ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বার্লিনে ১৫ ও ২১ আগস্ট স্মরণে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা: মিলাদ ও শোক সভায় শেখ হাসিনার ভাষণ
মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের বাধা সত্ত্বেও কানাডায় বঙ্গবন্ধু স্মরণে সাহিত্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল অংশগ্রহণে জার্মানিতে ১৫ই আগস্টের শোকসভা অনুষ্ঠিত
পর্তুগালে বিদেশি নাগরিককে অপহরণের অভিযোগে সন্দেহভাজন দুই বাংলাদেশি আটক
পাঁচ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল
দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩ বাংলাদেশিসহ অপহরণ ৪, আতঙ্কে প্রবাসীরা
মালয়েশিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে ১১৩৩ বাংলাদেশিসহ ২২ হাজারের বেশি অভিবাসী
দুবাইয়ে সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন রেমিট্যান্সযোদ্ধা ফরহাদ
দুবাইয়ে কর্মস্থলে এক সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে ফরহাদ হোসেন (৩০) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তিনি টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে দুবাইয়ে একটি কোম্পানিতে কাজ করার সময় তার এক সহকর্মী বিদ্যুতায়িত হন। এ সময় তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যান ফরহাদ হোসেন। সহকর্মীকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তিনিও বিদ্যুৎস্পর্শে আসেন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়, তবে ওই শ্রমিক প্রাণে বেঁচে যান।
ফরহাদের মৃত্যুর খবরে তার পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ১০ ও ৭ বছর বয়সি দুই সন্তানকে নিয়ে তার স্ত্রী মৌসুমি আক্তার গভীর শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন। তার দুই সন্তানই
স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মৌসুমি আক্তার জানান, প্রায় চার বছর আগে সংসারের হাল ধরতে অটোভ্যান বিক্রি, ব্যাংক ঋণ ও ধারদেনা করে দুবাই পাড়ি জমান ফরহাদ। বছরখানেক আগে ছুটিতে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন সময় কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরে যান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, এখনো প্রায় দেড় লাখ টাকা ঋণ রয়েছে। আমার দুই সন্তানকে নিয়ে কীভাবে চলব, বুঝতে পারছি না। সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে আমার স্বামী প্রাণ হারালেন। স্থানীয়রা জানান, ফরহাদ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তারা সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। এদিকে, ফরহাদের লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মৌসুমি আক্তার জানান, প্রায় চার বছর আগে সংসারের হাল ধরতে অটোভ্যান বিক্রি, ব্যাংক ঋণ ও ধারদেনা করে দুবাই পাড়ি জমান ফরহাদ। বছরখানেক আগে ছুটিতে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে কিছুদিন সময় কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরে যান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, এখনো প্রায় দেড় লাখ টাকা ঋণ রয়েছে। আমার দুই সন্তানকে নিয়ে কীভাবে চলব, বুঝতে পারছি না। সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে আমার স্বামী প্রাণ হারালেন। স্থানীয়রা জানান, ফরহাদ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তারা সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। এদিকে, ফরহাদের লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।



