ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ফসলহানির শঙ্কা
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর
বিমানবন্দরের রানওয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে
যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন সরকারি ৮ কর্মকর্তা
সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেমের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ আট কর্মকর্তা। তাদের সফরের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ই মার্চ। এর আগে একাধিকবার সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও পরে তা পরিবর্তন করা হয়।
২০১৯ সালে দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের একটি প্রকল্প হাতে নেয় আওয়ামী লীগ সরকার। ওই প্রকল্পের ‘হিটিং, ভেন্টিলেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং (এইচভিএসি) সিস্টেম ট্রেনিং’ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই বিদেশ সফর।দলীয় কার্যক্রম
এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ৮ জন সরকারি কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। তবে তাদের সফরের সব ব্যয় বহন করবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম কোম্পানি ডানহাম-বুশ।
যুক্তরাষ্ট্র সফরের অনুমতি
পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন—গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ই/এম) আশরাফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) কাজী মো. ফিরোজ হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. তৌফিক হাসান ফিরোজ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. মো. আশরাফুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, নির্বাহী স্থপতি সিদ্দিকা নাসরিন সুলতানা এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিসালাত বারি। গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩রা ফেব্রুয়ারি প্রকল্প পরিচালকসহ অধিদপ্তরের সাত কর্মকর্তা এসি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশ সফরের অনুমতি নেন। সংশ্লিষ্ট চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘সেফটি ফ্যাসিলিটিস, অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স ম্যানেজমেন্ট অব এইচভিএসি সিস্টেম’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে তারা যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন। প্রথমে সফরের সময় নির্ধারণ করা
হয়েছিল ৮ থেকে ১২ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ দিন, যাতায়াতের সময় আলাদা রাখা হয়েছিল। তবে ওই সময় সফরটি বাস্তবায়িত হয়নি। পরে দ্বিতীয় দফায় ২৫শে ফেব্রুয়ারি থেকে ১লা মার্চ পর্যন্ত সফরের অনুমোদন নেওয়া হলেও সেই সময়েও তারা যেতে পারেননি। সর্বশেষ গত ৪ঠা মার্চ মন্ত্রণালয় থেকে আবারও এ আট কর্মকর্তার বিদেশ সফরের অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তারা ১৫ থেকে ১৯শে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর এইচভিএসি সিস্টেম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের ওপরই থাকবে। তাই এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী
মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রকৌশলীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতে প্রকল্প পরিচালনায় তা সহায়ক হবে।
পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন—গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ই/এম) আশরাফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সিভিল) কাজী মো. ফিরোজ হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. তৌফিক হাসান ফিরোজ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. মো. আশরাফুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ, নির্বাহী স্থপতি সিদ্দিকা নাসরিন সুলতানা এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রিসালাত বারি। গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩রা ফেব্রুয়ারি প্রকল্প পরিচালকসহ অধিদপ্তরের সাত কর্মকর্তা এসি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশ সফরের অনুমতি নেন। সংশ্লিষ্ট চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘সেফটি ফ্যাসিলিটিস, অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স ম্যানেজমেন্ট অব এইচভিএসি সিস্টেম’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে তারা যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন। প্রথমে সফরের সময় নির্ধারণ করা
হয়েছিল ৮ থেকে ১২ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ দিন, যাতায়াতের সময় আলাদা রাখা হয়েছিল। তবে ওই সময় সফরটি বাস্তবায়িত হয়নি। পরে দ্বিতীয় দফায় ২৫শে ফেব্রুয়ারি থেকে ১লা মার্চ পর্যন্ত সফরের অনুমোদন নেওয়া হলেও সেই সময়েও তারা যেতে পারেননি। সর্বশেষ গত ৪ঠা মার্চ মন্ত্রণালয় থেকে আবারও এ আট কর্মকর্তার বিদেশ সফরের অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তারা ১৫ থেকে ১৯শে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর এইচভিএসি সিস্টেম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের ওপরই থাকবে। তাই এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী
মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রকৌশলীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতে প্রকল্প পরিচালনায় তা সহায়ক হবে।



