মুন্সীগঞ্জে গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর হত্যা, গ্রেফতার ৪ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ জুন, ২০২৬

মুন্সীগঞ্জে গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর হত্যা, গ্রেফতার ৪

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ জুন, ২০২৬ |
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদীর শাখা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া গৃহবধূ হালিমা আক্তার (২২) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় হালিমাকে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুন্সীগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা। পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদীর শাখা নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক তরুণীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের অবস্থা

খারাপ থাকায় প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তিনি উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামলদী গ্রামের মহসিন মিয়ার মেয়ে হালিমা আক্তার। এ ঘটনায় নিহতের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে ৩০ মে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে পিবিআই। গ্রেফতাররা হলেন, গজারিয়া উপজেলার বড় ভাটেরচর এলাকার আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আলামিন প্রধান (৫০)। পিবিআই জানায়, জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামিরা জানিয়েছেন, হালিমার কাছে আবু কালামের প্রায় ২৫ হাজার টাকা এবং রাসেল মিয়ার ১০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। এছাড়া জামাল

হোসেনের সঙ্গে হালিমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি এলাকায় প্রকাশ পেলে সামাজিকভাবে বিব্রত হওয়ার আশঙ্কা থেকে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার প্রায় ১৫ দিন আগে গজারিয়ার হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি স্থানে বৈঠক করে হালিমাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় অভিযুক্তরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৬ মে সন্ধ্যার পর কৌশলে হালিমাকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে নৌকাযোগে নদী পার করে বড় ভাটেরচর এলাকার একটি ভুট্টাখেতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তার পরনের টাইটস গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই। হত্যার পর মরদেহের হাত-পা বেঁধে ফুলদী নদীর শাখা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়, যাতে ঘটনাটি গোপন রাখা যায় এবং

আলামত নষ্ট হয়। সংবাদ ব্রিফিংয়ে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, ক্রাইম সিন পরিদর্শন এবং গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতার চার আসামিই আদালতে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কাঙালিনী সুফিয়ার পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন স্কুলছাত্র প্রেমের পিঠ দিয়ে গুলি ঢুকে গেছে, ঢামেকে অস্ত্রোপচার বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু বাঁচানো গেল না সায়মাকে, গণপিটুনির শিকার যুবকেরও মৃত্যু খুব স্নায়ুচাপ অনুভব হচ্ছিল: নেইমার ইউরোপের গরমে মানুষের আয় কমেছে, বেড়েছে খরচ ভেনেজুয়েলায় নিহত ছাড়াল ১৬০, আহত হাজার খাসজমিতে চার মাসেই উঠল বহুতল ভবন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দাপুটে ম্যাচে ব্রাজিলের কার রেটিং কত ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে কী ভাবছেন মেসি, জানালেন নিজেই পেলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের পাতায় নেইমার ভিনির বাতিল হওয়া গোলটি কি ‘বৈধ’ ছিল মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতকের মৃত্যু হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৪৫ বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা ভারতের অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা মধুপুরে মাদ্রাসায় ফের ছাত্রকে যৌন নির্যাতন “অনুপস্থিত আছি, কিন্তু নীরব নই”, দেশের মানুষের পক্ষে এখনও অটল-অবিচল শেখ হাসিনা ভিনিসিউসের জোড়া গোলে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে নকআউটে ব্রাজিল