ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নাহিদ ও মোস্তাফিজকে এবার আর পিএসএলে যেতে দেবে না বিসিবি
টানা তিন সিরিজ জয়ের পর যা বললেন মিরাজ
শান্ত-লিটন জুটিতে বাংলাদেশের লড়াকু সংগ্রহ
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেল ব্রাজিল, নতুন সেনসেশনের খেলা নিয়ে শঙ্কা
বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরল শ্রীলংকা
একটি ছাড়া সবই ১৪০ কিমি গতির বল করেছেন নাহিদ রানা
শরীফুলের স্পেলই নাকি কিউইদের মিরপুর জয়ের পথ দেখিয়েছে!
অসামান্য প্রতিভা দিয়ে বিশ্বকাপ মাতাতে পারেন ফ্রান্সের অলিসে
আধুনিক ফুটবল যখন ছকবাঁধা কৌশল আর রোবোটিক ডিসিপ্লিনের ঘেরাটোপে বন্দি, ঠিক তখনই একজন ফুটবলার দর্শকদের মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে ফুটবল আসলে পায়ের জাদুকরী শিল্পের নাম। তিনি মাইকেল অলিসে। আসন্ন বিশ্বকাপে ফ্রান্সের নীল জার্সিতে এই তরুণ হতে পারেন এমন এক ‘এক্স-ফ্যাক্টর’, যিনি একাই বদলে দিতে পারেন ম্যাচের মোড়।
কেন তিনি অনন্য?
ফুটবল বিশ্বে যখন পেপ গার্দিওলার মতো কোচদের প্রভাবে প্রতিটি মুভমেন্টকে গাণিতিক সমীকরণে মাপা হচ্ছে, সেখানে অলিসে এক পশলা টাটকা বাতাস। বর্তমান প্রজন্মের অধিকাংশ ফুটবলার যখন নিরাপদ পাস কিংবা পজিশন ধরে রাখতেই ব্যস্ত, অলিসে তখন প্রতিপক্ষকে ডribbling-এর আমন্ত্রণ জানান। তার খেলা কোনো নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা নয়; বরং তিনি খেলেন নিজের সহজাত প্রবৃত্তি দিয়ে।
**মাঠে
তার বিশেষত্বগুলো হলো:** * **ছন্দের বৈচিত্র্য:** তিনি হুটহাট গতি কমান বা বাড়ান, যা রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের বিভ্রান্ত করে দেয়। * **ব্যক্তিগত সৃজনশীলতা:** সিস্টেমের চেয়েও তিনি বেশি গুরুত্ব দেন ব্যক্তিগত উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে। * **বিপজ্জনক ফ্রি-কিক:** ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবা রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে তার গোলগুলো প্রমাণ করে যে, যেকোনো বড় মঞ্চে তিনি স্নায়ু ধরে রাখতে সক্ষম। ফ্রান্সের স্কোয়াডে অলিসের ভূমিকা দিদিয়ে দেশমের ফ্রান্স দলে প্রতিভার অভাব নেই। কিলিয়ান এমবাপ্পের গতি কিংবা গ্রিজম্যানের বুদ্ধিমত্তার পাশে অলিসে যোগ করতে পারেন সেই ‘ম্যাভেরিক’ বা খামখেয়ালি সৌন্দর্য, যা প্রতিপক্ষের জন্য অনুমান করা অসম্ভব। অধিকাংশ আধুনিক ফুটবলার যেখানে কোচের নির্দেশিত পথে চলেন, অলিসে সেখানে নিজের পরিকল্পনা নিজেই তৈরি করেন। যখন খেলা কোনো কৌশলে আটকে যায়,
তখন অলিসের মতো একজন স্বাধীনচেতা খেলোয়াড়ই পারেন জট খুলতে। তিনি কেবল জায়গা দখল করেন না, বরং সময় ও সুযোগকে নিজের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করেন। সিস্টেম বনাম শৈল্পিকতা ফুটবল বোদ্ধারা মনে করেন, বর্তমানে ইয়ুথ একাডেমিগুলো ভুল কমানোর ওপর জোর দিতে গিয়ে সৃজনশীলতা হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু অলিসে এই ধারার সম্পূর্ণ বিপরীত। তার ফুটবলে এক ধরণের ‘সিনেম্যাটিক’ আবহ আছে। তিনি যখন ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ভেতরে ঢোকেন, তখন গ্যালারিতে বসা দর্শকরা জানে যে বিশেষ কিছু হতে চলেছে। ফুটবল দিনশেষে কেবল পরিসংখ্যানের খেলা নয়; এটি মুহূর্তের খেলা। রোনালদিনহোর আনন্দ কিংবা থিয়েরি অঁরির আভিজাত্য যেমন আজও ভক্তদের মনে গেঁথে আছে, অলিসের মধ্যেও সেই ছোঁয়া পাওয়া যায়। আসন্ন বিশ্বকাপে
ফ্রান্সের হয়ে তিনি কেবল গোল বা অ্যাসিস্ট করবেন না, বরং ফুটবল যে এখনো কল্পনার খেলা হতে পারে—সেই বার্তাই দেবেন।
তার বিশেষত্বগুলো হলো:** * **ছন্দের বৈচিত্র্য:** তিনি হুটহাট গতি কমান বা বাড়ান, যা রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের বিভ্রান্ত করে দেয়। * **ব্যক্তিগত সৃজনশীলতা:** সিস্টেমের চেয়েও তিনি বেশি গুরুত্ব দেন ব্যক্তিগত উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে। * **বিপজ্জনক ফ্রি-কিক:** ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবা রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে তার গোলগুলো প্রমাণ করে যে, যেকোনো বড় মঞ্চে তিনি স্নায়ু ধরে রাখতে সক্ষম। ফ্রান্সের স্কোয়াডে অলিসের ভূমিকা দিদিয়ে দেশমের ফ্রান্স দলে প্রতিভার অভাব নেই। কিলিয়ান এমবাপ্পের গতি কিংবা গ্রিজম্যানের বুদ্ধিমত্তার পাশে অলিসে যোগ করতে পারেন সেই ‘ম্যাভেরিক’ বা খামখেয়ালি সৌন্দর্য, যা প্রতিপক্ষের জন্য অনুমান করা অসম্ভব। অধিকাংশ আধুনিক ফুটবলার যেখানে কোচের নির্দেশিত পথে চলেন, অলিসে সেখানে নিজের পরিকল্পনা নিজেই তৈরি করেন। যখন খেলা কোনো কৌশলে আটকে যায়,
তখন অলিসের মতো একজন স্বাধীনচেতা খেলোয়াড়ই পারেন জট খুলতে। তিনি কেবল জায়গা দখল করেন না, বরং সময় ও সুযোগকে নিজের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করেন। সিস্টেম বনাম শৈল্পিকতা ফুটবল বোদ্ধারা মনে করেন, বর্তমানে ইয়ুথ একাডেমিগুলো ভুল কমানোর ওপর জোর দিতে গিয়ে সৃজনশীলতা হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু অলিসে এই ধারার সম্পূর্ণ বিপরীত। তার ফুটবলে এক ধরণের ‘সিনেম্যাটিক’ আবহ আছে। তিনি যখন ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ভেতরে ঢোকেন, তখন গ্যালারিতে বসা দর্শকরা জানে যে বিশেষ কিছু হতে চলেছে। ফুটবল দিনশেষে কেবল পরিসংখ্যানের খেলা নয়; এটি মুহূর্তের খেলা। রোনালদিনহোর আনন্দ কিংবা থিয়েরি অঁরির আভিজাত্য যেমন আজও ভক্তদের মনে গেঁথে আছে, অলিসের মধ্যেও সেই ছোঁয়া পাওয়া যায়। আসন্ন বিশ্বকাপে
ফ্রান্সের হয়ে তিনি কেবল গোল বা অ্যাসিস্ট করবেন না, বরং ফুটবল যে এখনো কল্পনার খেলা হতে পারে—সেই বার্তাই দেবেন।



