ঋণ নিচ্ছেন না উদ্যোক্তারা, ব্যাংকেও নেই টাকা, তাহলে আমানতের এতো টাকা গেল কোথায়? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ আগস্ট, ২০২৬

ঋণ নিচ্ছেন না উদ্যোক্তারা, ব্যাংকেও নেই টাকা, তাহলে আমানতের এতো টাকা গেল কোথায়?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ আগস্ট, ২০২৬ |
সাধারণ অর্থনৈতিক নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা যখন ব্যাংক থেকে বেশি পরিমাণে ঋণ নেন, তখন ব্যাংকের হাতে থাকা নগদ অর্থ বা তারল্য কমে আসে। বিপরীতে ঋণের চাহিদা কমে গেলে ব্যাংকের হাতে অর্থ জমতে থাকার কথা এবং তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ারই কথা। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে এখন ঠিক তার উল্টো চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪.৪৭ শতাংশে, যা ১৯৯৩ সালের পর থেকে সর্বনিম্ন। অর্থাৎ উদ্যোক্তারা নতুন ঋণ নেওয়া থেকে বিরত থাকছেন, বিনিয়োগ কমেছে এবং শিল্প সম্প্রসারণ কার্যত থমকে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাংকগুলোর হাতে অতিরিক্ত অর্থ থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দেশের একাধিক ব্যাংক এখনও তীব্র

তারল্য সংকটে জর্জরিত এবং অনেক ব্যাংককেই গ্রাহকদের আমানত ফেরত দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই সংকটাপন্ন যে, শুধু ইসলামী ব্যাংককেই সম্প্রতি ১৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি জরুরি তারল্য সহায়তা দিতে হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংককে। গত দেড় বছরে সংকটে পড়া ব্যাংকগুলোকে দেওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট তারল্য সহায়তার পরিমাণ ৭৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি ছাড়িয়ে গেছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—ব্যবসায়ীরা যখন ঋণই নিচ্ছেন না, তখন ব্যাংকে টাকার এমন সংকট কেন? স্বাভাবিক অর্থনীতির হিসাব মিলছে না প্রচলিত অর্থনৈতিক তত্ত্ব বলছে, ব্যাংকের তারল্য মূলত দুটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল—আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণ। আমানত বাড়লে এবং নতুন ঋণ বিতরণ কমে গেলে ব্যাংকের হাতে নগদ অর্থ বেড়ে যাওয়ার কথা। বর্তমানে বাংলাদেশে ঠিক

এই পরিস্থিতিই বিদ্যমান—ব্যাংক খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে, রেমিট্যান্স প্রবাহ পৌঁছেছে রেকর্ড উচ্চতায়, আর একই সঙ্গে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ নেমে এসেছে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে। তারপরও কয়েকটি ব্যাংককে প্রতিদিন গ্রাহকদের অর্থ উত্তোলনের চাপ সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন, এটি নিছক সাময়িক তারল্য সংকট নয়, বরং বহু বছর ধরে জমে থাকা আর্থিক অনিয়মেরই বহিঃপ্রকাশ। ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের পর্যবেক্ষণ, দেড় দশকের শাসনামলে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ধীরে ধীরে কয়েকটি প্রভাবশালী শিল্পগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিপুল অঙ্কের ঋণ অনুমোদন, একই গোষ্ঠীকে একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণদান, দুর্বল জামানত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার শিথিল তদারকির কারণে ব্যাংকগুলোর সম্পদের মান দ্রুত অবনতির দিকে যায়। বিশেষ করে সরকারের

শেষ দুই বছরে বহু ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই অর্থের বড় অংশ বিদেশে পাচার হয়েছে অথবা এমন সব প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে যেখান থেকে ঋণ আর ফেরত আসেনি। ফলে ব্যাংকের হিসাবের খাতায় ঋণ সম্পদ হিসেবে দেখানো হলেও বাস্তবে সেই অর্থ ব্যাংকে ফিরে আসেনি—আজকের তারল্য সংকটের মূল উৎস এখানেই নিহিত। ঋণ কমলেও নগদ অর্থ ফিরছে না অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান সংকটকে কেবল নতুন ঋণের চাহিদা কমে যাওয়া দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। কারণ নতুন ঋণ কমলেও পুরোনো বিপুল পরিমাণ ঋণ ইতোমধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে বহু ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়েছে, আবার অনেক ঋণ অবলোপনও করা হয়েছে। ফলে ব্যাংকের কাগজপত্রে

সম্পদ দেখানো থাকলেও হাতে নগদ অর্থের সংকট থেকেই যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়, আর একই সময়ে প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া সমস্যাগ্রস্ত বা দুর্দশাগ্রস্ত ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে ১০ লাখ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে নতুন ঋণ বিতরণ কমলেও পুরোনো ঋণ ফেরত না আসায় ব্যাংকের নগদ সংকট কাটছে না। ইসলামী ব্যাংকগুলো কেন বেশি সংকটে? বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক ব্যাংকিং সেক্টর আপডেট অনুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮.৪ শতাংশে। কিছু ব্যাংকের অ্যাডভান্স-টু-ডিপোজিট রেশিও (এডিআর)

১২০ শতাংশেরও বেশি—অর্থাৎ সংগৃহীত আমানতের চেয়েও বেশি ঋণ বিতরণ করেছে তারা। ফলে আমানতকারীরা একযোগে টাকা তুলতে এলে সেই অর্থ পরিশোধ করা ব্যাংকগুলোর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এই বাস্তবতায় বিশেষ তারল্য সহায়তা, রেপো সুবিধা, আন্তব্যাংক সহায়তা এবং জরুরি অর্থায়নের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে সচল রাখতে হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংককে। ৭৬ হাজার কোটি টাকার সহায়তাও কেন যথেষ্ট নয়? জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোকে ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি টাকার বেশি জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে, এরপরও বিভিন্ন ব্যাংকে অতিরিক্ত সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই অর্থ মূলত গ্রাহকদের দৈনন্দিন অর্থ উত্তোলন নিশ্চিত করার কাজেই ব্যয় হচ্ছে, কোনো ব্যাংকের মূল সমস্যার সমাধান এতে হচ্ছে না। কারণ,

সমস্যার মূল শিকড় লুকিয়ে রয়েছে দীর্ঘদিনের ঋণ জালিয়াতি, উচ্চ খেলাপি ঋণ, দুর্বল করপোরেট সুশাসন, রাজনৈতিক প্রভাবে ঋণ বিতরণ, বিদেশে অর্থ পাচার, মূলধন ঘাটতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির মধ্যে। এসব সমস্যার সমাধান না করে কেবল তারল্য সহায়তা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটানো সম্ভব নয়। উদ্যোক্তারা কেন ঋণ নিচ্ছেন না? বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত এক বছরে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশের বেশি থেকে নেমে এসেছে মাত্র ৪.৪৭ শতাংশে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, উচ্চ সুদহার, গ্যাস সংকট, বিদ্যুৎ ঘাটতি, রপ্তানি আদেশ কমে যাওয়া, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ, ডলারের অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগ পরিবেশে আস্থার অভাব—এসব মিলিয়েই নতুন শিল্প স্থাপনে বড় ঝুঁকি নিতে চাইছেন না কেউ। অনেক উদ্যোক্তার মতে, শুধু ঋণ পাওয়াটাই এখন সমস্যা নয়; বরং উৎপাদন চালানোর নিশ্চয়তারই অভাব রয়েছে। গ্যাস বা বিদ্যুৎ না পেলে নতুন ঋণ নিয়ে কারখানা স্থাপন করার যৌক্তিকতাই বা কোথায়? বিরোধপূর্ণ শোনালেও বাস্তবতা হলো, ব্যাংক খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি আবার বাড়তে শুরু করেছে। রেমিট্যান্সও পৌঁছেছে রেকর্ড পর্যায়ে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ বিলিয়ন ডলারে এবং ডলারের বাজারেও তুলনামূলক স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এই আমানতের বড় অংশ যাচ্ছে তুলনামূলক শক্তিশালী ও সুশাসনসম্পন্ন ব্যাংকগুলোতে। দুর্বল ব্যাংকগুলোতে নতুন আমানত তেমন আসছে না, উল্টো গ্রাহকরা পুরোনো আমানত তুলে নিচ্ছেন—ফলে সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর তারল্য পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংক খাতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম শুরু করে, যার ধারাবাহিকতা বর্তমান সরকারও বজায় রেখেছে। দুর্বল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূতকরণ, ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি, ব্যাংক রেজুলেশন আইন প্রণয়ন, খেলাপি ঋণ আদায়ের উদ্যোগ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠন এবং ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এসব উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও দীর্ঘদিনের অনিয়ম এক-দুই বছরে দূর করা বাস্তবসম্মত নয়। আস্থা ফিরবে কবে? বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট শুধু তারল্যের সংকট নয়, এটি একই সঙ্গে আস্থারও সংকট। একদিকে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়েছেন, অন্যদিকে দুর্বল ব্যাংকের গ্রাহকরা নিজেদের আমানত নিয়েই অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। ফলে নতুন ঋণও বাড়ছে না, আবার পুরোনো ঋণের অর্থও ফিরছে না—যার পরিণতিতে ব্যাংকগুলো একসঙ্গে ঋণ সংকোচন, তারল্য সংকট ও মূলধন ঘাটতির ত্রিমুখী চাপে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মত বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন, শুধু সুদহার কমানো বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তা দিয়ে ব্যাংকিং খাতকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল করা সম্ভব নয়। সবচেয়ে জরুরি হলো খেলাপি ঋণ আদায়, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ, করপোরেট সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা। তাদের ভাষ্যমতে, ব্যবসায়ীরা ঋণ নিচ্ছেন না, তবু ব্যাংকে টাকা নেই—এটিই বর্তমান অর্থনীতির সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য। এর পেছনে রয়েছে বছরের পর বছর জমে থাকা অনিয়ম, ঋণ কেলেঙ্কারি ও সুশাসনের ঘাটতি। তাই কেবল তারল্য সহায়তা নয়, ব্যাংকিং ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি বলে মনে করেন তারা। বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘‘বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি ৩৩ বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসা শুধু ব্যাংকিং খাতের একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি দেশের শিল্প ও বিনিয়োগ পরিবেশের বাস্তব চিত্র তুলে ধরছে। সাধারণভাবে ব্যবসায়ীরা ঋণ কম নিলে ব্যাংকগুলোর তারল্য বাড়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি, অনেক ব্যাংক এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি তারল্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। এর অর্থ হলো, সমস্যা নতুন ঋণ বিতরণে নয়; বরং অতীতে বিতরণ করা বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায় না হওয়া, খেলাপি ঋণের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিনের সুশাসনের ঘাটতিতে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বর্তমানে পোশাক খাতসহ উৎপাদনমুখী শিল্পের অনেক উদ্যোক্তা নতুন ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে বিদ্যমান ব্যবসা টিকিয়ে রাখাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিশ্চিত সরবরাহ, উচ্চ সুদের ব্যয়, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদার চাপ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের আস্থা ফিরে না এলে শুধু নীতিসুদ কমিয়ে বা প্রণোদনা ঘোষণা করে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ বৃদ্ধি সম্ভব হবে না।’’ মহিউদ্দিন রুবেল আরও বলেন, ‘‘ব্যাংকিং খাতের সংস্কার অবশ্যই প্রয়োজন এবং চলমান সংস্কার কার্যক্রম ইতিবাচক। তবে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আনতে খেলাপি ঋণ আদায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি, করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করা, দুর্বল ব্যাংকগুলোর কার্যকর পুনর্গঠন এবং আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনমুখী শিল্পের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ, নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং প্রতিযোগিতামূলক অর্থায়নের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ শিল্পে নতুন বিনিয়োগ না বাড়লে কর্মসংস্থান, রপ্তানি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি—সবই দীর্ঘমেয়াদে চাপের মুখে পড়বে।’’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঋণ নিচ্ছেন না উদ্যোক্তারা, ব্যাংকেও নেই টাকা, তাহলে আমানতের এতো টাকা গেল কোথায়? ফের পিছিয়ে গেল রূপপুরের উৎপাদনের যাত্রা: আগস্টে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে না পরমাণু বিদ্যুৎ বিনা আমন্ত্রণেই বিদেশে যাবার পথে দিল্লি থেকে ঘুরে যেতে চেয়েছিলেন ড. ইউনূস ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেল বাংলাদেশ, উল্টো সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধের চাপ উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ল পৌনে ৩ কোটি টাকার সড়ক, বাঁশ-বালুর বস্তায় ঠেকা! আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, মিত্র, আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি: এমপি নাছির চৌধুরী ‘আপনারা দেখেননি, আমরা কীভাবে থানা জ্বালিয়ে পিটিয়ে পুলিশ মেরেছি’: প্রকাশ্যে এনসিপি নেতার স্বীকারোক্তি রিয়ালের সঙ্গে আরও ছয় বছরের চুক্তি বাড়ালেন ভিনিসিউস প্রকল্প ব্যয় ১৬৫ কোটি থেকে ঠেকলো ৩২৬ কোটিতে, ২০০ কোটির অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয়ের তোড়জোড় ইআবা নেতা ফয়জুল করিম: ‘জুলাইতে রাজপথে ছিলাম আমরা, বিএনপি-জামায়াত ছিল না’ নাশকতা সন্দেহ: বাসভবনে আগুন, পাকিস্তানি হাইকমিশনার সস্ত্রীক আইসিইউতে ‘শেখ হাসিনা থেকে ১০ লাখ টাকা পাওয়া’ আহসান জুলাই যোদ্ধা নন- দাবি বিএনপি নেতার, জামায়াত নেতার ভাষ্য, ‘সারজিসও ছাত্রলীগ করত’ রিয়াল মাদ্রিদ নাকি বার্সেলোনা: কোথায় যাবেন রদ্রি? শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা, হাতেনাতে ধৃত জামায়াত কর্মীকে ৫০ বেত্রাঘাতে ছাড় দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে নওফেল: “বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে বাংলাদেশ” তীব্র জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত উৎপাদন: ৪ দিনের ছুটি গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে অসন্তোষের মাঝেই ভারত থেকে পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল চাইল বাংলাদেশ আইসিউতেও হাতকড়া থেকে মুক্তি মেলেনি যার, সেই আওয়ামী লীগ নেতার চিরমুক্তি মিলল মৃত্যুতে জুলাই কনসার্টে হাসানের ওপর মূত্রভর্তি বোতল নিক্ষেপ, ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান ৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি কক্সবাজার মহাসড়কে বাস থামিয়ে লুটে নেওয়া ৫৭ লাখ টাকা