ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উচ্চসুদে বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠী থেকে ১.৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার
অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা ও বাজেট সহায়তার জন্য সরকার ৪-৬ শতাংশ পর্যন্ত উচ্চ সুদের হারে এবং অতিরিক্ত কঠিন শর্তে প্রায় ১.৬ বিলিয়ন ডলার নন-কনসেশনাল (অনমনীয়) বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই ঋণের একটি বড় অংশ (প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার) সরাসরি বাজেট সহায়তা হিসেবে ব্যবহার করা হবে, যা মূলত গত অর্থবছরের রাজস্ব আয়ের ঘাটতি পূরণ এবং সরকারের নির্বাহী ও চলতি খরচ মেটাতে ব্যয় হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে মোট ১.৯ বিলিয়ন ডলারের পাঁচটি ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১.৬ বিলিয়ন ডলারই কনসেশনাল (নরম শর্তের) নয়, বরং বাজারের তুলনায় উচ্চ সুদের অনমনীয় ঋণ।
ঋণের বিভাজন ও
সুদের হার (প্রধান উৎসসমূহ): এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB): ৭৫০ মিলিয়ন ডলার (যার মধ্যে ৪৫০ মিলিয়ন নন-কনসেশনাল, সুদের হার প্রায় ৪.১৩%; এছাড়া সাসেক ঢাকা-সিলেট করিডোর প্রকল্পে আরও ৩০০ মিলিয়ন ডলার, সুদ ৪.২৩%) জাইকা (JICA): ৫০০ মিলিয়ন ডলার, সুদের হার প্রায় ৩.০৫% (সম্ভাব্য, যা বৃদ্ধি পেতে পারে) এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB): ২৫০ মিলিয়ন ডলার, সুদের হার ৫.০৮% ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (OFID): ১০০ মিলিয়ন ডলার, সুদের হার প্রায় ৩.৬১৬% এই ঋণগুলোতে সাধারণত কম গ্রেস পিরিয়ড, দ্রুত পরিশোধের সময়সীমা এবং অতিরিক্ত কমিটমেন্ট ফি ও ফ্রন্ট-এন্ড ফি’র মতো শর্ত রয়েছে, যা কনসেশনাল ঋণের তুলনায় অনেক কঠিন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ, রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা
এবং বাজেটের নির্বাহী ব্যয় মেটানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আইএমএফের সুপারিশ অনুযায়ী এই অর্থ সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানো, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায়ও ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উচ্চ সুদের এ ধরনের ঋণ ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যখন দেশকে আগামী বছরগুলোতে বড় অঙ্কের ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নরম শর্তের ঋণ পাওয়া সম্ভব না হওয়ায় এই অনমনীয় ঋণ অনুমোদন করতে হয়েছে।
সুদের হার (প্রধান উৎসসমূহ): এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB): ৭৫০ মিলিয়ন ডলার (যার মধ্যে ৪৫০ মিলিয়ন নন-কনসেশনাল, সুদের হার প্রায় ৪.১৩%; এছাড়া সাসেক ঢাকা-সিলেট করিডোর প্রকল্পে আরও ৩০০ মিলিয়ন ডলার, সুদ ৪.২৩%) জাইকা (JICA): ৫০০ মিলিয়ন ডলার, সুদের হার প্রায় ৩.০৫% (সম্ভাব্য, যা বৃদ্ধি পেতে পারে) এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB): ২৫০ মিলিয়ন ডলার, সুদের হার ৫.০৮% ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (OFID): ১০০ মিলিয়ন ডলার, সুদের হার প্রায় ৩.৬১৬% এই ঋণগুলোতে সাধারণত কম গ্রেস পিরিয়ড, দ্রুত পরিশোধের সময়সীমা এবং অতিরিক্ত কমিটমেন্ট ফি ও ফ্রন্ট-এন্ড ফি’র মতো শর্ত রয়েছে, যা কনসেশনাল ঋণের তুলনায় অনেক কঠিন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ, রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা
এবং বাজেটের নির্বাহী ব্যয় মেটানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আইএমএফের সুপারিশ অনুযায়ী এই অর্থ সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানো, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায়ও ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উচ্চ সুদের এ ধরনের ঋণ ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যখন দেশকে আগামী বছরগুলোতে বড় অঙ্কের ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নরম শর্তের ঋণ পাওয়া সম্ভব না হওয়ায় এই অনমনীয় ঋণ অনুমোদন করতে হয়েছে।



