ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে কী ভাবছেন মেসি, জানালেন নিজেই
পেলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের পাতায় নেইমার
ভিনির বাতিল হওয়া গোলটি কি ‘বৈধ’ ছিল
ভিনিসিউসের জোড়া গোলে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে নকআউটে ব্রাজিল
বিজ্ঞাপনের জন্য নয়, খেলার স্বার্থেই হাইড্রেশন বিরতি দেওয়া হচ্ছে: ইনফান্তিনো
জন্মদিনে মেসিকে চমকে দিলেন সতীর্থরা
ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড ম্যাচে ঝড়ের শঙ্কা
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দাপুটে ম্যাচে ব্রাজিলের কার রেটিং কত
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দলের হয়ে দুটি গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, আর একটি গোল যোগ করেন মাতেউস কুনিয়া। এই জয়ে চলতি আসরে টানা দ্বিতীয়বারের মতো পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করল সেলেসাওরা।
ম্যাচ শেষে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এস্পোর্তে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন প্রকাশ করে। সেখানে সর্বোচ্চ ৮.৫ রেটিং পেয়েছেন ম্যাচসেরা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় ম্যাচে গোল করা এই ফরোয়ার্ড জোড়া গোলের পাশাপাশি পুরো ম্যাচজুড়ে ব্রাজিলের আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ভিনিসিয়ুস ছাড়াও বাকি খেলোয়াড়দের রেটিং পয়েন্ট এক নজরে দেখে নেওয়া যাক-
অ্যালিসন বেকার – ৭.০
ম্যাচের অধিকাংশ সময় তেমন কোনো পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি
তাকে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে স্কটল্যান্ডের কয়েকটি আক্রমণ ঠেকিয়ে গোলশূন্যতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই গোলরক্ষক। দানিলো – ৬.০ রক্ষণে দায়িত্বশীল ছিলেন এবং সুযোগ পেলে আক্রমণেও যোগ দিয়েছেন। ম্যাচে একটি হলুদ কার্ডও দেখেছেন তিনি। মারকিনিওস – ৬.৫ ডিফেন্সে স্থির ও আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামাল দেওয়ার পাশাপাশি পাসিংয়েও ছিলেন বেশ কার্যকর। গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস – ৭.০ রক্ষণভাগে ব্রাজিলের অন্যতম ভরসা ছিলেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বল কেটে নেওয়া এবং গতির সাহায্যে আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে দারুণ দক্ষতা দেখিয়েছেন। ডগলাস সান্তোস – ৬.০ বাম প্রান্তে ভারসাম্য বজায় রেখে আক্রমণ গঠনে সহায়তা করেছেন। কার্ডজনিত ঝুঁকি এড়াতে ম্যাচের মাঝপথে তাকে তুলে নেওয়া হয়। অ্যালেক্স সান্দ্রো – ৬.০ বদলি হিসেবে মাঠে নেমে খেললেও নিজের উপস্থিতি
খুব বেশি জানান দিতে পারেননি। কাসেমিরো – ৬.৫ মিডফিল্ডে অভিজ্ঞতার ছাপ রেখেছেন। তার নিখুঁত পাস থেকেই ব্রাজিলের তৃতীয় গোলের আক্রমণ শুরু হয়। ফাবিনিও – ৫.৫ নির্ভরযোগ্য হলেও তুলনামূলকভাবে সাধারণ একটি ম্যাচ কাটিয়েছেন। রক্ষণে অবদান রাখলেও আক্রমণে খুব বেশি দৃশ্যমান ছিলেন না। ব্রুনো গিমারায়েস – ৮.০ ম্যাচের সেরা পারফরমারদের একজন। প্রথম গোলের জন্য সহায়তা করার পাশাপাশি কুনিয়ার গোলেও অ্যাসিস্ট করেন। মাঠজুড়ে তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। লুকাস পাকেতা – ৬.৫ তার খেলায় ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই দিকই দেখা গেছে। কিছু চমৎকার পাস দিলেও কয়েকটি সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি – ৫.৫ বল নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছন্দ থাকলেও আক্রমণে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছেন। রায়ান – ৭.০ প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে নিজের সামর্থ্যের
প্রমাণ দিয়েছেন। তার প্রচেষ্টাতেই প্রথম গোলের পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং আক্রমণভাগে তিনি ছিলেন প্রাণবন্ত। এন্দ্রিক – ৬.০ শেষ দিকে মাঠে নেমে খেলার সুযোগ পেলেও উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেননি। মাতেউস কুনিয়া – ৭.৫ একটি গোল করার পাশাপাশি দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন। দ্বিতীয় গোলের আগে তার বল পুনরুদ্ধার ছিল ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর একটি। নেইমার জুনিয়র – ৬.০ চোট কাটিয়ে ফেরার ম্যাচে প্রায় ২০ মিনিট খেলেছেন। একটি সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি দূর থেকে শট নিয়ে আত্মবিশ্বাসের আভাস দিয়েছেন। কোচ কার্লো আনচেলত্তি – ৭.০ তার অধীনে ব্রাজিলের পারফরম্যান্সে উন্নতির ইঙ্গিত মিলছে। দল পুরোপুরি ছন্দে না ফিরলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে এবং স্কোয়াড ব্যবস্থাপনাতেও সফল হয়েছেন তিনি।
তাকে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে স্কটল্যান্ডের কয়েকটি আক্রমণ ঠেকিয়ে গোলশূন্যতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই গোলরক্ষক। দানিলো – ৬.০ রক্ষণে দায়িত্বশীল ছিলেন এবং সুযোগ পেলে আক্রমণেও যোগ দিয়েছেন। ম্যাচে একটি হলুদ কার্ডও দেখেছেন তিনি। মারকিনিওস – ৬.৫ ডিফেন্সে স্থির ও আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামাল দেওয়ার পাশাপাশি পাসিংয়েও ছিলেন বেশ কার্যকর। গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস – ৭.০ রক্ষণভাগে ব্রাজিলের অন্যতম ভরসা ছিলেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বল কেটে নেওয়া এবং গতির সাহায্যে আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে দারুণ দক্ষতা দেখিয়েছেন। ডগলাস সান্তোস – ৬.০ বাম প্রান্তে ভারসাম্য বজায় রেখে আক্রমণ গঠনে সহায়তা করেছেন। কার্ডজনিত ঝুঁকি এড়াতে ম্যাচের মাঝপথে তাকে তুলে নেওয়া হয়। অ্যালেক্স সান্দ্রো – ৬.০ বদলি হিসেবে মাঠে নেমে খেললেও নিজের উপস্থিতি
খুব বেশি জানান দিতে পারেননি। কাসেমিরো – ৬.৫ মিডফিল্ডে অভিজ্ঞতার ছাপ রেখেছেন। তার নিখুঁত পাস থেকেই ব্রাজিলের তৃতীয় গোলের আক্রমণ শুরু হয়। ফাবিনিও – ৫.৫ নির্ভরযোগ্য হলেও তুলনামূলকভাবে সাধারণ একটি ম্যাচ কাটিয়েছেন। রক্ষণে অবদান রাখলেও আক্রমণে খুব বেশি দৃশ্যমান ছিলেন না। ব্রুনো গিমারায়েস – ৮.০ ম্যাচের সেরা পারফরমারদের একজন। প্রথম গোলের জন্য সহায়তা করার পাশাপাশি কুনিয়ার গোলেও অ্যাসিস্ট করেন। মাঠজুড়ে তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। লুকাস পাকেতা – ৬.৫ তার খেলায় ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই দিকই দেখা গেছে। কিছু চমৎকার পাস দিলেও কয়েকটি সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি – ৫.৫ বল নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছন্দ থাকলেও আক্রমণে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছেন। রায়ান – ৭.০ প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে নিজের সামর্থ্যের
প্রমাণ দিয়েছেন। তার প্রচেষ্টাতেই প্রথম গোলের পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং আক্রমণভাগে তিনি ছিলেন প্রাণবন্ত। এন্দ্রিক – ৬.০ শেষ দিকে মাঠে নেমে খেলার সুযোগ পেলেও উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেননি। মাতেউস কুনিয়া – ৭.৫ একটি গোল করার পাশাপাশি দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন। দ্বিতীয় গোলের আগে তার বল পুনরুদ্ধার ছিল ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর একটি। নেইমার জুনিয়র – ৬.০ চোট কাটিয়ে ফেরার ম্যাচে প্রায় ২০ মিনিট খেলেছেন। একটি সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি দূর থেকে শট নিয়ে আত্মবিশ্বাসের আভাস দিয়েছেন। কোচ কার্লো আনচেলত্তি – ৭.০ তার অধীনে ব্রাজিলের পারফরম্যান্সে উন্নতির ইঙ্গিত মিলছে। দল পুরোপুরি ছন্দে না ফিরলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে এবং স্কোয়াড ব্যবস্থাপনাতেও সফল হয়েছেন তিনি।



