ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এবার দুইটি কার্গো জাহাজ জব্দ করল ইরান
ইসলামাবাদে ইরানের প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়নি: বাঘেই
৩৬ বছর আগে প্রতিবেশীকে পুড়িয়া হত্যা: মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি বাতিলে ইইউকে আহ্বান ৩ দেশের
আরব আমিরাতের সঙ্গে মুদ্রা বিনিময়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়াতে চান না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধের চাপ, পোপের সঙ্গে বিরোধ—ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে
ইরানের তেলসমৃদ্ধ এলাকা নিয়ে নতুন দেশ চান ট্রাম্প: তেহরানের শিক্ষাবিদ
ইরানে হামলার মাধ্যমে গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র নতুন খেলায় মেতেছে। তারা ইরানের শাসন ব্যবস্থার চেয়ে তেলের প্রতি বেশি আগ্রহী। এ কারণে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ইসলামি প্রজাতন্ত্রের তেল সমৃদ্ধ এলাকা আলাদা করে নতুন দেশ গঠনের ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফুয়াদ ইজাদি।
তিনি আল জাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ‘ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা করছে।’
তিনি ট্রাম্পের সেই বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করেছেন যেখানে বলা হয়েছে যে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইরানের মানচিত্র আর আগের মতো থাকবে না।
অধ্যাপক ইজাদি বলেন, এটি প্রমাণ করে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দেশটিকে 'বলকানাইজ' (ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খণ্ডে বিভক্ত) করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি
বলেন, ‘আমি মনে করি, ট্রাম্প ইরানের তেলসমৃদ্ধ অংশগুলো আলাদা করতে আগ্রহী, যা পারস্য উপসাগরের উত্তর দিকে অবস্থিত। তিনি সম্ভবত তেলসমৃদ্ধ এই অংশগুলোর দায়িত্বে কাউকে বসিয়ে দেবেন এবং ইরানের বাকি অংশ নিয়ে তার তেমন কোনো মাথাব্যথা থাকবে না।’ ইজাদি আরও বলেন, ইরানের অন্য অংশ প্রতিবেশী দেশগুলো দখল করে নিতে পারে, অথবা তেল না থাকলে সেগুলো এমনিই ফেলে রাখা হতে পারে। ট্রাম্পের তেলপ্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ট্রাম্প তেল পছন্দ করেন—তিনি ভেনিজুয়েলার তেল পছন্দ করেন, তিনি ইরানের তেলও পছন্দ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এমন একটি অকার্যকর সরকার প্রয়োজন, যেখানে কোনো নেতা থাকবে না। তারা (ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র) সম্ভবত ইরানের প্রেসিডেন্টকেও
হত্যা করতে চাইবে। এতে ইরান সরকারের পতন ঘটতে পারে, বদলে যাওয়ার আশঙ্কা আছে দেশটির মানচিত্রও।
বলেন, ‘আমি মনে করি, ট্রাম্প ইরানের তেলসমৃদ্ধ অংশগুলো আলাদা করতে আগ্রহী, যা পারস্য উপসাগরের উত্তর দিকে অবস্থিত। তিনি সম্ভবত তেলসমৃদ্ধ এই অংশগুলোর দায়িত্বে কাউকে বসিয়ে দেবেন এবং ইরানের বাকি অংশ নিয়ে তার তেমন কোনো মাথাব্যথা থাকবে না।’ ইজাদি আরও বলেন, ইরানের অন্য অংশ প্রতিবেশী দেশগুলো দখল করে নিতে পারে, অথবা তেল না থাকলে সেগুলো এমনিই ফেলে রাখা হতে পারে। ট্রাম্পের তেলপ্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ট্রাম্প তেল পছন্দ করেন—তিনি ভেনিজুয়েলার তেল পছন্দ করেন, তিনি ইরানের তেলও পছন্দ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এমন একটি অকার্যকর সরকার প্রয়োজন, যেখানে কোনো নেতা থাকবে না। তারা (ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র) সম্ভবত ইরানের প্রেসিডেন্টকেও
হত্যা করতে চাইবে। এতে ইরান সরকারের পতন ঘটতে পারে, বদলে যাওয়ার আশঙ্কা আছে দেশটির মানচিত্রও।



