আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের অধ্যাদেশ নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সতর্কবার্তা: বিএনপি সরকারকে ৩০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে

‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’

হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা

ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়

বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী

বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স-২০২৬ কি আদৌ মুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক সংবাদ মাধ্যমের পক্ষে?

‘সক্ষমতা বাড়াতে’ দরপত্র ছাড়াই র‌্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি সরাসরি ক্রয়ের অনুমোদন

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের অধ্যাদেশ নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সতর্কবার্তা: বিএনপি সরকারকে ৩০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার পুত্র এবং আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টায় তার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি বিস্তারিত পোস্ট করে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের সঙ্গে জড়িত অ্যান্টি-টেররিজম (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর বৈধতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি নতুন বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারকে সাংবিধানিকভাবে ৩০ দিনের মধ্যে এই অধ্যাদেশকে অনুমোদন বা ল্যাপস করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জয়ের পোস্টে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য অ্যান্টি-টেররিজম অ্যাক্ট, ২০০৯-এ সংশোধনী এনে রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা অর্জন করে এবং তার ভিত্তিতে এস.আর.ও. ১৩৭এইন/২০২৫ প্রকাশ করে। সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, নতুন সরকারকে সংসদের

প্রথম অধিবেশনে এই অধ্যাদেশ উত্থাপন করতে হবে। উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে বৈধকরণ আইন পাস না হলে অধ্যাদেশের কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকার এই অধ্যাদেশকে অনুমোদন করে তাহলে এটি অন্তর্বর্তী সরকারের অ্যান্টি-টেররিজম আইনের অপব্যবহারকে সমর্থন করবে, যা গণতন্ত্রকে ক্ষুণ্ণ করবে এবং আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার পথ প্রশস্ত করবে। এতে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণের অসাধারণ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়ে যাবে। অন্যদিকে, যদি নবগঠিত সরকার অধ্যাদেশকে অনুমোদন না করে তাহলে এটি অন্তর্বর্তী সরকারের শত্রুতাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দূরে সরে আসার ইতিবাচক পদক্ষেপ হবে এবং অধিকার-সম্মত, সংকীর্ণ অ্যান্টি-টেররিজম ফ্রেমওয়ার্ক পুনরুদ্ধার করবে। জয়ের মতে, বহুদলীয়

প্রতিযোগিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের স্থান পুনরুদ্ধারের জন্য বিএনপিকে অধ্যাদেশকে সংসদে অনুমোদন না দিয়ে ৩০ দিন পর ল্যাপস হতে দেওয়া উচিত। এই পোস্টটি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের পর নতুন সরকারের অবস্থান নিয়ে। আওয়ামী লীগের সমর্থকরা এটিকে গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান হিসেবে দেখছেন, যখন অন্যরা এটিকে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা বলে মনে করছেন।আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে জানানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ সালিশে বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে চারশ পেরিয়ে অলআউট বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ‘যথাসময়ে’ জবাব দেবে ইরান ৫ মন্ত্রী নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে যাত্রা শুরু শুভেন্দু সরকারের সন্তানের বকেয়া শোধ না করলে পাসপোর্ট বাতিল চার মাস পর্যন্ত অবরোধে টিকে থাকতে পারে ইরান, সিআইএ রিপোর্টে নতুন তথ্য মমতার বিশ্বস্ত সহকর্মী থেকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী, যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বেগুনি শাড়িতে রাজকীয় সাজে মেহজাবীন স্কুল-কলেজের চেয়ে বেশি ঈদের ছুটি মাদরাসায় আর পুরোপুরি গোপনীয় থাকছে না এআই-আড্ডা শেরপুরে ১১ বছরের শিশু-কে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগঃ মরদেহ টয়লেট থেকে উদ্ধার, অভিযুক্ত পলাতক ‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’ হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায় বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী