ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘হক’ সিনেমার জন্য কুরআন ও আরবি শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম
সিনেমায় আসা নিয়ে যা বললেন সিয়ামপত্নী
দয়া করে ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে নিজের সময় নষ্ট করবেন না: সুনেরাহ
জেল থেকে বেরিয়ে রিহ্যাবে গেলেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স
বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে নতুন বিতর্কে থালাপতি বিজয়
লন্ডন উৎসবে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে নতুন বিতর্কে থালাপতি বিজয়
অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্য, ৩০ বছরের ‘কিসিং নীতি’ ভাঙা নিয়ে মুখ খুললেন কাজল
বলিউডে প্রায় তিন যুগের কর্মজীবন অভিনেত্রী কাজলের। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে পর্দায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থেকে দূরে থাকার জন্য পরিচিত ছিলেন বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তবে প্রায় তিন দশক ধরে মেনে চলা সেই নীতি থেকে হুট করেই সরে আসেন তিনি। কেন এলেন বিষয়টি নিয়ে এতো দিন চুপই ছিলেন তিনি। এবার তিনি ‘নো-কিসিং’ নীতি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন।
ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ট্রায়াল, পেয়ার কানুন ধোখা’-তে সহঅভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে একটি চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা এবং এর পেছনের কারণ তুলে ধরলেন তিনি।
সম্প্রতি লিলি সিংয়ের পডকাস্টে অংশ নিয়ে কাজল জানান, এটি কোনো হঠাৎ বা অপ্রয়োজনীয় সংযোজন ছিল না। বরং তাঁর চরিত্রের আবেগ,
মানসিক দ্বন্দ্ব এবং গল্পের গতিপ্রকৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এই দৃশ্যটি। কাজলের ভাষায়, ‘এটি শুধুই একটি চুম্বন ছিল না। বরং আমার চরিত্র তখন কী ভাবছিল, কী চাচ্ছিল, আর কী পায়নি–সেসব অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ছিল এটি।’ তিনি আরও বলেন, ‘গল্পের এই অংশটি পুরো চিত্রনাট্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি যদি এই দৃশ্যটি বাদ দিতাম, তাহলে চরিত্রটির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তরই হারিয়ে যেত। তাই এটি রাখা ছাড়া উপায় ছিল না।’ তবে সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না বলেও স্বীকার করেছেন কাজল। দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে সরে আসা নিয়ে শুরুতে তিনি দ্বিধায় ছিলেন। ‘আমি সত্যি বলতে খুব অস্বস্তিতে ছিলাম। ধারণাটি তাত্ত্বিকভাবে ভালো লাগলেও সেটে দাঁড়ানো পর্যন্ত নিশ্চিত ছিলাম না
যে আমি এটি করব কিনা,’ বলেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি পেশাদার সিদ্ধান্ত। চরিত্রের প্রয়োজন এবং গল্পের দাবি বিবেচনায় নিয়েই তিনি দৃশ্যটিতে অভিনয় করার সিদ্ধান্ত নেন। কাজল বলেন, ‘একজন অভিনেত্রী হিসেবে কখনও কখনও এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা হয়তো ব্যক্তিগতভাবে স্বাচ্ছন্দ্যের বাইরে। কিন্তু আমি মনে করেছি, এই মুহূর্তে আমি সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারি।’ ২০২৩ সালে ‘দ্য ট্রায়াল’-এর মাধ্যমে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অভিষেক হয় কাজলের। সিরিজটিতে তিনি ‘নয়োনিকা সেনগুপ্ত’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। যিনি একজন গৃহিণী। যে স্বামীর বিতর্কিত কেলেঙ্কারির পর আবার আইন পেশায় ফিরে আসেন। কোর্টরুম ড্রামা ঘরানার এই সিরিজটি পরিচালনা করেছেন সুপর্ণ ভার্মা । এটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত সিরিজ ‘দ্য গুড ওয়াইফ’-এর
ভারতীয় সংস্করণ। এই সিরিজে কাজলের পাশাপাশি আরও অভিনয় করেছেন আলি খান ও শিবা চাড্ডা। ইতোমধ্যে সিরিজটির দ্বিতীয় সিজনও মুক্তি পেয়েছে, যা বর্তমানে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম জিওহটস্টারে দেখা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে, কভি খুশি কভি গম এবং কুছ কুছ হোতা হ্যায়-এর মতো সুপারহিট সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে কাজল নিজেকে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বলিউডের প্রথম সারি নায়িকাদের একজন তিনি। এখনও অভিনয় নিয়ে ব্যস্ততায় সময় কাটছে তাঁর।
মানসিক দ্বন্দ্ব এবং গল্পের গতিপ্রকৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল এই দৃশ্যটি। কাজলের ভাষায়, ‘এটি শুধুই একটি চুম্বন ছিল না। বরং আমার চরিত্র তখন কী ভাবছিল, কী চাচ্ছিল, আর কী পায়নি–সেসব অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ছিল এটি।’ তিনি আরও বলেন, ‘গল্পের এই অংশটি পুরো চিত্রনাট্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি যদি এই দৃশ্যটি বাদ দিতাম, তাহলে চরিত্রটির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তরই হারিয়ে যেত। তাই এটি রাখা ছাড়া উপায় ছিল না।’ তবে সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না বলেও স্বীকার করেছেন কাজল। দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে সরে আসা নিয়ে শুরুতে তিনি দ্বিধায় ছিলেন। ‘আমি সত্যি বলতে খুব অস্বস্তিতে ছিলাম। ধারণাটি তাত্ত্বিকভাবে ভালো লাগলেও সেটে দাঁড়ানো পর্যন্ত নিশ্চিত ছিলাম না
যে আমি এটি করব কিনা,’ বলেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি পেশাদার সিদ্ধান্ত। চরিত্রের প্রয়োজন এবং গল্পের দাবি বিবেচনায় নিয়েই তিনি দৃশ্যটিতে অভিনয় করার সিদ্ধান্ত নেন। কাজল বলেন, ‘একজন অভিনেত্রী হিসেবে কখনও কখনও এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, যা হয়তো ব্যক্তিগতভাবে স্বাচ্ছন্দ্যের বাইরে। কিন্তু আমি মনে করেছি, এই মুহূর্তে আমি সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারি।’ ২০২৩ সালে ‘দ্য ট্রায়াল’-এর মাধ্যমে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অভিষেক হয় কাজলের। সিরিজটিতে তিনি ‘নয়োনিকা সেনগুপ্ত’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। যিনি একজন গৃহিণী। যে স্বামীর বিতর্কিত কেলেঙ্কারির পর আবার আইন পেশায় ফিরে আসেন। কোর্টরুম ড্রামা ঘরানার এই সিরিজটি পরিচালনা করেছেন সুপর্ণ ভার্মা । এটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত সিরিজ ‘দ্য গুড ওয়াইফ’-এর
ভারতীয় সংস্করণ। এই সিরিজে কাজলের পাশাপাশি আরও অভিনয় করেছেন আলি খান ও শিবা চাড্ডা। ইতোমধ্যে সিরিজটির দ্বিতীয় সিজনও মুক্তি পেয়েছে, যা বর্তমানে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম জিওহটস্টারে দেখা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে, কভি খুশি কভি গম এবং কুছ কুছ হোতা হ্যায়-এর মতো সুপারহিট সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে কাজল নিজেকে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বলিউডের প্রথম সারি নায়িকাদের একজন তিনি। এখনও অভিনয় নিয়ে ব্যস্ততায় সময় কাটছে তাঁর।



