ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অতিরিক্ত বৃষ্টিতে উত্তরাঞ্চলে সবজি-ফসলের ক্ষতি, হঠাৎ সরবরাহ ঘাটতিতে বেড়েছে দাম
৭৭ শতাংশ বেড়েছে সরকারের ব্যাংকঋণ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা বেশি
কাঁচা মরিচের দামের আগুন কমাতে ভারতেই ঝুকছেন ব্যবসায়ীরা
নতুন অর্থবছরের শুরুতেই কমল রপ্তানি আয়, পোশাক খাতেও নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি
এলপি গ্যাসের দাম আরও বাড়ল
৫ মাসের মধ্যে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ইতিবাচক মোড়
বাজারের বেশিরভাগ সবজি শতক হাঁকালেও কাঁচা মরিচ একাই ৪০০ নট আউট
আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের আকার ছোট হয়ে আসছে
নানা অনিয়ম-জালিয়াতির কারণে আমানত ফেরত দিতে না পারা আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের আকার ছোট হয়ে আসছে। এসব প্রতিষ্ঠান উচ্চ সুদ দিয়েও এখন আমানত পেতে হিমশিম খাচ্ছে। সুদ যোগ করেও প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানত স্থিতি বাড়ছে না। কমে যাচ্ছে ঋণ। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে না পারা ২০ প্রতিষ্ঠানের প্রভাবে পুরো খাতে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। শিগগিরই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধের পর এ খাতের আকার আরও ছোট হয়ে যাবে।
বন্ধ হতে যাওয়া পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, আভিভা ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট। প্রতিষ্ঠানগুলোর আমানতকারীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হবে। এরই মধ্যে
এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি উন্নতির জন্য সময় দেওয়া হয়েছে আরও চার প্রতিষ্ঠানকে। পরিস্থিতি উন্নতি নাহলে পরের ধাপে একীভূত করা হবে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি এবং প্রাইম ফাইন্যান্স। বিদ্যমান নিয়মে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধ হলে একজন আমানতকারীর যত টাকাই জমা থাকুক আমানত বীমা ট্রাস্ট তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ফেরত পান। পরবর্তী ধাপে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনরুদ্ধার বা সম্পত্তি বিক্রি করে আনুপাতিক হারে টাকা ফেরত দিতে হয়। তবে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনতে এসব প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদের সরকার থেকে ১০ লাখ
টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হবে। অবশ্য শুধু ব্যক্তি পর্যায়ের আমানতকারী অর্থ ফেরত পাবেন, নাকি সব পর্যায়ের আমানতকারীকে দেওয়া হবে স্কিম ঘোষণার পর তা জানা যাবে। ৫ প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি আমানত ৩ হাজার কোটি টাকা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি আমানত ছাড়াও অন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আমানত ও ঋণ নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে। বন্ধ হতে যাওয়া এসব প্রতিষ্ঠানের মোট আমানত রয়েছে ১৩ হাজার ৩০ কোটি টাকা। আর অন্য ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েছে ২ হাজার ২০২ কোটি টাকা। পুরো এই দায়ের মধ্যে ব্যক্তি আমানত রয়েছে তিন হাজার ৩ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বন্ধ হতে যাওয়া পিপলস লিজিংয়ে তিন হাজার ৪১৫ কোটি টাকা আমানত এবং অন্য
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ রয়েছে ৪৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তি আমানত এক হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের তিন হাজার ৫৬০ কোটি টাকা আমানত ও অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ রয়েছে এক হাজার ৫০৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তি আমানত রয়েছে ৬৪৬ কোটি টাকা। আভিভা ফাইন্যান্সের ৫ হাজার ২১৭ কোটি টাকা আমানত এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের ঋণ রয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তি থেকে নেওয়া আমানত ৮১০ কোটি টাকা। এফএএস ফাইন্যান্সের ৩৮৯ কোটি টাকা আমানতের মধ্যে ব্যক্তি আমানত ১০৫ কোটি টাকা। আর ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৪৫০ কোটি এবং অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ রয়েছে ৩৪৭ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ব্যক্তি
আমানত মাত্র ৩৬ কোটি টাকা। ঋণ-আমানতে উন্নতি নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো গড়ে ৬ শতাংশের মতো সুদে আমানত নিলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে ১০ শতাংশের ওপরে। এরপরও আমানত বাড়ছে না। গত মার্চ শেষে এসব প্রতিষ্ঠানের সুদসহ আমানত স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর শেষে যা ছিল ৫১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। গত মার্চ পর্যন্ত মোট আমানতের ৪৭ হাজার ২২৮ কোটি টাকা বেসরকারি খাতের। এর মধ্যে ব্যক্তি আমানত ২১ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা। বাকি আমানত বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের। সরকারি খাতের আমানত মাত্র ৪ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। আমানত ফেরত পেতে দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধন, ঘেরাওসহ নানা কর্মসূচি
পালন করে আসছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আমানতকারী। প্রতিষ্ঠানগুলোর কেবল আমানতের দুরবস্থা নয়, ঋণও কমে যাচ্ছে। গত মার্চ শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ স্থিতি কমে ৭৮ হাজার ৪২৫ কোটি টাকায় নেমেছে। তিন মাস আগে গত বছরের ডিসেম্বর শেষে যা ছিল ৭৮ হাজার ৮২৯ কোটি টাকা। এর মানে এসব প্রতিষ্ঠানের নতুন করে ঋণ বিতরণ হচ্ছে খুব কম। আর যা আদায় হচ্ছে তার বড় অংশই চলে যাচ্ছে বেতন-ভাতা, স্থাপনা ভাড়াসহ অন্যান্য পরিশোধে। এসব ঋণের বড় অংশই নানা অনিয়ম-জালিয়াতির মাধ্যমে মালিকপক্ষ বের করে নিয়ে যায় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পরিদর্শনে উঠে আসে। আর্থিক খাতের প্রতি আস্থা ফেরাতে এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার সমস্যাগ্রস্ত পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী
ব্যাংক গঠন করেছে। এই ব্যাংকের মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। আমানতকারীদের বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার দেওয়া হবে। ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ছিল এস আলমের নিয়ন্ত্রণে।
এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া পরিস্থিতি উন্নতির জন্য সময় দেওয়া হয়েছে আরও চার প্রতিষ্ঠানকে। পরিস্থিতি উন্নতি নাহলে পরের ধাপে একীভূত করা হবে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি এবং প্রাইম ফাইন্যান্স। বিদ্যমান নিয়মে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধ হলে একজন আমানতকারীর যত টাকাই জমা থাকুক আমানত বীমা ট্রাস্ট তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ফেরত পান। পরবর্তী ধাপে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনরুদ্ধার বা সম্পত্তি বিক্রি করে আনুপাতিক হারে টাকা ফেরত দিতে হয়। তবে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনতে এসব প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদের সরকার থেকে ১০ লাখ
টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হবে। অবশ্য শুধু ব্যক্তি পর্যায়ের আমানতকারী অর্থ ফেরত পাবেন, নাকি সব পর্যায়ের আমানতকারীকে দেওয়া হবে স্কিম ঘোষণার পর তা জানা যাবে। ৫ প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি আমানত ৩ হাজার কোটি টাকা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি আমানত ছাড়াও অন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে আমানত ও ঋণ নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে। বন্ধ হতে যাওয়া এসব প্রতিষ্ঠানের মোট আমানত রয়েছে ১৩ হাজার ৩০ কোটি টাকা। আর অন্য ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েছে ২ হাজার ২০২ কোটি টাকা। পুরো এই দায়ের মধ্যে ব্যক্তি আমানত রয়েছে তিন হাজার ৩ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বন্ধ হতে যাওয়া পিপলস লিজিংয়ে তিন হাজার ৪১৫ কোটি টাকা আমানত এবং অন্য
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ রয়েছে ৪৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তি আমানত এক হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের তিন হাজার ৫৬০ কোটি টাকা আমানত ও অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ রয়েছে এক হাজার ৫০৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তি আমানত রয়েছে ৬৪৬ কোটি টাকা। আভিভা ফাইন্যান্সের ৫ হাজার ২১৭ কোটি টাকা আমানত এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের ঋণ রয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তি থেকে নেওয়া আমানত ৮১০ কোটি টাকা। এফএএস ফাইন্যান্সের ৩৮৯ কোটি টাকা আমানতের মধ্যে ব্যক্তি আমানত ১০৫ কোটি টাকা। আর ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৪৫০ কোটি এবং অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ রয়েছে ৩৪৭ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটির ব্যক্তি
আমানত মাত্র ৩৬ কোটি টাকা। ঋণ-আমানতে উন্নতি নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো গড়ে ৬ শতাংশের মতো সুদে আমানত নিলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে ১০ শতাংশের ওপরে। এরপরও আমানত বাড়ছে না। গত মার্চ শেষে এসব প্রতিষ্ঠানের সুদসহ আমানত স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর শেষে যা ছিল ৫১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। গত মার্চ পর্যন্ত মোট আমানতের ৪৭ হাজার ২২৮ কোটি টাকা বেসরকারি খাতের। এর মধ্যে ব্যক্তি আমানত ২১ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা। বাকি আমানত বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের। সরকারি খাতের আমানত মাত্র ৪ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। আমানত ফেরত পেতে দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধন, ঘেরাওসহ নানা কর্মসূচি
পালন করে আসছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আমানতকারী। প্রতিষ্ঠানগুলোর কেবল আমানতের দুরবস্থা নয়, ঋণও কমে যাচ্ছে। গত মার্চ শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ স্থিতি কমে ৭৮ হাজার ৪২৫ কোটি টাকায় নেমেছে। তিন মাস আগে গত বছরের ডিসেম্বর শেষে যা ছিল ৭৮ হাজার ৮২৯ কোটি টাকা। এর মানে এসব প্রতিষ্ঠানের নতুন করে ঋণ বিতরণ হচ্ছে খুব কম। আর যা আদায় হচ্ছে তার বড় অংশই চলে যাচ্ছে বেতন-ভাতা, স্থাপনা ভাড়াসহ অন্যান্য পরিশোধে। এসব ঋণের বড় অংশই নানা অনিয়ম-জালিয়াতির মাধ্যমে মালিকপক্ষ বের করে নিয়ে যায় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পরিদর্শনে উঠে আসে। আর্থিক খাতের প্রতি আস্থা ফেরাতে এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার সমস্যাগ্রস্ত পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী
ব্যাংক গঠন করেছে। এই ব্যাংকের মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। আমানতকারীদের বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার দেওয়া হবে। ব্যাংকগুলোর মধ্যে সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ছিল এস আলমের নিয়ন্ত্রণে।



