ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দাপুটে ম্যাচে ব্রাজিলের কার রেটিং কত
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে কী ভাবছেন মেসি, জানালেন নিজেই
ভিনির বাতিল হওয়া গোলটি কি ‘বৈধ’ ছিল
ভিনিসিউসের জোড়া গোলে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে নকআউটে ব্রাজিল
বিজ্ঞাপনের জন্য নয়, খেলার স্বার্থেই হাইড্রেশন বিরতি দেওয়া হচ্ছে: ইনফান্তিনো
জন্মদিনে মেসিকে চমকে দিলেন সতীর্থরা
ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড ম্যাচে ঝড়ের শঙ্কা
পেলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের পাতায় নেইমার
ফুটবল ইতিহাসে এমন কিছু খেলোয়াড় আছেন, যাদের প্রভাব শুধুমাত্র গোল, ট্রফি কিংবা পরিসংখ্যানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিজেদের সৃজনশীলতা, নৈপুণ্য ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে তারা হয়ে ওঠেন একটি প্রজন্মের অনুপ্রেরণা। ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র তেমনই একজন ফুটবলার, যিনি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।
মাঠে তার অসাধারণ ড্রিবলিং, ক্ষিপ্র গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল যেমন দর্শকদের মুগ্ধ করেছে, তেমনি ক্যারিয়াজুড়ে গড়া অসংখ্য রেকর্ড তাকে এনে দিয়েছে বিশেষ মর্যাদা। চোট, বিতর্ক কিংবা সমালোচনা- সবকিছুর মাঝেও নিজের প্রতিভার ছাপ রেখে গেছেন তিনি।
ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা
নেইমারের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো ব্রাজিল জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া। দীর্ঘদিন ধরে এই রেকর্ডটি ছিল
কিংবদন্তি পেলের দখলে। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পেলের ৭৭ গোলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লেখান নেইমার। ব্রাজিলের মতো ফুটবল সমৃদ্ধ দেশের হয়ে এমন একটি রেকর্ড গড়া নিঃসন্দেহে বিরাট কৃতিত্ব। কারণ দেশটির জার্সি গায়ে খেলেছেন পেলে, রোনালদো, রোমারিও, রিভালদো, রোনালদিনহোসহ অসংখ্য কিংবদন্তি তারকা। অলিম্পিক স্বর্ণ জয়ের নায়ক ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে ব্রাজিলকে ফুটবলে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক জেতানোর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল নেইমারের। স্বাগতিকদের সেই ঐতিহাসিক অভিযানে ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়সূচক শটটি নেন তিনিই। একই আসরে হন্ডুরাসের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায় গোল করে অলিম্পিক ফুটবলের অন্যতম দ্রুততম গোলের রেকর্ডও গড়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। ইউরোপ জয় ও এমএসএন ত্রয়ী এফসি বার্সেলোনার
হয়ে খেলার সময়ই ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজের সেরা সময় কাটান নেইমার। লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজকে নিয়ে গড়ে ওঠা বিখ্যাত ‘এমএসএন’ ত্রয়ী ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর আক্রমণভাগ হিসেবে বিবেচিত। ২০১৪-১৫ মৌসুমে বার্সেলোনার ট্রেবল জয়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল নেইমারের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্ব ও ফাইনালে তার গোল দলকে শিরোপা জয়ে বড় অবদান রাখে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার ২০১৭ সালে ফুটবল বিশ্বকে নাড়িয়ে দেন নেইমার। বার্সেলোনা ছেড়ে ২২২ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনে (পিএসজি) যোগ দেন তিনি। এটি এখনো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দলবদল। প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও কোনো ফুটবলার এই রেকর্ড ভাঙতে পারেননি। মাঠের বাইরে জনপ্রিয়তার শিখরে শুধু মাঠেই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিশ্বের
অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদ নেইমার। ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে তার অনুসারীর সংখ্যা কয়েকশ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই বিপুল জনপ্রিয়তা তাকে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের সর্বাধিক পরিচিত ও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় স্থান করে দিয়েছে। গিনেস রেকর্ডেও স্বীকৃতি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ট্রান্সফার এবং বৈশ্বিক জনপ্রিয়তার মতো নানা অর্জনের কারণে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বিভিন্ন তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন নেইমার। এছাড়া বার্সেলোনার ঐতিহাসিক আক্রমণভাগের অংশ হিসেবেও তার নাম উঠে এসেছে একাধিক পরিসংখ্যানভিত্তিক রেকর্ডে। শুধু রেকর্ড নয়, এক প্রজন্মের প্রতীক নেইমারের ক্যারিয়ারকে শুধুমাত্র গোল কিংবা ট্রফির সংখ্যায় মূল্যায়ন করা কঠিন। তিনি এমন এক ফুটবলার, যিনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য, সৃজনশীলতা ও বিনোদনমূলক ধারা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তার ড্রিবল,
ফ্লেয়ার ও সাহসী খেলার ধরন বিশ্বজুড়ে অসংখ্য তরুণকে ফুটবলের প্রেমে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছে। আবেগঘন প্রত্যাবর্তনে উচ্ছ্বসিত ব্রাজিল এরই প্রমাণ মিলেছে ২৫ জুন ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড ম্যাচে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফেরেন নেইমার। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে মাতেউস কুনহার পরিবর্তে মাঠে নামতেই করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম। প্রিয় তারকাকে আবারও সেলেসাওদের হয়ে খেলতে দেখে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমর্থকেরা। ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। শেষ বাঁশি বাজার পর চোখের জল মুছতে দেখা যায় তাকে। সেই দৃশ্য যেন মনে করিয়ে দেয়—নেইমার কেবল একজন ফুটবলার নন, তিনি একটি আবেগ, একটি প্রজন্মের স্মৃতি এবং আধুনিক ফুটবলের অন্যতম স্মরণীয় আইকন।
কিংবদন্তি পেলের দখলে। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পেলের ৭৭ গোলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লেখান নেইমার। ব্রাজিলের মতো ফুটবল সমৃদ্ধ দেশের হয়ে এমন একটি রেকর্ড গড়া নিঃসন্দেহে বিরাট কৃতিত্ব। কারণ দেশটির জার্সি গায়ে খেলেছেন পেলে, রোনালদো, রোমারিও, রিভালদো, রোনালদিনহোসহ অসংখ্য কিংবদন্তি তারকা। অলিম্পিক স্বর্ণ জয়ের নায়ক ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে ব্রাজিলকে ফুটবলে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক জেতানোর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল নেইমারের। স্বাগতিকদের সেই ঐতিহাসিক অভিযানে ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়সূচক শটটি নেন তিনিই। একই আসরে হন্ডুরাসের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায় গোল করে অলিম্পিক ফুটবলের অন্যতম দ্রুততম গোলের রেকর্ডও গড়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। ইউরোপ জয় ও এমএসএন ত্রয়ী এফসি বার্সেলোনার
হয়ে খেলার সময়ই ইউরোপিয়ান ফুটবলে নিজের সেরা সময় কাটান নেইমার। লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজকে নিয়ে গড়ে ওঠা বিখ্যাত ‘এমএসএন’ ত্রয়ী ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর আক্রমণভাগ হিসেবে বিবেচিত। ২০১৪-১৫ মৌসুমে বার্সেলোনার ট্রেবল জয়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল নেইমারের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্ব ও ফাইনালে তার গোল দলকে শিরোপা জয়ে বড় অবদান রাখে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার ২০১৭ সালে ফুটবল বিশ্বকে নাড়িয়ে দেন নেইমার। বার্সেলোনা ছেড়ে ২২২ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনে (পিএসজি) যোগ দেন তিনি। এটি এখনো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দলবদল। প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও কোনো ফুটবলার এই রেকর্ড ভাঙতে পারেননি। মাঠের বাইরে জনপ্রিয়তার শিখরে শুধু মাঠেই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিশ্বের
অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদ নেইমার। ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে তার অনুসারীর সংখ্যা কয়েকশ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই বিপুল জনপ্রিয়তা তাকে দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের সর্বাধিক পরিচিত ও সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় স্থান করে দিয়েছে। গিনেস রেকর্ডেও স্বীকৃতি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ট্রান্সফার এবং বৈশ্বিক জনপ্রিয়তার মতো নানা অর্জনের কারণে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বিভিন্ন তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন নেইমার। এছাড়া বার্সেলোনার ঐতিহাসিক আক্রমণভাগের অংশ হিসেবেও তার নাম উঠে এসেছে একাধিক পরিসংখ্যানভিত্তিক রেকর্ডে। শুধু রেকর্ড নয়, এক প্রজন্মের প্রতীক নেইমারের ক্যারিয়ারকে শুধুমাত্র গোল কিংবা ট্রফির সংখ্যায় মূল্যায়ন করা কঠিন। তিনি এমন এক ফুটবলার, যিনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য, সৃজনশীলতা ও বিনোদনমূলক ধারা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তার ড্রিবল,
ফ্লেয়ার ও সাহসী খেলার ধরন বিশ্বজুড়ে অসংখ্য তরুণকে ফুটবলের প্রেমে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছে। আবেগঘন প্রত্যাবর্তনে উচ্ছ্বসিত ব্রাজিল এরই প্রমাণ মিলেছে ২৫ জুন ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড ম্যাচে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফেরেন নেইমার। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে মাতেউস কুনহার পরিবর্তে মাঠে নামতেই করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম। প্রিয় তারকাকে আবারও সেলেসাওদের হয়ে খেলতে দেখে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমর্থকেরা। ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। শেষ বাঁশি বাজার পর চোখের জল মুছতে দেখা যায় তাকে। সেই দৃশ্য যেন মনে করিয়ে দেয়—নেইমার কেবল একজন ফুটবলার নন, তিনি একটি আবেগ, একটি প্রজন্মের স্মৃতি এবং আধুনিক ফুটবলের অন্যতম স্মরণীয় আইকন।



