ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১২ দিন পার হলেও মেলেনি হদিস: বাঁশখালীতে একই মাদ্রাসার দুই ছাত্রের অন্তর্ধান নিয়ে জনমনে আতঙ্ক
বিভিন্ন জেলায় বন্ধ থাকা বিমানবন্দর নিয়ে সুখবর
বিএনপি সন্ত্রাসীর হাজার কোটির চাঁদা ও দখল মিশন
নরসিংদীর রায়পুরায় মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা প্রধান গ্রেপ্তার
রাজধানীর নিউ মার্কেটের বটতলায় গুলিতে যুবক নিহত
মাইকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে পিটুনি
কুড়িগ্রামে তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক বন্ধ
সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!
কক্সবাজারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে লায়লা নামের এক তরুণী অভিযোগ করেছেন, সমন্বয়ক পরিচয়ে পরিচিত জিনিয়া নামের এক নেত্রী তাঁকে প্রতারণার মাধ্যমে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে যেতেন এবং সেখানে তাঁকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হতো।
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে তরুণী দাবি করেন, জিনিয়া তাঁকে কৌশলে কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের কাছে পাঠাতেন। তরুণীর অভিযোগ, এর আগে তাঁকে জোরপূর্বক নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে অস্বাভাবিক অবস্থায় রাখা হতো। তাঁর দাবি, এই চক্রের সঙ্গে তাঁর নিজের স্বামীও জড়িত ছিলেন। তরুণীর ভাষ্যমতে, রাতে তাঁকে এমন অবস্থায় রাখা হতো যে সকালে ঘুম
থেকে ওঠার পর তিনি বুঝতে পারতেন তাঁর অজান্তেই অনেক কিছু ঘটে গেছে এবং তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর কক্সবাজারের সাংবাদিক মহল, রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। মাদক কারবারির সঙ্গে কেনাকাটার আরেকটি ভিডিও ঘিরে বিতর্ক এদিকে, বিতর্কিত এনসিপি নেত্রী জিনিয়াকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টেকনাফের তালিকাভুক্ত আলোচিত মাদক কারবারি শাহ আজমের সঙ্গে তিনি চট্টগ্রামের একটি শপিং মলে কেনাকাটা করছেন। ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, ওই মাদক কারবারির ব্যাংক কার্ড ব্যবহার
করেই কেনাকাটা করেন জিনিয়া। শপিং শেষে তাঁদের দুজনকে একটি বিলাসবহুল গাড়িতে করে চলে যেতে দেখা যায়। জানা গেছে, টেকনাফের এই আলোচিত মাদক কারবারি শাহ আজম কিছু দিন আগে ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। গুরুতর এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জিনিয়া, পুলিশ কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ বা সংশ্লিষ্ট অন্যদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের তদন্ত বা ব্যাখ্যার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
থেকে ওঠার পর তিনি বুঝতে পারতেন তাঁর অজান্তেই অনেক কিছু ঘটে গেছে এবং তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর কক্সবাজারের সাংবাদিক মহল, রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। মাদক কারবারির সঙ্গে কেনাকাটার আরেকটি ভিডিও ঘিরে বিতর্ক এদিকে, বিতর্কিত এনসিপি নেত্রী জিনিয়াকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টেকনাফের তালিকাভুক্ত আলোচিত মাদক কারবারি শাহ আজমের সঙ্গে তিনি চট্টগ্রামের একটি শপিং মলে কেনাকাটা করছেন। ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, ওই মাদক কারবারির ব্যাংক কার্ড ব্যবহার
করেই কেনাকাটা করেন জিনিয়া। শপিং শেষে তাঁদের দুজনকে একটি বিলাসবহুল গাড়িতে করে চলে যেতে দেখা যায়। জানা গেছে, টেকনাফের এই আলোচিত মাদক কারবারি শাহ আজম কিছু দিন আগে ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। গুরুতর এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জিনিয়া, পুলিশ কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ বা সংশ্লিষ্ট অন্যদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের তদন্ত বা ব্যাখ্যার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।



