ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ফসলহানির শঙ্কা
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর
বিমানবন্দরের রানওয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে
যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
চানখারপুলে সাউন্ডবক্সে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোয় আটক অন্তত ৪
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাজানোর ঘটনায় ঢাকার চানখারপুল মোড় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থীসহ দুজনকে আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।
যদিও একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
শনিবার (৭ মার্চ ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন চানখারপুল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের অভিযোগ, আটককৃতরা সাউন্ডবক্সে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাজিয়ে প্রকাশ্যে প্রচার করছিলেন।
চানখারপুলে আটক আসিফ আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদের নাম-পরিচয় এখনও পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তাকে আটক করে পুলিশ। কিছুক্ষণ
পর সেখান থেকে সাউন্ডবক্স জব্দ করে অপারেটরকেও আটক করে নিয়ে আসে পুলিশ। চানখারপুল মোড়ের এক দোকানি জানান, “৩টা বাজে দোকান বসাইছি। তখন দেখি দুজন আইসা ভাষণ বাজাইতেছে। পরে তাদেরকে পুলিশ নিয়ে গেছে।” শাহবাগ থানার ওসি মনিরুজ্জামানের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবং ৭ই মার্চের ভাষণকে কেন্দ্র করে সমাবেশ বা প্রচারণা নিষিদ্ধ বলে তারা এটিকে আইন লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ কি না, এমন প্রশ্ন করা হলে ওসি ক্ষেপে যান, বলেন, “সাংবাদিক হয়ে আপনারা উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করছেন কেন?” তবে সমালোচকরা বলছেন, ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এবং জাতীয় ইতিহাসের অংশ—এটি বাজানোকে নিষিদ্ধ করা অযৌক্তিক। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আটককৃতদের মুক্তির
দাবি উঠেছে। অনেকে এটিকে বাকস্বাধীনতা ও ঐতিহাসিক স্মৃতি রক্ষার ওপর হস্তক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনা ৭ই মার্চকে কেন্দ্র করে দেশে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।
পর সেখান থেকে সাউন্ডবক্স জব্দ করে অপারেটরকেও আটক করে নিয়ে আসে পুলিশ। চানখারপুল মোড়ের এক দোকানি জানান, “৩টা বাজে দোকান বসাইছি। তখন দেখি দুজন আইসা ভাষণ বাজাইতেছে। পরে তাদেরকে পুলিশ নিয়ে গেছে।” শাহবাগ থানার ওসি মনিরুজ্জামানের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবং ৭ই মার্চের ভাষণকে কেন্দ্র করে সমাবেশ বা প্রচারণা নিষিদ্ধ বলে তারা এটিকে আইন লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ কি না, এমন প্রশ্ন করা হলে ওসি ক্ষেপে যান, বলেন, “সাংবাদিক হয়ে আপনারা উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করছেন কেন?” তবে সমালোচকরা বলছেন, ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এবং জাতীয় ইতিহাসের অংশ—এটি বাজানোকে নিষিদ্ধ করা অযৌক্তিক। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আটককৃতদের মুক্তির
দাবি উঠেছে। অনেকে এটিকে বাকস্বাধীনতা ও ঐতিহাসিক স্মৃতি রক্ষার ওপর হস্তক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনা ৭ই মার্চকে কেন্দ্র করে দেশে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।



