ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
একাত্তরের রণাঙ্গনে মুজিব বাহিনী: বিকৃত ইতিহাসের বিপরীতে দালিলিক সত্য
শেখ হাসিনার অবিস্মরণীয় অবদান, পরমাণু যুগে বাংলাদেশ: মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী ৫০১ প্রকৌশলীর অভিনন্দন
‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’
‘৫০০ টাকা আয় করে ১২০০ টাকা খরচে বিচার চাইতে হয়’
উদ্ধার হওয়া সেই লাশ বৃষ্টির, লিমনের লাশ দেশে আসবে ৪ মে
আমি একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা: সংসদে জামায়াত নেতা তাহের
জুলাই স্তম্ভ ময়লার ভাগাড়ে পরিণত, ক্ষোভ জানালেন ফারুকী
ঢাকায় স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল: অবৈধ ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে আওয়ামী লীগ, ১০ মাসে গ্রেপ্তার ৩ হাজার
অবৈধ ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন জোরালো করতে ঢাকায় মিছিল করছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো। রাজধানীতে তাদের তৎপরতা বাড়ানোর উদ্দেশ্য মানসিক ও রাজনৈতিক উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং শাসনহীনতার বিরুদ্ধে নাগরিকদের সচেতন করা— পুলিশ বলছে, এসব মিছিলে সরাসরি অংশগ্রহণের অভিযোগে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মিন্টো রোডের ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে শুক্রবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার ও ডিএমপি মুখপাত্র মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, “মিছিলের ঘটনায় আজ পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
তালেবুর রহমান দাবি করে বলেন, ঢাকার বাইরের জেলা ও উপজেলার অংশীজনদের বিশেষভাবে নিয়ে এসে মিছিল আয়োজন করা
হচ্ছে—তাদের থাকা-খাওয়ার খরচ ও অংশগ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট অর্থ দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, “মিছিলগুলো মূলত সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে আগ্রহ ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে হচ্ছে; তাদের প্রচারণার একটা বড় অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া।” সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, মিছিলে ককটেল ও অন্যান্য বিপজ্জনক সামগ্রীও পাওয়া গেছে। “কিছু মিছিলে হাতে-নাতে ককটেলসহ ধরা হয়েছে। এসব দ্বারা জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছিল,” জানান তালেব। তবে মিছিলকারীরা বলছেন, তাদের উদ্দেশ্য অবৈধ ও কর্তৃত্ববাদী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সাধারণ মানুষের কাছে তাদের আহ্বান পৌঁছে দেওয়া। তারা যুক্তি দেন যে, রাজপথে শান্তিপূর্ণ অধিকারচর্চার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক অধিকার দাবির একটাই পথ বাকি আছে—জনমত গড়ার জন্য সরাসরি আন্দোলন। ডিএমপি
দাবি করেছে যে, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে; একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের অপতৎপরতা রোধে বহুস্তরীয় নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
হচ্ছে—তাদের থাকা-খাওয়ার খরচ ও অংশগ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট অর্থ দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, “মিছিলগুলো মূলত সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে আগ্রহ ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে হচ্ছে; তাদের প্রচারণার একটা বড় অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া।” সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, মিছিলে ককটেল ও অন্যান্য বিপজ্জনক সামগ্রীও পাওয়া গেছে। “কিছু মিছিলে হাতে-নাতে ককটেলসহ ধরা হয়েছে। এসব দ্বারা জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছিল,” জানান তালেব। তবে মিছিলকারীরা বলছেন, তাদের উদ্দেশ্য অবৈধ ও কর্তৃত্ববাদী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সাধারণ মানুষের কাছে তাদের আহ্বান পৌঁছে দেওয়া। তারা যুক্তি দেন যে, রাজপথে শান্তিপূর্ণ অধিকারচর্চার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক অধিকার দাবির একটাই পথ বাকি আছে—জনমত গড়ার জন্য সরাসরি আন্দোলন। ডিএমপি
দাবি করেছে যে, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে; একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের অপতৎপরতা রোধে বহুস্তরীয় নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম চালাচ্ছে।



