ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আত্মগোপন থেকে ২ বছর পর বাড়ি ফিরতেই পরিবারের সামনে যুবলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা
ঘরে ঢুকে ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদককে পেটালেন ছাত্রলীগ নেতা
প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের মিছিল
রুমিন আপার মধ্যে হাসিনার ছায়া দেখা যায়: রাশেদ খাঁন
চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতার বাসায় বিপুল বিদেশি মদ উদ্ধার, মুখ খুলছে না ডিবি
নোয়াখালীতে পাইপগান-কার্তুজ ও চাপাতিসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
নিজের অনুপস্থিতিতে দলের সাংগঠনিক দায়িত্বে শেখ সেলিম, জানালেন শেখ হাসিনা
রাজধানীতে চলমান তল্লাশি ও গণগ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের
রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্লক রেইডের মাধ্যমে চলমান গণতল্লাশি ও গণগ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, গত শুক্রবার (১১ই সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে সরকারের ব্যর্থতা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় অক্ষমতার বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিল করে প্রতিবাদ জানায়।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের অভিযোগ, জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশে আতঙ্কিত হয়ে পূর্বনির্ধারিত ফলাফলের প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা শাসকগোষ্ঠী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে ব্লক রেইড চালিয়ে গণতল্লাশি ও গণগ্রেপ্তার শুরু করেছে।
বিবৃতিতে বল হয়, গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন, মহাখালী, কড়াইল বস্তি, শাহজাদপুর, কালাচাঁদপুর, ভাষানটেক, মাটিকাটা ও ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় সাধারণ নাগরিকদের ওপর চলমান হয়রানি ও দমন-পীড়ন সরকারের
স্বৈরাচারী চরিত্রকেই উন্মোচিত করেছে। একদিকে তথাকথিত সরকার ও বিরোধী দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে দখল, লুটপাট, চাঁদাবাজি, হত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের অভিযোগ এবং বিপুল জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অধিকার হরণে মানুষ ক্লান্ত-বিপর্যস্ত; অন্যদিকে সরকারের লুণ্ঠনমূলক মানসিকতার কারণে দেশ চরম অর্থনৈতিক সংকটে নিপতিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ প্রসঙ্গে দলটি গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সারের সংকট, বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাওয়া, প্রতিদিন কলকারখানা বন্ধ হওয়া, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, ঊর্ধ্বমুখী দ্রব্যমূল্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রুদ্ধ করা এবং ব্যাপক হারে চাকরিচ্যুতির কথা উল্লেখ করে বলেছে, এসব সংকটে জনগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগের অভিযোগ, এমন পরিস্থিতিতে সরকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের সক্ষমতার ওপর আঘাত হানছে এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা করছে। জনগণের
ক্রমবর্ধমান শক্তিতে আতঙ্কিত হয়ে সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার করে জনগণকে ভীতি প্রদর্শন শুরু করেছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। দলটি মন্তব্য করেছে, সভ্য দেশে এমন আচরণ কল্পনাতীত হলেও এক “বিশ্বসেরা প্রতারকের” পর এক “বিশ্বসেরা চোরের” ক্ষমতারোহণের স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবেই এটি প্রত্যাশিত ছিল। বিস্মিত হওয়ার পরিবর্তে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি স্পষ্ট ভাষায় আহ্বান ও সতর্কবার্তা দিয়ে আওয়ামী লীগ বলেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে যারা তাদের সহকর্মীদের হত্যা করেছে, থানা জ্বালিয়ে অস্ত্র লুট করেছে, এবং এখন যারা তাদের সহকর্মীদের চাকরিচ্যুতি, মামলা, গ্রেপ্তার ও নিপীড়নের শিকার বানাচ্ছে—আবার নৈতিক স্খলনের কারণে বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিদের ফিরিয়ে
এনে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাচ্ছে—তাদেরও একদিন এই অবৈধ ও নিপীড়নমূলক সরকারের আদেশে জনগণের ওপর চালানো দমন-পীড়নের জবাবদিহি করতে হবে। সরকারের সব ধরনের অন্যায় ও নিপীড়নের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছে, অবিলম্বে গণগ্রেপ্তার ও গণতল্লাশি বন্ধ করতে হবে। বিবৃতির শেষাংশে দলটি বলে, জনগণ জেগে উঠেছে এবং যা ঘটেছে তার সব হিসাব দিয়ে ও চেয়ে নিয়েই তারা ঘরে ফিরবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
স্বৈরাচারী চরিত্রকেই উন্মোচিত করেছে। একদিকে তথাকথিত সরকার ও বিরোধী দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে দখল, লুটপাট, চাঁদাবাজি, হত্যা, ধর্ষণ ও নিপীড়নের অভিযোগ এবং বিপুল জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অধিকার হরণে মানুষ ক্লান্ত-বিপর্যস্ত; অন্যদিকে সরকারের লুণ্ঠনমূলক মানসিকতার কারণে দেশ চরম অর্থনৈতিক সংকটে নিপতিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ প্রসঙ্গে দলটি গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সারের সংকট, বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাওয়া, প্রতিদিন কলকারখানা বন্ধ হওয়া, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, ঊর্ধ্বমুখী দ্রব্যমূল্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রুদ্ধ করা এবং ব্যাপক হারে চাকরিচ্যুতির কথা উল্লেখ করে বলেছে, এসব সংকটে জনগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগের অভিযোগ, এমন পরিস্থিতিতে সরকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের সক্ষমতার ওপর আঘাত হানছে এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা করছে। জনগণের
ক্রমবর্ধমান শক্তিতে আতঙ্কিত হয়ে সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার করে জনগণকে ভীতি প্রদর্শন শুরু করেছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। দলটি মন্তব্য করেছে, সভ্য দেশে এমন আচরণ কল্পনাতীত হলেও এক “বিশ্বসেরা প্রতারকের” পর এক “বিশ্বসেরা চোরের” ক্ষমতারোহণের স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবেই এটি প্রত্যাশিত ছিল। বিস্মিত হওয়ার পরিবর্তে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি স্পষ্ট ভাষায় আহ্বান ও সতর্কবার্তা দিয়ে আওয়ামী লীগ বলেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে যারা তাদের সহকর্মীদের হত্যা করেছে, থানা জ্বালিয়ে অস্ত্র লুট করেছে, এবং এখন যারা তাদের সহকর্মীদের চাকরিচ্যুতি, মামলা, গ্রেপ্তার ও নিপীড়নের শিকার বানাচ্ছে—আবার নৈতিক স্খলনের কারণে বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিদের ফিরিয়ে
এনে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাচ্ছে—তাদেরও একদিন এই অবৈধ ও নিপীড়নমূলক সরকারের আদেশে জনগণের ওপর চালানো দমন-পীড়নের জবাবদিহি করতে হবে। সরকারের সব ধরনের অন্যায় ও নিপীড়নের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছে, অবিলম্বে গণগ্রেপ্তার ও গণতল্লাশি বন্ধ করতে হবে। বিবৃতির শেষাংশে দলটি বলে, জনগণ জেগে উঠেছে এবং যা ঘটেছে তার সব হিসাব দিয়ে ও চেয়ে নিয়েই তারা ঘরে ফিরবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।



