ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
ঝিনাইদহে চরম উত্তেজনা: পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে আওয়ামী লীগ নেতা বিজুকে ছিনিয়ে নিলো জনতা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সকালেই ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ঘটে গেল এক নজিরবিহীন ও চরম উত্তেজনাকর ঘটনা। কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র তথা জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয় জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীরা।
আজ ২৩শে জুন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের আড়পাড়া এলাকায় এই হাইভোল্টেজ ঘটনাটি ঘটে।
যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ মঙ্গলবার সকালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহরের আড়পাড়া এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমান বিজুর নিজ বাড়ির নিচতলায় দলীয় কার্যালয়ে জড়ো হয়েছিলেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। সেখানে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেক কাটা, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলের প্রস্তুতি ও
পরিকল্পনা চলছিল। ঠিক এই মুহূর্তেই আকস্মিকভাবে সেখানে পুলিশ উপস্থিত হয় এবং মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। পুলিশ বনাম জনতার ধস্তাধস্তি ও ‘নেতা ছিনতাই’ পুলিশ যখন সাবেক মেয়র বিজুকে আটক করে নিয়ে যেতে উদ্যত হয়, তখনই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সেখানে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দা। তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে চারদিক থেকে অবরুদ্ধ করে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে পুলিশ ও জনতার মধ্যে তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ব্যাপক শোরগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝেই উপস্থিত জনতা ও দলীয় কর্মীরা মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে আক্ষরিক অর্থেই পুলিশের হাত থেকে টেনে-হিঁচড়ে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ভিডিওতে ক্যামেরাবন্দী চাঞ্চল্যকর মুহূর্ত ঘটনার পরপরই স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিকদের হাতে
আসে একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও ফুটেজ। সেই ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতেই সেখানে এক চরম বিশৃঙ্খল ও ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। উপস্থিত জনতার তীব্র প্রতিরোধ ও শোরগোলের মুখে এক পর্যায়ে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে পুরোপুরি ছিনিয়ে নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় জনগণ ও নেতাকর্মীরা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে ঝিনাইদহের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে পুরো কালীগঞ্জ এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং রাজনৈতিক মহলে এটি এখন টক অফ দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
পরিকল্পনা চলছিল। ঠিক এই মুহূর্তেই আকস্মিকভাবে সেখানে পুলিশ উপস্থিত হয় এবং মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। পুলিশ বনাম জনতার ধস্তাধস্তি ও ‘নেতা ছিনতাই’ পুলিশ যখন সাবেক মেয়র বিজুকে আটক করে নিয়ে যেতে উদ্যত হয়, তখনই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সেখানে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দা। তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে চারদিক থেকে অবরুদ্ধ করে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে পুলিশ ও জনতার মধ্যে তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ব্যাপক শোরগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাঝেই উপস্থিত জনতা ও দলীয় কর্মীরা মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে আক্ষরিক অর্থেই পুলিশের হাত থেকে টেনে-হিঁচড়ে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ভিডিওতে ক্যামেরাবন্দী চাঞ্চল্যকর মুহূর্ত ঘটনার পরপরই স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সাংবাদিকদের হাতে
আসে একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও ফুটেজ। সেই ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতেই সেখানে এক চরম বিশৃঙ্খল ও ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। উপস্থিত জনতার তীব্র প্রতিরোধ ও শোরগোলের মুখে এক পর্যায়ে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে পুরোপুরি ছিনিয়ে নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় জনগণ ও নেতাকর্মীরা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে ঝিনাইদহের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে পুরো কালীগঞ্জ এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং রাজনৈতিক মহলে এটি এখন টক অফ দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।





