ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বকাপ ফাইনালে পারাদেস কান্ডঃ লাল কার্ডের তথ্য প্রযুক্তিগত ত্রুটি, তবে ম্যাচশেষে সংঘর্ষ তদন্তে ফিফা’র কমিটি
ব্যালন ডি’অর ২০২৬: বিশ্বকাপ ফাইনালের পারফরম্যান্সে ধাক্কা খেলেন মেসি, এগিয়ে ইয়ায়ামাল, হ্যারি কেইন
অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মার্তিনেজ?
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষের অনভিপ্রেত নাটকে কাঠগড়ায় আর্জেন্টিনা
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ
মাদ্রিদে পৌঁছাল বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দল
বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছে স্পেন
ভিনির বাতিল হওয়া গোলটি কি ‘বৈধ’ ছিল
ম্যাচের তখন ২২ মিনিট। স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যাক হেনরির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দারুণ এক গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিলের সুপারস্টারের উদযাপন থামিয়ে দেন রেফারি সিজার রামোস। বল কেড়ে নিতে গিয়েই নাকি ফাউল করেছেন ভিনি।
ভিএআর (VAR) চেকের পর সিদ্ধান্ত যায় স্কটিশদের পক্ষে। রেফারির যুক্তি ছিল, বল কেড়ে নেওয়ার মুহূর্তে ফাউল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। বল স্পর্শ করার আগে তিনি প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পায়ে আঘাত করেন।
গোল বাতিলের সিদ্ধান্তে রেফারির ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়েন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তবে ২২ মিনিটের সেই গোল বাতিলের সিদ্ধান্তটি ছিল বেশ বিতর্কিত। রেফারির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল কি না, তা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে মতভেদ তৈরি হয়।
প্রিমিয়ার লিগের সাবেক সহকারী রেফারি ড্যারেন
ক্যান মনে করেন, রেফারি এখানে ভুল করেছেন। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, স্কটল্যান্ড এখানে কিছুটা ভাগ্যবান। বল স্পর্শ করার আগে সামান্য সংযোগ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু আমার মনে হয় না ভিনি কোনো ফাউল করেছেন। সাবেক স্কটিশ আন্তর্জাতিক ফুটবলার ও সহ-ভাষ্যকার জেমস ম্যাকফ্যাডেন ক্যানের এই মতের কড়া বিরোধিতা করে বলেন, ‘না, আমি একমত নই। আমার মতে এটি ফাউল ছিল। তবে সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার লুকাস লেইভা বলেন, ‘আমার কাছে এটি কোনোভাবেই ফাউল ছিল না। দারুণ প্রেসিং ছিল, ম্যাচ তখনই ২-০ হতে পারত। রেফারি বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন তা দেখার বিষয়, তবে আমার চোখে এটি ফাউল নয়।’ তবে গোলটি বাতিল হলেও পরে আরেকবার জালে বল জড়িয়েছিলেন ভিনি। তার
জোড়া গোলে সহজ জয় আসলেও হতাশ ভিনি, ‘গোলটি বাতিল হওয়ায় আফসোস লাগছে। ওটা হলে প্রথম হ্যাটট্রিকটা পেয়ে যেতাম। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দলের জয় এবং আমাদের ছন্দ ধরে রাখা।’
ক্যান মনে করেন, রেফারি এখানে ভুল করেছেন। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, স্কটল্যান্ড এখানে কিছুটা ভাগ্যবান। বল স্পর্শ করার আগে সামান্য সংযোগ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু আমার মনে হয় না ভিনি কোনো ফাউল করেছেন। সাবেক স্কটিশ আন্তর্জাতিক ফুটবলার ও সহ-ভাষ্যকার জেমস ম্যাকফ্যাডেন ক্যানের এই মতের কড়া বিরোধিতা করে বলেন, ‘না, আমি একমত নই। আমার মতে এটি ফাউল ছিল। তবে সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার লুকাস লেইভা বলেন, ‘আমার কাছে এটি কোনোভাবেই ফাউল ছিল না। দারুণ প্রেসিং ছিল, ম্যাচ তখনই ২-০ হতে পারত। রেফারি বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন তা দেখার বিষয়, তবে আমার চোখে এটি ফাউল নয়।’ তবে গোলটি বাতিল হলেও পরে আরেকবার জালে বল জড়িয়েছিলেন ভিনি। তার
জোড়া গোলে সহজ জয় আসলেও হতাশ ভিনি, ‘গোলটি বাতিল হওয়ায় আফসোস লাগছে। ওটা হলে প্রথম হ্যাটট্রিকটা পেয়ে যেতাম। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দলের জয় এবং আমাদের ছন্দ ধরে রাখা।’



