আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৪:০১ অপরাহ্ণ

আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়: সজীব ওয়াজেদ জয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৪:০১ 49 ভিউ
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনকে ‘সাজানো’ ও ‘গণতন্ত্রহীন’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করলেও, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ ও তৃণমূলের টিকে থাকার সক্ষমতা নিয়ে অবিচল আস্থা প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছেন, দেশের স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়। বরং দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ ভোট না দিয়ে প্রমাণ করেছেন, তারা এখনো আওয়ামী লীগের ওপরই আস্থা রাখেন। ভোট বর্জনই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন নির্বাচন কমিশনের দাবিকৃত ‘সুষ্ঠু নির্বাচন’কে চ্যালেঞ্জ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, রাতের অন্ধকারে ভোটকেন্দ্র দখল এবং বিরোধী দলবিহীন এই নির্বাচন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তাঁর

মতে, দেশের একটি বিশাল অংশ—অর্ধেকের বেশি ভোটার—ভোটকেন্দ্রে যাননি। এই নীরবতাই প্রমাণ করে যে, সাধারণ জনগণ বর্তমান প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখছেন না এবং তারা মূলত আওয়ামী লীগের সমর্থক। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ফেরার প্রশ্ন নয়, আওয়ামী লীগ দেশেই আছে।” উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার ১৬ বছর: এক অনন্য রেকর্ড সজীব ওয়াজেদ জয় গত দেড় বছরের অস্থিরতা, অর্থনৈতিক মন্দা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির বিপরীতে আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬-১৭ বছরের শাসনামলকে বাংলাদেশের ইতিহাসের ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, উন্নয়ন, শৃঙ্খলা এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হয়েছিল—তা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো হয়নি।” তিনি বিশ্বাস করেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতের

যেকোনো সরকারই আসুক না কেন, আওয়ামী লীগের এই উন্নয়নের রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে না এবং সাধারণ মানুষ সেই স্থিতিশীল সময়ের অভাব বোধ করবে। তৃণমূলের লড়াকু মানসিকতা ও দলের ঐক্য দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই বিদেশে অবস্থান করলেও তৃণমূল কর্মীরা যে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন, সাংবাদিকের এমন পর্যবেক্ষণের সঙ্গে একমত পোষণ করেন জয়। তিনি বলেন, হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার, হত্যা ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার মতো চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও দলের প্রতি অনুগত রয়েছেন। এই চরম প্রতিকূলতাই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি কতটা মজবুত। তিনি জানান, গ্রেফতার ও নির্যাতন সত্ত্বেও দল ঐক্যবদ্ধ আছে এবং এই সংকটকাল তাদের আরও শক্তিশালী করবে। দ্বিমুখী ন্যায়বিচারের প্রতিবাদ ও নৈতিক

অবস্থান জুলাই পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন জয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে আওয়ামী লীগের শত শত কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে এবং হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) দেওয়া হয়েছে, সেখানে একপাক্ষিক ক্ষমা চাওয়ার দাবি কতটা যৌক্তিক? তিনি একটি জুডিশিয়াল কমিটির মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার না করে উল্টো ক্ষমা চাওয়ার দাবিকে ‘দ্বিমুখী আচরণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়, দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নিজের বা পরিবারের সদস্যদের সরাসরি অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি কোনো ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখাননি। বরং তিনি বিষয়টিকে দলের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল। নেতৃত্ব

কে দেবে, সেটা দলই নির্ধারণ করবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজেকে ক্ষমতার লোভ থেকে ঊর্ধ্বে রেখে একজন পরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই সাক্ষাৎকারটি দলের নেতাকর্মীদের জন্য এক বিশাল মনোবল হিসেবে কাজ করবে। চরম বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি যেভাবে দলের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড এবং তৃণমূলের ত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন, তা প্রমাণ করে যে—ক্ষমতায় না থাকলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এখনো এক অপরিহার্য ও প্রবল শক্তি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্রুকলিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিল্প ভবন ধস কুইন্সে নারীর বিচ্ছিন্ন দেহ উদ্ধার, স্বামীকে গ্রেপ্তার টাইটানিকের রোমান্টিক দৃশ্যের আদলে ট্রাম্প-এপস্টিনের ভাস্কর্য ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইউনূসের পাকিস্তানপ্রেমের খেসারত, নিরাপত্তা সংকটে দক্ষিণ এশিয়া: স্পেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা চার মামলায় জামিন হলেও মুক্তি মিলছে না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির! ১১ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে অচল হয়েছিল পাকিস্তানি শাসনযন্ত্র সার্কাসে পরিণত হয়েছে ইউনূসের বানানো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যে প্রকল্পকে বলা হয়েছিল ‘দেশ বিক্রি’, সেই পাইপলাইনই আজ জ্বালানির শক্ত ভিত্তি বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দানবীয় হয়ে ওঠে পুলিশ তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট ভারত থেকে আসা ৫ হাজার টন ডিজেল খালাস শেষ হচ্ছে বুধবার হঠাৎ রডের মূল্যবৃদ্ধি কার স্বার্থে? একদিনেই টনপ্রতি বাড়ল ১০ হাজার টাকা ইরানে ফিরতে চান না নারী ফুটবলাররা, নতুন ২ জনসহ সাতজনের আশ্রয় অস্ট্রেলিয়ায় বুলবুলের কমিটি ভেঙে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু অতিমাত্রায় ‘তেলবাজি’, জয়নুল আবদিন ফারুককে সতর্ক করল বিএনপি পাতাল রেল হচ্ছে না আগামী ৫ বছরেও, আটকে গেছে প্রকল্প সহকর্মীদের আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অগ্রণী ব্যাংকের ৪৩ কোটি টাকা হাপিশ, অভিযুক্ত পগার পার দুবাইতে