলগুলোকেও নিষিদ্ধ করার ন্যায্যতা তৈরি হবে। ফলে দেশ ‘নিষিদ্ধ আর প্রতিহিংসার চক্রেই’ ঘুরপাক খেতে থাকবে। আদালতে দল নিষিদ্ধের এই আইন টিকবে কি না—সঞ্চালকের এমন
প্রশ্নের জবাবে ড. কার্জন বলেন, সংবিধান হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। এই সর্বোচ্চ আইনে যে মৌলিক অধিকার বা মানবাধিকারের কথা বলা হয়েছে, সেটার সঙ্গে অন্য কোনো আইন সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল হয়ে যায়। এই আইনটি যদি কেউ উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করেন, তবে তা টিকবে না বলেই তিনি মনে করেন। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে অধ্যাপক কার্জন বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর অতীত সরকারগুলোর মতো উদ্ধত ও আবেগতাড়িত সিদ্ধান্ত নিলে তা শেষ পর্যন্ত নিজেদের জন্যই আত্মঘাতী হয়। বর্তমান সরকারের কাছে এমন অবিমৃষ্যকারী সিদ্ধান্ত প্রত্যাশিত ছিল না। দেশের বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে ড. কার্জন বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে গভীর বিপদের মধ্যে আছে। কার্যত এটি
একটি উপনিবেশ বা ‘কলোনি’ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। জিওপলিটিকসের নিয়ন্ত্রকেরা সব সময় এমন একটা সরকারই চাইবে, যারা তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করবে।’ দেশের এই নাজুক পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা যে দেশপ্রেম নিয়ে সরকার পরিচালনা করেছিলেন, সেটি মূল্যায়ন করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।



