ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
আইনশৃঙ্খলার অজুহাতে আবহমান বাংলার সংস্কৃতির ওপর পরিকল্পিত আঘাত—ফরিদপুরে বন্ধ ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব!
শেষ মুহূর্তের প্রশাসনিক নির্দেশে ফরিদপুরের শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এটি কোনো সাধারণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়—বরং অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সেই সাংস্কৃতিক দমননীতিরই বহিঃপ্রকাশ, যার লক্ষ্য সারাদেশে তথাকথিত “জামাতি আইন” কায়েম করে আবহমান বাংলার সংস্কৃতিকে ধ্বংস করা।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ফরিদপুর জেলা প্রশাসন শেষ মুহূর্তে উৎসব স্থগিত করে। রঙিন ঘুড়িতে আকাশ ভরানোর বদলে আজ ফরিদপুরবাসীর ভাগ্যে জুটেছে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা আর দমন-পীড়নের অন্ধকার।
শুক্রবার রাতে জেলা স্কুলের অনুষ্ঠানে একটি কনসার্টকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে এই উৎসব বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—একটি
সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক উৎসব কি রাষ্ট্রের জন্য হুমকি? নাকি সংস্কৃতি বিরোধী শক্তির চোখে ঘুড়ি উৎসবই অপরাধ? ফরিদপুরের ঘুড়ি উৎসব কোনো বিচ্ছিন্ন আয়োজন নয়—এটি বাংলার সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক। এই উৎসব বন্ধ মানে শুধু একটি অনুষ্ঠান বাতিল নয়; এটি সংস্কৃতির ওপর সরাসরি আঘাত, জনগণের আনন্দ ও স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। প্রশ্ন একটাই— এই দেশ কি সংস্কৃতির, না কি জামাতি নিষেধাজ্ঞার?
সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক উৎসব কি রাষ্ট্রের জন্য হুমকি? নাকি সংস্কৃতি বিরোধী শক্তির চোখে ঘুড়ি উৎসবই অপরাধ? ফরিদপুরের ঘুড়ি উৎসব কোনো বিচ্ছিন্ন আয়োজন নয়—এটি বাংলার সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের প্রতীক। এই উৎসব বন্ধ মানে শুধু একটি অনুষ্ঠান বাতিল নয়; এটি সংস্কৃতির ওপর সরাসরি আঘাত, জনগণের আনন্দ ও স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। প্রশ্ন একটাই— এই দেশ কি সংস্কৃতির, না কি জামাতি নিষেধাজ্ঞার?



