ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পেতে নতুন শর্ত, দুই প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বললেই বিপদ
যুক্তরাষ্ট্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা পেতে আবেদনকারীদের জন্য নতুন নিয়ম জারি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীদের দুটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তরে ‘হ্যা’ বললেই বাতিল হতে পারে ভিসা। তাই ওই দুই প্রশ্নে অবশ্যই ‘না’ বলতে হবে—অন্যথায় ভিসা প্রক্রিয়া আর এগোবে না।
নতুন এই নিয়ম পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং অস্থায়ী কর্মীসহ সব ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য। আবেদনকারীদের জিজ্ঞেস করা হবে, তারা নিজ দেশে কোনো ধরনের নির্যাতন বা ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন কিনা এবং দেশে ফিরে গেলে এমন ঝুঁকি রয়েছে কিনা।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, অনেক আবেদনকারী ভ্রমণের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে পরে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে থেকে যান। এই প্রবণতা ঠেকাতেই যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হয়েছে।
মার্কিন
পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, “ভিসা যাচাই প্রক্রিয়ায় কনস্যুলার কর্মকর্তারা জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করেন। আবেদনকারীরা শর্ত পূরণ করছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছি।” এর আগে শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের ওপর নজরদারি বাড়ানো এবং নিরাপত্তা যাচাই জোরদার করার কারণে কিছু অভিবাসন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল। জানুয়ারিতে কয়েকটি দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়াও বন্ধ করা হয়। তবে নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা অনেক মানুষ আরও কঠিন অবস্থায় পড়তে পারেন। কেউ কেউ নিরাপত্তার জন্য বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে দেশ ছাড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সূত্র: ওরা ভিসা
পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, “ভিসা যাচাই প্রক্রিয়ায় কনস্যুলার কর্মকর্তারা জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করেন। আবেদনকারীরা শর্ত পূরণ করছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছি।” এর আগে শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের ওপর নজরদারি বাড়ানো এবং নিরাপত্তা যাচাই জোরদার করার কারণে কিছু অভিবাসন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল। জানুয়ারিতে কয়েকটি দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়াও বন্ধ করা হয়। তবে নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে থাকা অনেক মানুষ আরও কঠিন অবস্থায় পড়তে পারেন। কেউ কেউ নিরাপত্তার জন্য বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে দেশ ছাড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সূত্র: ওরা ভিসা



